দীর্ঘ দুই দশক পর আজ চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর আগমন ঘিরে পুরোদমে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা, প্রচারসহ বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন। দীর্ঘ দুই দশক পর তারেক রহমানের চট্টগ্রামে আগমনে নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝে উচ্ছ্বাসের আমেজ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, তারেক রহমানের এ সমাবেশ রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে তিনি। ফলে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হবে নতুন ইতিহাস। পাশাপাশি শৃঙ্খলাবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও সর্বজনগ্রাহ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে প্রচারণার অংশ হিসেবে ২০ বছর পর বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি আজ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে আসার কথা। পরের দিন সকালে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত জনসমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। এক দিনের এ সফর শেষে তিনি সড়কপথে ফেনী হয়ে ঢাকা যাবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রাম সফরে এসেছিলেন ২০০৫ সালের ৬ মে। ওই সময়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের পক্ষে ভোট চাইতে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য রেখেছিলেন বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। ওই সফরের পর আর কোনো বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে চট্টগ্রামে আসেননি তিনি। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর পর আমাদের নেতার এ সফর ঘিরে নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। নেতা-কর্মীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে। এবার সরাসরি প্রিয় নেতাকে কাছ থেকে দেখার এবং ভাষণ শোনার সুযোগ পাবে। স্বাভাবিকভাবে নেতা-কর্মীদের মাঝে এটা নিয়ে উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা বিরাজ করছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইউনুস মিয়া জুয়েল বলেন, আমাদের ছাত্র রাজনীতির শুরুটা বিরোধী দলে থাকাকালীন সময় থেকে। বিএনপি যখন বিরোধী দলে, তখন থেকে রাজপথে থেকে রাজনীতি করেছি। তারেক রহমান আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক। আমাদের অভিভাবককে আমরা কাছে পাব, সামনাসামনি দেখব তা অত্যন্ত আনন্দের খবর। এই সফর ঘিরে তৃণমূল কর্মীরা বেশ উচ্ছ্বসিত।