বিনামূল্যে ‘টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫’ এর কার্যক্রম শুরু হবে ১২ অক্টোবর। চলবে আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের পাঁচ কোটি ডোজ টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে। কিন্তু এই প্রকল্পে বরাদ্দকৃত জনবলের প্রায় ৪০ শতাংশ পদ শূন্য থাকায় টিকাদান কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলরুমে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টিকা কার্যক্রমের সাফল্য, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. নিজাম উদ্দিন ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ।
এতে বলা হয়, টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে।
তবে জনবলের ঘাটতি থাকায় টিকাদান কার্যক্রমের সম্প্রসার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রকল্পে বরাদ্দকৃত জনবলের প্রায় ৪০% পদ এখনো শূন্য। যার মধ্যে স্বাস্থ্য পরিদর্শক (এইচআই), সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক (এএইচআই), স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ), ইপিআই টেকনিশিয়ান/পর্যবেক্ষকের পদ রয়েছে। ইপিআই সদর দপ্তরেও ৪৩% পদ শূন্য রয়েছে। জেলাপর্যায়ে কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ানের পদে শূন্যতার হার ৫৩%। এ ছাড়া ৪০ জেলায় এখনো টিকাদান কর্মী নিয়োগ দেওয়া সম্পন্ন হয়নি। এ সময় আরও জানানো হয়, বাজেট বরাদ্দে দেরি এবং কর্মসূচি অনুমোদনের বিলম্ব হওয়ায় এবার টিকা ক্রয়, পরিবহন ও বিতরণে সমস্যা হয়েছে। যার ফলে জেলাপর্যায়ে টিকার সরবরাহে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইউনিসেফ বাংলাদেশ চিফ ডা. চন্দ্রশেখর সোলোমন, ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন পরিচালিত উক্ত গবেষণা প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।