শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১৭

শেরে বাংলা মেডিকেলে করোনা ওয়ার্ডে বাড়েনি সক্ষমতা

রাহাত খান, বরিশাল

Google News

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) করোনা ওয়ার্ডে অভাব-অভিযোগের শেষ নেই রোগী ও তাদের স্বজনদের। প্রত্যাশা অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। আইসিইউ বেডের সংকটে মুমূর্ষু রোগীরা মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। করোনা ওয়ার্ডের ওষুধপথ্যও কিনতে হচ্ছে বাইরে থেকে। খাবারের মানও যাচ্ছেতাই। সবকিছু মিলিয়ে মানবিক বিপর্যয় চলছে শেরেবাংলা মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, গত এক বছরে অভিজ্ঞতা ছাড়া কিছুই বাড়েনি। বরং লজিস্টিক সাপোর্ট আরও কমেছে। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী জনবল নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে হাসপাতাল প্রশাসন। করোনা প্রকোপের শুরুতে গত বছরের ১৭ মার্চ শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবনির্মিত একটি চারতলা ভবনে ১৫০ বেডের করোনা ওয়ার্ড চালু করে কর্তৃপক্ষ। সেখানে ১২ বেডের একটি আইসিইউ ইউনিট রয়েছে। এক বছর আগে চালু হওয়া করোনা ওয়ার্ড কিংবা করোনা ওয়ার্ডের আইসিইউ ইউনিটের জন্য কোনো স্থায়ী জনবল এখনো নিয়োগ হয়নি। অন্যান্য ওয়ার্ড থেকে ধার করা ৯ জন ডাক্তার এবং ১৫ জন নার্স তিন শিফটে কোনোমতে করোনা ওয়ার্ডে রোগীর সেবা দিচ্ছেন। করোনা ওয়ার্ডের আইসিইউ ইউনিটেও অন্য ওয়ার্ডের তিনজন ডাক্তার এবং ৩ জন নার্স মুমূর্ষু রোগীদের সেবা দিচ্ছেন। পুরো করোনা ওয়ার্ড এবং আইসিইউ ইউনিটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কিংবা রোগীর ফুটফরমায়েশ করার জন্য তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করছেন চতুর্থ শ্রেণির মাত্র ৩ জন কর্মচারী। গত এক বছরেও করোনা ওয়ার্ডে স্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হয়নি কোনো জনবল। বরং এক বছর আগের অনেক যন্ত্রপাতি কার্যক্ষমতা হারিয়েছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গত এক বছরে ডাক্তার-নার্সদের অভিজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই বাড়েনি। বরং লজিস্টিক সাপোর্ট কমেছে। অধিক ব্যবহারের কারণে গত এক বছরে অনেক যন্ত্রপাতি কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। আরও নতুন যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। আইসিইউ ইউনিটে বেড সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। ধার করা চিকিৎসক দিয়ে প্রত্যাশা অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা দেওয়া যাচ্ছে না।

এই বিভাগের আরও খবর