জাতীয় পরিচয়পত্রে ব্যক্তি নিজের বা পিতা-মাতার নাম আমূল পরিবর্তনে ভোগান্তি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে একাধিক অফিসের পরিবর্তে একটি অফিসে করা যাবে ব্যক্তির পরিচিতি শনাক্তকরণ তথা আঙুলের ছাপ যাচাই। বুধবার ইসির এনআইডি অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আঙুলের ছাপ যাচাই বা এফআইএস ম্যাচিং যেটা উপজেলা পর্যায়ে করা যেত এখন থেকে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাও করতে পারবেন। জানা গেছে, ব্যক্তির নিজের বা পিতা-মাতার নাম পুরো পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হলে আঙুলের ছাপ যাচাই করে পরিচয় নিশ্চিত করতে হয় ইসি সার্ভার থেকে। এক্ষেত্রে পুরো নাম পরিবর্তনে বিষয়টি নিষ্পত্তি করেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা। আর এফআইএস ম্যাচিং করা হয় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে। এজন্য সেবাগ্রহীতাকে দুই কার্যালয়ে যেতে হয়। এখন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ক্ষমতাটি পাওয়ায় সেবা প্রার্থীকে আর উপজেলা কার্যালয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নাম কিংবা পিতা-মাতার নামের আমূল সংশোধনের জন্য প্রায় সবাইকে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যেতে হয়। তবে সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও সেখানে সেবাগ্রহীতার আঙুলের ছাপ যাচাইয়ের সুবিধা না থাকায় তাকে আবার উপজেলা বা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে বায়োমেট্রিক যাচাই করে নিজের পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়। এতে ভোগান্তি বাড়ে। এ কারণে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়েও আঙুলের ছাপ যাচাই (বায়োমেট্রিক যাচাই) সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমবে এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।