খুলনার আলুতলা স্লুইসগেটের জলকপাট ভেঙে লোকালয়ে জোয়ারের নোনাপানি ঢুকছে। সেই সঙ্গে কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে ডুমুরিয়ার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে গুটুদিয়া ইউনিয়নে বিল পাবলা, লাইন বিল পাবলা, লতা খামারবাড়ি, উত্তর বিল পাবলার ৯০ শতাংশ চাষি জমির পাকা ধান ঘরে তুলতে পারেননি। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা বলছেন, জোয়ারের সময় নদীর নোনাপানি খাল হয়ে জমি বা ঘেরে ঢুকছে। এতে জমিতে কেটে রাখা ধান নষ্ট হচ্ছে।
জানা যায়, বটিয়াঘাটার শৈলমারী নদীতে পলি পড়ে পানি নিষ্কাশনের স্লুইসগেটটি দীর্ঘদিন অকেজো অবস্থায় রয়েছে। ফলে ডুমুরিয়াসহ বিল ডাকাতিয়া ও বিল পাবলার পানি বিকল্প পথে ময়ূর নদ হয়ে আলুতলা ১০ গেট দিয়ে রূপসা নদীতে নিষ্কাশন হয়। কিন্তু হঠাৎ গেটে একটি জলকপাট ভেঙে যাওয়ায় চার-পাঁচ দিন ধরে জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকছে।
গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন সরকার জানান, এখানে বিলের ৯০ শতাংশ চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একদিকে টানা বৃষ্টি, অন্যদিকে জোয়ারের সময় খালের পানি জমিতে ঢুকছে। ফলে জমিতে কেটে রাখা ধান সেখানেই নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, মাত্র ১০ শতাংশ চাষি ধান ঘরে নিতে পেরেছেন। বাকি সবাই কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অবিলম্বে গেটটি সংস্কার না হলে নোনা পানিতে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।