ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করে ব্যালটে সিল মারার অভিযোগে পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত ও পুনরায় ভোগ গ্রহণ করে ফলাফল ঘোষণার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবদুর রহিম সরকার। গতকাল দুপুরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে আবদুর রহিম সরকার বলেন, ‘নির্বাচনের দিন গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের পাঁচ কেন্দ্রে বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মী প্রিসাইডিং অফিসারকে তালা বন্ধ করে রাখেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেন। এ সময় বিএনপি নেতা-কর্মীরা কেন্দ্র দখল করে ধানের শীষে সিল মারেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়। কিন্তু তাঁরা কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতা-কর্মীরা এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দিয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিজেরাই সিল মেরে ব্যালট বাক্সে ভরার মতো অনিয়ম ঘটান। একটি কেন্দ্রে ১ হাজার ৮০০ ভোটের স্থলে ২ হাজার ৮০০ ভোট দেখানো হয়। যেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কোনো স্বাক্ষর ছিল না।
কেন্দ্র দখল করে ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারার একাধিক ভিডিও এবং ডকুমেন্ট রয়েছে।’ এসব কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় ভোট গ্রহণ ও সব কেন্দ্রের ভোট গণনার দাবি জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-২ আসনের প্রার্থী আবদুল করিম, গাইবান্ধা-৩ আসনের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম লেবু, গাইবান্ধা-৫ আসনের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়ারেছ প্রমুখ।