পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বরাবরই প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা এ অঞ্চলের (উপকূলের) লোকজন বসবাস করি। মেঘনার ভাঙনে হুমকিতে উপকূল, এ নদীর পারে আমরা যারা থাকি আমাদের সবসময় ভাঙন, প্লাবন ও বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে বসবাস করতে হয়। এসব মাথায় রেখে ইতোমধ্যে বর্ষা সামনে রেখে ভাঙন রোধে ইমারজেন্সি কাজ শুরু করেছি। আরও কিছু জায়গায় ভাঙন রোধে কাজ করা হবে। আগামী অর্থবছরে নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গতকাল দুপুরে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের কাটাখালী ঘাটে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী আরও বলেন, হাতিয়া, উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচরসহ নদী ভাঙন এলাকায় সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে। অনেকগুলো প্রকল্পও আমাদের রয়েছে। এর বাইরে মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী কিছু কাজ করা। সে অনুযায়ী এ এলাকায় যেখানে কাজ করা বেশি জরুরি, সেখানে স্থায়ীভাবে আমরা কিছু কাজ করব। স্টাডি রিপোর্ট শেষ হওয়ার পর আগামী অর্থবছরেই আমরা এ কাজগুলো শেষ করার চেষ্টা করব।
এর আগে মন্ত্রীকে নদী ভাঙনকৃত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখান স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্যসচিব হারুন উর রশিদ আজাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেফাত জামিল, জেলা বিএনপির সদস্য শহীদুল ইসলাম কিরণ, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছাবের আহমেদ, যুবদল নেতা বশির আহম্মেদ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু, বিএনপি নেতা গাজী মেম্বার, যুবদল নেতা সুমন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এনবিএস রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান রাহান ও যুব দল নেতা নুরুল হুদা প্রমুখ।