শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:২০

পি কে হালদারের অর্থ আত্মসাৎ মামলা

এস কে সুর-শাহ আলমসহ আরও আটজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

বিশেষ প্রতিনিধি

Google News

বিদেশে পলাতক এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) সহযোগী হিসেবে নাম আসার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরী ওরফে এস কে সুর চৌধুরী ও নির্বাহী পরিচালক মো. শাহ আলমসহ আটজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। গতকাল আদালতের অনুমতি নিয়ে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে এ নিষেধাজ্ঞা চেয়ে চিঠি পাঠায় সংস্থাটি। পি কে হালদারের একাধিক সহযোগী দুদকের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর ১৬৪ ধারায় আদালতে যে জবানবন্দি দিয়েছেন তাতে এস কে সুর এবং শাহ আলমের নাম উঠে আসে। দুদকের তথ্য বলছে, পিকে হালদারের কাছে প্রতি মাসে মাসোয়ারা নিতেন শাহ আলম আর পি কের ক্ষমতার উৎস ছিলেন এসকে সুর।

সম্প্রতি হাই কোর্ট দুদকের কাছে জানতে চায় এই দুজনকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না। আদালতের এমন প্রশ্নের পর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। আরও যে ছয়জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তারা হলেন এসকে সুরের স্ত্রী সুপর্ণা সুর চৌধুরী, শাহ আলমের দুই স্ত্রী শাহীন আক্তার শেলী ও নাসরিন বেগম। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের এভিপি আল মামুন সোহাগ (৩৩), ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের ম্যানেজার ট্রেজারি অভীক সিনহা (৩১) এবং অতসী মৃধা নামের তিন ব্যক্তিরও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিদেশ গমনের জন্য সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আবেদন করলে সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েস গত ২৯ মার্চ বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করেন এবং সেই সঙ্গে বিশেষ পুলিশ সুপারের (ইমিগ্রেশন) কাছে এই আদেশ পৌঁছে দেওয়া হয়।

অনুসন্ধানাধীন ও তদন্তাধীন নথির আসামি ও অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড নামের আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত। গোপন সূত্রে জানা যায়, নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেন। সুতরাং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর