শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ মে, ২০২১ ০১:৩৮

বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের পেনশনের আওতায় আনার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

Google News

বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের পেনশনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাইভেট ইমপ্লয়েজ ফোরাম। গতকাল সংগঠনটির প্রাইভেট সেক্টর এপ্লয়মেন্ট এমিড কভিড-১৯ : এক্সপেকটেশনস ফ্রম বাজেট এফওয়াই-২২ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে তারা এ দাবি জানান। এতে সভাপতিত্ব করেন বিপিইএফ আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম। মডারেট হিসেবে ছিলেন ইউএনবির সিনিয়র সাব-এডিটর মুহাম্মদ আল-আমিন আবির। আলোচনায় অংশ নেন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাশরুর রিয়াজ, আইসিএবি সভাপতি এম এইচ খসরু, বিজিএমইএ সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম, ডিসিসিআই সভাপতি রেজওয়ান রহমান, ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের দেশে এখনো কোনো পেনশন ফান্ড চালু হয়নি। সরকার সরকারি চাকরিজীবীদের যেটা নিচ্ছে সেটা খরচ করে ফেলছে। কম করে হলেও ২৪-২৫ লাখ কোটি টাকার লায়বেলেটিস সরকারের ঘাড়ে। এই টাকা ফেরত দিতে হবে। এখন থেকে একটা সিস্টেম চালু করলে ৩০ বছর পর একটা ফুল ফান্ড চালু হবে। দীর্ঘমেয়াদি ফাইন্যান্সিং স্কিম জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে সর্বোচ্চ ৫ বছরের ফিন্যান্সিং স্কিম আছে। কোনো ব্যাংক পদ্মা সেতু বা বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারবে না। কারণ সেগুলো ২০-৩০ বছরের প্রকল্প। পেনশন ফান্ড সৃষ্টি হলে এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করা যাবে। সরকারকে দীর্ঘ মেয়াদি ফিন্যান্সিং স্কিম চালু করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বেসরকারি চাকরির বিষয়ে আমাদের এখানে সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। কয় বছর পরপর একটা সার্ভে হয়। কিন্তু এমপ্লয়মেন্ট কতখানি বাড়ছে এগুলোর বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। সরকার জিডিপি নিয়েই পড়ে আছে, যা ধরাও যায় না ছোঁয়াও যায় না। ২২০০ ডলার মাথাপিছু আয় অথচ আমরা গরিব হচ্ছি। তিনি বলেন, ৬০ শতাংশ মানুষ বলছে, তাদের আয় কমছে। আমাদের মাইগ্রেশন হয়। কিন্তু নিট মাইগ্রেশন কত তা আমরা জানি না। কতজন বিদেশ গেল তার হয়তো একটা হিসাব থাকে। কিন্তু কতজন ফিরে আসল তা কিন্তু জানি না। এই যে রেমিট্যান্স বেড়েছে, কিন্তু কেন বাড়ল আমরা জানি না। কারণ তথ্যের বিশাল ঘাটতি। করোনায় ৪০-৬০ শতাংশ মানুষের আয় কমেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১ কোটিরও বেশি পরিবার দুরবস্থায় আছে। আমি অর্থমন্ত্রীকেও বলেছি, আবারও বলছি, প্রত্যেক পরিবারকে মাসে ২ হাজার টাকা করে বছরে ২৪ হাজার কোটি টাকা দিন। ভালো হবে। বিশ্বের অনেক দেশ এটা করছে। ভারত একটা স্কিম নিয়েছে, অনেক দেশ করেছে।

এই বিভাগের আরও খবর