শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০২:০৯, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রাজধানীতে বসছে জিরো ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা

আলী রিয়াজ
প্রিন্ট ভার্সন
রাজধানীতে বসছে জিরো ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা

ঢাকা মহানগরীতে যানজটের মূল কারণগুলোর অন্যতম হলো ত্রুটিপূর্ণ ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা। এর প্রতিকারে বিদ্যমান সিগন্যাল ব্যবস্থার পরিবর্তে স্মার্ট ও স্বয়ংশাসন যুগের অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন টিম ‘জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ মডেল বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। ইনোভেশন টিমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব তৌহিদুল ইসলাম। সদস্যসচিব আইসিটি সিস্টেম অ্যানালিস্ট নূর মোহাম্মদ, বিকল্প সদস্যসচিব মো. আইয়ুব হোসেন। সদস্য উপসচিব নাসরিন সুলতানা, উপসচিব মুহাম্মদ হাসনাত মোর্শেদ ভুইয়া, উপসচিব মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল জাবেদ, উপসচিব কাজী আরিফুর রহমান।

ইনোভেশন টিম তাদের উপস্থাপনায় জানায়, একটি শহরের গতি থেমে গেলে একটি জাতির অগ্রগতি থমকে দাঁড়ায়। ঢাকা নগরীর যানজট আমাদের সময়, সম্পদ ও স্বপ্নকে প্রতিদিন গ্রাস করছে। এটি কেবল রাস্তায় আটকে থাকা মানুষের কষ্ট নয়, এটি আমাদের রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের গলা টিপে ধরা বাস্তবতা। এই নগরীর যানজট একটি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত দুর্যোগের নাম হয়ে উঠেছে। উন্নয়নশীল একটি রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের রাজধানীতে এমন স্থবিরতা খুবই উদ্বেগজনক। যানজট কেবলমাত্র একটি ট্রাফিক সমস্যা নয়, বরং এটি নগর ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। যানজটের ধাক্কায় ঢাকা শহর আজ প্রাণহীন ইট-কাঠের শহরে পরিণত হচ্ছে। স্বপ্নের ঢাকা আজ দুঃস্বপ্নের শহর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইনোভেশন টিমের মূল্যায়নপত্রে বলা হয়, ১৮৬০-এর পূর্ব থেকে যাত্রা শুরু করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বর্তমান বিশ্বে ৭টি ধাপ অতিক্রম করে অষ্টম ধাপে অর্থাৎ স্মার্ট ও স্বায়ত্তশাসিত যুগে প্রবেশ করেছে, যা শুরু হয়েছে ২০২০ সাল থেকে।

ধাপগুলো হচ্ছে : ১. প্রি-ট্রাফিক সিগন্যাল যুগ (১৮৬০ সালের আগে) ২. ম্যানুয়াল সিগন্যাল যুগ (১৮৬০-১৯১০) ৩. নির্ধারিত সময় সিগন্যাল যুগ (১৯১০-১৯৫০) ৪. বৈদ্যুতিক যান্ত্রিক যুগ (১৯৫০-১৯৭০) ৫. সেন্সরভিত্তিক যুগ (১৯৭০-১৯৯০) ৬. কম্পিউটারে নিয়ন্ত্রণ যুগ (১৯৯০-২০১০) ৭. বুদ্ধিমত্তা পরিবহন যুগ (২০১০-২০২০) ৮. স্মার্ট ও স্বায়ত্তশাসিত যুগ (২০২০-চলতি)। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে বিশ্ব অষ্টম ধাপে তথা স্মার্ট ও স্বায়ত্তশাসিত যুগে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সময়ে সময়ে ট্রাফিক লাইট, ক্যামেরাসহ বিভিন্ন ধরনের আধুনিক সরঞ্জামাদি ব্যবহার করা সত্ত্বেও বাস্তবে বাংলাদেশ ম্যানুয়াল সিগন্যাল যুগেই অবস্থান করছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, ঢাকায় যানজটের কারণে যানবাহনের গড় গতি ঘণ্টায় ৪ কিলোমিটারে নেমে এসেছে। ঢাকা মহানগরীতে বসবাসরত মানুষের দৈনিক প্রায় ৯০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। প্রতি বছর উৎপাদনশীলতা হ্রাস, জ্বালানি অপচয় এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ব্যয়ের ফলে অর্থনীতিতে আনুমানিক ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়, যা পরোক্ষভাবে দেশের জিডিপি বছরে প্রায় ৭ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিচ্ছে। জানা গেছে, এই মডেলের আওতায় দুই পর্যায়ের সমন্বিতভাবে নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বাস্তবায়ন করা হবে।

১। প্রথম পর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে (ক) জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা (খ) অভ্যন্তরীণ সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিভিত্তিক (এআই) ট্রাফিক লাইট ও সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা ২। দ্বিতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে- প্রধান সড়কে ট্রাম ব্যবস্থার প্রবর্তন।

প্রথম পর্যায় : (ক) এ রাস্তায় ট্রাফিক লাইট ও ট্রাফিক সিগন্যাল থাকবে না (খ) এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর কানেকটিভিটি তৈরি করা হবে। (গ) প্রধান ৫টি সড়কের ১০৫ কিলোমিটার রাস্তা এক্সপ্রেসওয়ে হবে। (ঘ) বিদ্যমান ইন্টারসেকশনগুলোতে ওভারপাস/আন্ডারপাস, ক্লোভারলিফ ইন্টারচেঞ্জ, আন্ডারপাস ইউলুপ/ওভারপাস ইউলুপের মাধ্যমে যান চলাচল নির্বিঘ্ন করা হবে। (ঙ) রিকশাসহ অন্যান্য ধীরগতির গাড়ির জন্য লোকাল লেন ব্যবহার করা হবে। (চ) মানুষ পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় ফুটওভার ব্রিজ/আন্ডারপাস ওয়াকওয়ে। (ছ) এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনায় নিয়োজিত থাকবে একটি কর্তৃপক্ষ। (জ) এক্সপ্রেসওয়ের বাইরের অভ্যন্তরীণ রোড ট্রাফিক লাইট ও ট্রাফিক সিগন্যালের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। (ঝ) ট্রাফিক লাইট ও ট্রাফিক সিগন্যালের বৈশিষ্ট্য :

এআই, আইওটিভিত্তিক, এআই নিয়ন্ত্রিত সংকেত প্রদর্শন, ক্যামেরায় এআই অ্যালগারিদম সংযুক্তি, রিয়েল টাইম কনজেশন অ্যানালাইসিস, জিপিএস অ্যাপসের সমন্বয়।

দ্বিতীয় পর্যায়ে : ক. প্রধান সড়কে ট্রাম ব্যবস্থার প্রবর্তন। (খ) প্রচলিত মেট্রো/মনোরেলের তুলনায় কম খরচ ও সময়ে স্থাপনযোগ্য (গ) বিদ্যুৎচালিত গণপরিবহন। (ঘ) এটি নির্দিষ্ট রুটে চলাচল করে এবং একসঙ্গে অধিক সংখ্যক যাত্রী পরিবহন করতে সক্ষম। (ঙ) পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী নগর পরিবহন (চ) নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক পরিবহন (ছ) যানজট কমাতে সহায়ক (জ) বিদ্যমান সড়কের বহুমুখী ব্যবহার।

এই বিভাগের আরও খবর
চাকরি ফিরে পেলেন পুলিশের সাবেক ডিসি কোহিনূর
চাকরি ফিরে পেলেন পুলিশের সাবেক ডিসি কোহিনূর
গুম, খুন ও জুলাই শহীদ-আহত পরিবারের সঙ্গে ইফতার
গুম, খুন ও জুলাই শহীদ-আহত পরিবারের সঙ্গে ইফতার
এক দিন পরই সূচকের উত্থান শেয়ারবাজারে
এক দিন পরই সূচকের উত্থান শেয়ারবাজারে
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘ইউনিকো হসপিটাল’ বর্ণাঢ্য র‌্যালি
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘ইউনিকো হসপিটাল’ বর্ণাঢ্য র‌্যালি
হাদি হত্যাকাণ্ডে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি কোনো সরকার
হাদি হত্যাকাণ্ডে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি কোনো সরকার
জেলা প্রশাসক সম্মেলন ৩ মে
জেলা প্রশাসক সম্মেলন ৩ মে
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী
পাঁচ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর
পাঁচ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর
ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাস যে সতর্কতা জানাল
ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাস যে সতর্কতা জানাল
ঈদের ছুটিতে ডিজিটাল লেনদেন স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ
ঈদের ছুটিতে ডিজিটাল লেনদেন স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ
যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ ও ওআইসিকে ভূমিকা রাখতে হবে
যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ ও ওআইসিকে ভূমিকা রাখতে হবে
কর্মকর্তাদের গাড়িতে ৩০% জ্বালানি কম বরাদ্দ
কর্মকর্তাদের গাড়িতে ৩০% জ্বালানি কম বরাদ্দ
সর্বশেষ খবর
অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল আধুনিকায়নে কঠোর সিদ্ধান্ত
অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল আধুনিকায়নে কঠোর সিদ্ধান্ত

এই মাত্র | নগর জীবন

গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন, পুড়ে মারা গেল ৪টি ছাগল
গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন, পুড়ে মারা গেল ৪টি ছাগল

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘মাদকের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ, জিরো টলারেন্স’
‘মাদকের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ, জিরো টলারেন্স’

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ৪ কর্মকর্তার রদবদল
পুলিশের ৪ কর্মকর্তার রদবদল

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

পাংশায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
পাংশায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে : সিপিডি
ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে : সিপিডি

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো
যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

খুলেছে বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসের সেই ‘বন্ধ দরজা’
খুলেছে বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসের সেই ‘বন্ধ দরজা’

১৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষের ১০ দিন পর ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষের ১০ দিন পর ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের মৃত্যু

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রৌমারীতে সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচারের অভিযোগে স্টোরকিপার আটক
রৌমারীতে সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচারের অভিযোগে স্টোরকিপার আটক

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বড় চমক নিয়ে আসছে ‘ওয়েলকাম ফোর’
বড় চমক নিয়ে আসছে ‘ওয়েলকাম ফোর’

৩২ মিনিট আগে | শোবিজ

৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাবরক্ষক গ্রেফতার
৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাবরক্ষক গ্রেফতার

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের
চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’
‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’

৩৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?
প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?

৪৭ মিনিট আগে | শোবিজ

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প
কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা
চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত
কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন
প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা
বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক
প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক গভর্নরের পিএস কামরুলসহ দুজনের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক গভর্নরের পিএস কামরুলসহ দুজনের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা