শিরোনাম
প্রকাশ : ১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৭
প্রিন্ট করুন printer

বিবিসি বাংলা’র প্রতিবেদন

ব্রিটেনে করোনা রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো

অনলাইন ডেস্ক

ব্রিটেনে করোনা রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো

ব্রিটেনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চাপে হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। লন্ডনে ইনটেনসিভ কেয়ারের শীর্ষ একজন চিকিৎসক অধ্যাপক হিউ মন্টোগোমারি এ পরিস্থিতির জন্য যারা লকডাউনে বিধিনিষেধ ভেঙ্গেছে, মাস্ক পরেনি তাদেরই দায়ী করেছেন।

তিনি বলেন, যারা লকডাউন, বিধি-নিষেধ ভাঙ্গছেন, মাস্ক ব্যবহার করছেন না, তাদের হাতে রক্ত রয়েছে।

লন্ডনের একটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিশ্বজিৎ রায় জানান, তার চাকরি জীবনে হাসপাতালে রোগীর এমন চাপ তিনি এর আগে কখনো দেখেননি। তার হাসপাতালে অতিরিক্ত শতাধিক বেড সংযোজন করেও রোগীর চাপ সামাল দেয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, আমার হাসপাতালে বেড অনুযায়ী রোগী নেয়া হয়। কিন্তু বেড সব পূর্ণ হয়ে এখন অন্য জায়গা যেমন ওয়েটিং এরিয়া, করিডোর সব রোগীর জন্য ম্যানেজ করা হয়েছে। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে যে কাকে রেখে কাকে চিকিৎসা দিবো।

তিনি বলেন, একজন রোগী এলে তাকে তো অক্সিজেন, চিকিৎসা কিংবা প্রয়োজনীয় জরুরি অন্য সহায়তা দিতে হবে। এগুলো দিতে নার্স বা স্টাফ যত থাকা দরকার তা রোগীর অনুপাতে অনেক কমে গেছে।

তিনি আরও বলছেন, তার হাসপাতালে যেসব জায়গায় রোগী রাখা যায় সেগুলোর সব জায়গায় রোগী রাখার পরেও বাইরে রোগী অপেক্ষা করছিল। কিন্তু আমরা তো এসেস করতে পারছি না যে কাকে টপ প্রায়োরিটি দেবো। আমরা কল্পনাও করতে পারিনি পরিস্থিতি এমন হবে।

তিনি বলেন, ব্রিটেনে চিকিৎসা দেয়া একটি টিম ওয়ার্কের বিষয় অর্থাৎ ডাক্তার, নার্স, হেলথওয়ার্কার, অক্সিজেন ও চিকিৎসা যাকে যতুটুকু দরকার সেটি দিতে হয় ও এসব সাপোর্ট পর্যাপ্ত থাকতে হয়। কিন্তু আমরা হিমশিম খাচ্ছি যে কাকে রেখে কাকে রিসিভ করবো, কোনটাকে প্রায়োরিটি দিবো, কোথায় রাখবো, কি লজিস্টিক, কে অক্সিজেন ম্যানেজ করবে, কে ওষুধ দিবে-সব কিছু নিয়ে হিমশিম অবস্থা।

ব্রিটেনে এখন করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ চলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু দ্বিতীয় ওয়েভে এসে কী পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্বজিৎ রায় বলছেন, ভয়াবহ। প্যাটেন্ট ওয়েটিং এশিয়ায় সেদিন দেখলাম নন কোভিড প্যাটেন্ট রোগী এসেছিল। তাদের ওয়েটিং এশিয়ায় ট্রিটমেন্ট দিতে হচ্ছে। আর কোনো জায়গা ছিল না। ওদিকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগী অপেক্ষা করছে। এ অবস্থা বাড়তে থাকবে-মনে হচ্ছে সেকেন্ড ওয়েভের পিক পয়েন্টে আমরা এখনো যাইনি।

কিন্তু দেশটিতে হাসপাতালের বেড, আইসিইউ সব তো নির্দিষ্ট পরিমাণ-তাহলে কীভাবে হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলছে যে এর পরে কী করতে হবে।

বিভিন্ন হাসপাতালে কমিউনিকেশন ডেভেলপ করার যাতে এক হাসপাতালে জায়গা না থাকলে অন্য হাসপাতালে পাঠানো যায় কি-না সেটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

বিশ্বজিৎ রায় বলছেন, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করছে কিন্তু এ ধরনের ভয়াবহ অবস্থা হবে এটা কারও কল্পনাতেও আসেনি বলে মনে করেন তিনি। আর এমন পরিস্থিতির জন্য নতুন ধরনের করোনাভাইরাসকেই দায়ী করেন তিনি। একজন থেকে আরেকজনে সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে। মাঝে মানুষ বের হয়েছিল। অনেকে গাফলতি করেছে। মাস্ক ব্যবহার করেনি, দূরত্ব বজায় রাখেনি। নতুন যে বৈশিষ্ট্য তা প্রচণ্ড দ্রুত ছড়াচ্ছে। এটা কল্পনাও করা যায়নি।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৫:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

করোনার তাণ্ডব, ভারতে সংক্রমণ আরও ভয়াবহের আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক

করোনার তাণ্ডব, ভারতে সংক্রমণ আরও ভয়াবহের আশঙ্কা

বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস। বেড়েই চলেছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে ভারতে করোনার সংক্রমণ আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। কয়েকটি রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে রয়টার্স।

প্রায় এক মাস আগে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, দেশের করোনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দিকে। তবে সম্প্রতি মহারাষ্ট্র ও কেরালায় সংক্রমণের হার বাড়তে শুরু করেছে। মূলত মাস্ক পরায় অনীহা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে না চলায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

৯টি রাজ্য ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের দিকে ইঙ্গিত করে এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘বিশেষ করে ভাইরাসের নতুন রূপের প্রভাবে ... এই বিস্তার রোধে কঠোর ব্যবস্থা বাস্তবায়নে যে কোনো শিথিলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।’

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ছত্তিশগড়, গুজরাট, কেরালা, মহারাষ্ট্র, মধ্য প্রদেশ, পাঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মিরে সংক্রমণের হার বাড়ছে। এছাড়া কর্নাটক, তামিল নাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গেও সংক্রমণের হার বাড়ছে।

গত সপ্তাহে ভারতের ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলগুলোতে দৈনিক সংক্রমণ একশ এর বেশি ছিল। তবে কেরালা ও মহারাষ্ট্রে দৈনিক সংক্রমণ চার হাজারের বেশি। 


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৭
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৬
প্রিন্ট করুন printer

দেশে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর সর্বশেষ তথ্য

অনলাইন ডেস্ক

দেশে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর সর্বশেষ তথ্য

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে আট হাজার ৩৮৪ জনের। এছাড়াও নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪১০ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৪ জনে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হ‌াজার ৮৮৩টি নমুনা সংগ্রহ এবং ২১৪টি ল্যাবরেটরিতে ১৫ হাজার ৫৬০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট ৪০ লাখ ৩ হাজার ২২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ সুস্থ হয়েছেন ৯৫৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৯৪হাজার ৭৫৫ জন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:২৯
প্রিন্ট করুন printer

করোনা টিকার অগ্রাধিকার তালিকায় শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা

অনলাইন ডেস্ক

করোনা টিকার অগ্রাধিকার তালিকায় শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা
প্রতীকী ছবি

এবার করোনার টিকা পেতে অগ্রাধিকার তালিকায় যুক্ত হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জানা গেছে, অনলাইনে গিয়ে টিকা পেতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা নিবন্ধন কতে পারবেন। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১০ লাখ মানুষকে টিকা দিতে চায় স্বাস্থ্য বিভাগ। 

গতকাল বুধবার থেকেই সুরক্ষার ওয়েবসাইটে শুরু হয়েছে শিক্ষকদের নিবন্ধন। বলা হয়েছে, নিবন্ধনের পর নির্দিষ্ট টিকাকেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে পারবেন তারা। সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেবার দাবিতে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেন। এর প্রেক্ষিতে সরকারের দেয়া ঘোষণার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:১৪
প্রিন্ট করুন printer

ভারতে ফের করোনার সংক্রমণ বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক

ভারতে ফের করোনার সংক্রমণ বেড়েছে

করোনার বিভিন্ন টিকা আবিষ্কার হলেও এখনো স্বস্তিতে নেই বিশ্ববাসী। ভারতেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে। মহারাষ্ট্র এবং কেরালাসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ায় টিকা কর্মসূচি প্রসারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

ব্রাজিল, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনা ভাইরাসের নতুন দুটি ধরণ ভারতেও শনাক্ত হয়েছে। ভারতে মোট শনাক্ত এক কোটি দশ লাখ। মৃত্যু দেড় লাখের বেশি।

এদিকে, বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ২৫ লাখ ৭ হাজার ছাড়িয়েছে। করোনায় বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১১ কোটি ৩০ লাখ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ কোটি ৩০ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৫ লাখ ৭ হাজার ৭৬৮ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ কোটি ৮৭ লাখ ১ হাজার ৪৭২ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৮৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬২৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৮ জনের।
আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩২ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৬ হাজার ৭৪২ জন।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

করোনার ছোবলে প্রাণ গেল আরও প্রায় ১১ হাজার মানুষের

অনলাইন ডেস্ক

করোনার ছোবলে প্রাণ গেল আরও প্রায় ১১ হাজার মানুষের

করোনাভাইরাসের ছোবলে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার) আরও প্রায় ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে ২৫ লাখ ছাড়াল করোনাভাইরাসে প্রাণহানি।

এদিন আড়াই হাজারের বেশি মৃত্যু দেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। সব মিলিয়ে দেশটিতে মোট প্রাণহানি ৫ লাখ ১৮ হাজারের বেশি। দিনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪শ’র বেশি মানুষের মৃত্যু রেকর্ড করেছে ব্রাজিল। লাতিন দেশটিতে আড়াই লাখ ছাড়াল মোট প্রাণহানি।

একইদিন, করোনায় ১৩শ’র কাছাকাছি মানুষ মারা গেছে মেক্সিকোয়। এছাড়া, সাড়ে তিন থেকে ৪ শতাধিক মৃত্যু হয়েছে পোল্যান্ড-জার্মানি-স্পেন-রাশিয়া ও ব্রিটেনে।

বুধবারও নতুনভাবে ৪ লাখ ৩৮ হাজারের মতো মানুষের শরীরে মিলল কোভিড-১৯, মোট সংক্রমিত ১১ কোটি ৩০ লাখের ওপর।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর