দ্রোহ ও প্রেমের কবি হেলাল হাফিজের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকার একটি আবাসিক হোস্টেলে তিনি মারা যান। ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বড়তলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে হেলাল হাফিজের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তাঁর লেখা ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতার প্রথম দুই লাইন ‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’-এর জন্য তিনি বাংলা কবিতার জগতে অমরত্ব পান। হয়েছিলেন কিংবদন্তি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৬৯ সালে গণ অভ্যুত্থান চলাকালে রচিত ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। দীর্ঘ বিরতির পর ২০১২ সালে তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতা একাত্তর’ প্রকাশিত হয়। তাঁর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘বেদনাকে বলেছি কেঁদ না’।
কবিতায় অসামান্য অবদানের জন্য হেলাল হাফিজ ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি এবং ২০২৫ সালে মরণোত্তর একুশে পদক পুরস্কার পেয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি যশোহর সাহিত্য পরিষদ পুরস্কার, আবুল মনসুর আহমদ সাহিত্য পুরস্কার, কবি খালেকদাদ চৌধুরী পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন।
এই অকৃতদার কবি পূর্বদেশ, দেশ ও যুগান্তরসহ দেশের বিভিন্ন দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন।