নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের আট জেলার ৩৩টি সংসদীয় আসনে ভোটযুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৩৬ জন প্রার্থী। আজ এসব প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা। কে সংসদে যাবেন তা ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করবেন জনগণ। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে কিছুটা উত্তেজনা ছিল। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও ছিল একাধিক প্রার্থীর বিরুদ্ধে। প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ হয়েছে মঙ্গলবার সকালে। এখন প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন নিজ নিজ দলের নেতা-কর্মীদের পোলিং এজেন্ট ও কোন নেতা কোন কেন্দ্রে থাকবেন তা নির্ধারণে। গতকাল দুপুরে রংপুর নগরীর একাধিক প্রার্থীর কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে নেতা-কর্মীদের ভিড়। কে কোন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ে পর্যবেক্ষণ করে রংপুরের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে রংপুর-৪ কাউনিয়া-পীরগাছা, রংপুর-৩ সদর আসনের একাধিক স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন সাধারণ ভোটাররা। তেমনি কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও. দিনাজপুর ও গাইবান্ধার একাধিক আসনে অপ্রীতিকর ঘটনার শঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে কালো টাকা ছড়াছড়ির গন্ধ।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, রংপুরের ৩৩টি আসনের সবগুলোতেই একাধিক প্রার্থী ভোট কেনার জন্য অবৈধভাবে টাকা ঢালছেন ভোটারদের পেছনে। রংপুরের দুটি আসনে চলছে ভোট কেনার প্রতিযোগিতা।