রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতেখারুল আলম মাসুদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। তর্কের একপর্যায়ে আম্মারকে বেয়াদব সম্বোধন করে বের হয়ে যেতে বলেন রেজিস্ট্রার।একজন কর্মকর্তার এমন আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে তদন্ত দাবি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
এতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে বিলম্ব বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণ বরদাশত করবে না রাকসু। রেজিস্ট্রারের এমন আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, জবাবদিহি ও শিক্ষার্থীদের অধিকারবোধের প্রতি এক চরম অবজ্ঞা হিসেবে দেখছে। তার অশোভন আচরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও তদন্ত দাবি করছি। এ ব্যাপারে ইফতেখারুল আলম মাসুদ বলেন, সে (আম্মার) ভালোভাবেই জানে সেখানে কারা ছিল। সে এখানে বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করছিল- যেটা তার স্বভাব। সে সব সময় মিথ্যা বলে এবং ফুটেজবাজি করে।
সে সেখানে উপস্থিত সবাইকে চেনার পরেও, সেখানে গিয়ে ওদেরকে দেখার পরেই বলছে উনারা বিএনপির নেতা-কর্মী বৈঠক করছে। এরপর সে আমাকে উত্তেজিত করতে থাকলে, একপর্যায়ে আমি তাকে বের হয়ে যেতে বলি।
জানা গেছে, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির পদত্যাগ দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে বিভাগে প্রায় ২৩ দিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ আছে। দাবি আদায়ে উপাচার্যের কাছে যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এতে রাকসু প্রতিনিধি হিসেবে তাদের সঙ্গে অংশ নেন জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। এক পর্যায়ে রেজিস্ট্রার দপ্তরে গেলে তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটে।
আম্মারের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের দাবিতে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অপসারণে উপাচার্য চিঠি ইস্যু করেছেন এবং ফর্মালিটি শেষ করতে রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠিয়েছেন। কিন্তু তিনি সেটা বিলম্ব করছেন। আমি কাজের অগ্রগতি জানতে সেখানে যাই। তখন তিনি উচ্চবাচ্য করেছেন।