ঢাকার কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লাকে (৪২) গুলির ঘটনায় এখনো মামলা করেনি পরিবার। কে বা কারা কী কারণে তাকে গুলি করেছে সেটিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এমনকি হামলাকারী দুজনকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে ছাঁয়া তদন্ত অব্যাহত আছে জানিয়ে পুলিশ বলছে, শুটার ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার হলে হামলার রহস্য উন্মোচিত হবে। এদিকে গুলিবিদ্ধ হওয়া হাসান মোল্লার অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবৃতিতে বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা চালানো হচ্ছে।
‘হাসান মোল্লার হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার বিকল্প নেই। তা না হলে তারা আরও বড় ধরনের নাশকতা ঘটাতে পারে।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে হজরতপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ের সামনে হাসান মোল্লাকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। পরে সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা জগন্নাথপুর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা জেলা পুলিশের এসপি মিজানুর রহমানসহ অন্য কর্মকর্তারা।
গুলিবিদ্ধ হওয়া হাসান মোল্লার স্ত্রী তুহিনা বেগম জানিয়েছেন, তার স্বামীর অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। কে বা কারা কী কারণে তার স্বামীকে গুলি করেছে, সেটি বুঝতে পারছেন না।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি এম সাইফুল আলম বলেন, মামলার জন্য আমরা হাসান মোল্লার পরিবারের অপেক্ষায় রয়েছি। তারা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত আছেন বলে জানিয়েছেন। তারা থানায় এলেই মামলা নেওয়া হবে। আর হামলাকারীদের শনাক্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি হামলাকারী দুজনই ছিলেন।