শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:২৫

মাঠে চলছে প্রশাসনের অভিযানও

সামাজিক দূরত্ব নেই চট্টগ্রামের মার্কেট-কাঁচাবাজারেও

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

সরকার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হলেও সাধারণ মানুষ এখনো নিয়ম মানছেন না। ফলে সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও ক্রমাগত হারে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। চলমান করোনাকালীন পরিস্থিতি ও রমজানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের বিভিন্ন মার্কেট, ফুটপাথের পাশাপাশি কাঁচাবাজারেও মানুষের ভিড় লক্ষ্যণীয়। বিভিন্ন দোকানে ভিড় এড়াতে বিক্রেতাদের অনেকে এক দামে বিক্রি করছেন বেশি চাহিদার গরুর মাংস, মুরগি, মাছ, সবজি ইত্যাদি। মুদির দোকানগুলোতেও একই অবস্থা। চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাছাড়া আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩১ জন। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৪৩১ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ হাজার ৬২১ জনের। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরের ৩৬২ জন এবং উপজেলার ৬৯ জন। চট্টগ্রামে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ২৯১ জন। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, নগরীতে ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট করোনা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা, মাস্ক পরা, সরকার নির্দেশিত আদেশ প্রতিপালন, বাজার মনিটরিংসহ সব বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলছে। অভিযানকালে আইন লঙ্ঘনকারীদের জরিমানা, জনসাধারণকে করোনা বিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণও করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট, চকবাজার, কাজির দেউরি, কর্ণফুলী মাকের্টসহ বিভিন্ন বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় কিছু কিছু বিক্রয়কর্মী ও ক্রেতাদের মুখে মাস্ক পরা ছিল। এরপরও ক্রেতা সাধারণের ৩ ফুটের সামাজিক দূরত্ব নেই বললেই চলে। বহদ্দারহাট কাঁচাবাজারে আসা কামাল নামের একজন ক্রেতা বলেন, করোনার ভয় কারও কাছে নেই। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছেন মানুষ। তারপরও সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পরছেন না অনেকেই। বাজারে দেখা যাচ্ছে কেউই সামাজিক দূরত্ব মানছেন না। সাধারণ মানুষ নিজে থেকে সচেতন না হলে, প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা আর কতটুকু করবেন?

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) চট্টগ্রাম আঞ্চলিক প্রধান জামাল উদ্দিন বলেন, রমজান উপলক্ষে গতকাল চট্টগ্রাম শহরে ৩০টি ট্রাকে ছোলা, খেজুর, চিনি, সয়াবিন, মসুর ডাল, পিঁয়াজ বিক্রি করছেন ডিলাররা। প্রতিটি ট্রাক থেকে একজন ভোক্তা ৫৫ টাকা দরে ২ কেজি ছোলা, ৮০ টাকা দরে ১ কেজি খেজুর, ৫৫ টাকা দরে ২-৩ কেজি সাদা চিনি, ৫৫ টাকা দরে ২ কেজি মসুর ডাল, ২০ টাকা দরে ৪-৫ কেজি পিঁয়াজ, ১০০ টাকা দরে ২-৪ লিটার সয়াবিন (সরবরাহ থাকলে ৫ লিটার বোতল) কিনতে পারবেন।

এই বিভাগের আরও খবর