শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:২৯, রবিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৬

ক্যান্সার চিকিৎসায় বিকেন্দ্রীকরণ : পুরান ঢাকা থেকে দক্ষিণবঙ্গ-একটি সমন্বিত আঞ্চলিক মডেল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ক্যান্সার চিকিৎসায় বিকেন্দ্রীকরণ : পুরান ঢাকা থেকে দক্ষিণবঙ্গ-একটি সমন্বিত আঞ্চলিক মডেল

৫৫ বছর বয়সী রহিমা বেগম সূত্রাপুর এলাকার বাসিন্দা; তিনি আক্রান্ত স্তন ক্যান্সারে। জীবন বাঁচাতে প্রতিদিন রেডিওথেরাপির জন্য তাঁকে পাড়ি দিতে হয় সূত্রাপুর থেকে মহাখালী জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের দীর্ঘ পথ। অসুস্থ শরীর নিয়ে দিনে গড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় তাঁকে আটকে থাকতে হয় ঢাকার অসহনীয় ও স্থবির যানজটে। যাতায়াতের এই চরম ধকল আর চিকিৎসার ক্লান্তি শেষে তিনি যখন ঘরে ফেরেন, তখন তাঁর আর কোনো শারীরিক বা মানসিক শক্তি অবশিষ্ট থাকে না। ফলশ্রুতিতে, মাত্র দুই সপ্তাহ পর এই অমানবিক শারীরিক ও মানসিক কষ্টে তিনি চিকিৎসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন। রহিমা বেগম কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং তিনি পুরান ঢাকার অনেক ক্যান্সার রোগীর প্রতিচ্ছবি। চকবাজার, লালবাগ, কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, শ্যামপুর, ওয়ারী, কামরাঙ্গীরচর ও ডেমরা-এই জনবহুল এলাকাগুলোর প্রায় এক কোটি মানুষের জন্য বিশেষায়িত ক্যান্সার চিকিৎসা আজও এক দুর্গম ও অনিশ্চিত গন্তব্য।

গ্লোবোকান (GLOBOCAN) ২০২২-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার যে জাতীয় সংকট বিদ্যমান, তার বিপরীতে পুরান ঢাকা এক বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ জনপদ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এখানকার অত্যন্ত সীমিত ভৌগোলিক আয়তনে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৪৪ হাজারেরও বেশি মানুষের বসবাস-যা ঢাকার অন্য যেকোনো এলাকার তুলনায় দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও এখানকার স্বাস্থ্য অবকাঠামো আধুনিক নাগরিক চাহিদার তুলনায় বেশ পিছিয়ে। ফলে প্রশাসনিকভাবে এটি দক্ষিণ ঢাকার অন্তর্ভুক্ত হলেও স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা এই অঞ্চলকে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির একটি 'ব্লাইন্ড স্পট' বা অন্ধবিন্দুতে পরিণত করেছে। যদিও সমন্বিত ক্যান্সার রেজিস্ট্রির অভাবে পর্যাপ্ত স্থানীয় ডাটাসেট নেই, তবে এখানকার উচ্চ জনঘনত্ব এবং পরিবেশগত বিপর্যয় জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে অনিয়ন্ত্রিত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প থেকে নিঃসৃত রাসায়নিক বর্জ্য, সিসা মিশ্রিত বাতাস এবং দূষিত পানি এই এলাকাকে একটি 'কার্সিনোজেনিক' পরিবেশে রূপান্তর করেছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী উচ্চ-চর্বিযুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাদ্যাভ্যাস এবং তামাক সেবনের উচ্চ হার, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার সংক্রমণের ঝুঁকিকে বহুগুণ ত্বরান্বিত করছে।

পুরান ঢাকার ১ কোটি মানুষের জন্য সবচেয়ে নিকটবর্তী ভরসার কেন্দ্র হতে পারতো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। কিন্তু সেখানে ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত জনবল ও আধুনিক যন্ত্রপাতির তীব্র সংকট রয়েছে। বিশেষ করে রেডিওথেরাপি ইউনিটে মেশিনের সংখ্যা যেমন অপ্রতুল, তেমনি কারিগরি ত্রুটির কারণে সেগুলো প্রায়ই অচল হয়ে থাকে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-তে রেডিয়েশনের জন্য মাত্র একটি সচল মেশিন থাকায় সেখানে রোগীর দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। ফলে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার প্রধান ভরসা মহাখালীর জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট (NICRH), যা ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ অতিরিক্ত রোগীর চাপে ন্যুজ। সেখানে একটি সিরিয়াল পেতে রোগীকে ৪ থেকে ৬ মাস অপেক্ষা করতে হয়। যানজটের কারণে প্রতিদিন যাতায়াতে ৫ ঘণ্টা ব্যয় করা একজন মুমূর্ষু রোগীর পক্ষে প্রায় অসম্ভব। জনস্বাস্থ্য গবেষণার তথ্যমতে, এই ধকলের কারণে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ রোগী মাঝপথেই চিকিৎসা ছেড়ে দেন (Drop-out), যা আদতে তাঁদের অবধারিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সমাধানের পথ : সমন্বিত 'হাব-অ্যান্ড-স্পোক' মন্ডেল : এই সীমাবদ্ধতা জয় করতে একটি ত্রি-স্তরীয় মডেল বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন:

১. প্রাথমিক স্তর (স্পোক) : নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে জরায়ুমুখ, স্তন ও ওরাল ক্যান্সার ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও ক্যান্সার সচেতনতার
প্রাথমিক সেন্টার হিসাবে তৈরি করা।

২. মাধ্যমিক স্তর (কম্প্রেহেনসিভ স্পোক) : এই স্তরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে (DMCH) প্রধান সমন্বয়কারী কেন্দ্র
হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির পাশাপাশি ডিএমসিএইচ-এর বিশাল সার্জিক্যাল উইং এবং প্যাথলজি বিভাগকে ক্যান্সার সার্জারি ও মলিকুলার ডায়াগনোসিসের মূল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। পাশাপাশি মিটফোর্ড হাসপাতালকে ডায়াগনোসিস ও সার্জারি ও কেমো সেন্টারে উন্নীত করা এবং ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজকে 'পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ' (PPP)-এর আওতায় এনে সার্জারি, ডে-কেয়ার কেমোথেরাপি ও প্যালিয়েটিভ কেয়ারের দায়িত্ব দেওয়া। এই তিনটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় পুরান ঢাকার মানুষের জন্য একটি কম্প্রেহেন্সিভ ক্যান্সার কেয়ার নেটওয়ার্ক তৈরি করবে।

৩. কেন্দ্রীয় হাব : পুরান ঢাকার প্রবেশদ্বারে এবং দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশপথ কেরানীগঞ্জে একটি অত্যাধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ 'রিজিওনাল ক্যান্সার হাব' গড়ে তোলা এই মহাপরিকল্পনার মূল ভিত্তি। এই হাবটি কেবল রেডিওথেরাপির জন্য নয়, বরং এটি হবে ক্যান্সার নির্ণয় থেকে শুরু করে সার্জারি, কেমোথেরাপি এবং প্যালিয়েটিভ কেয়ারসহ সকল প্রকার চিকিৎসার প্রধান গন্তব্য ও প্রাণকেন্দ্র (Nerve Center)। যেহেতু মিটফোর্ড বা ন্যাশনাল মেডিকেলের মতো জনাকীর্ণ এলাকায় জায়গার অভাবে বড় মাপের বিশেষায়িত ক্যান্সার ইউনিট সম্প্রসারণ করা বা আধুনিক রেডিয়েশন বাঙ্কার নির্মাণ করা বেশ দূরহ, তাই কেরানীগঞ্জের এই হাবটি হবে একটি 'ওয়ান-স্টপ ক্যান্সার সলিউশন'। এখানে লিনিয়ার এক্সিলারেটর (LINAC) মেশিনের পাশাপাশি থাকবে রোবোটিক সার্জারি উইং, বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট ইউনিট এবং পেট-সিটি স্ক্যানের মতো উচ্চ-প্রযুক্তিগত সুবিধা। কেরানীগঞ্জের কৌশলগত অবস্থানের কারণে ঢাকা মেডিকেল, মিটফোর্ড বা ন্যাশনাল মেডিকেল থেকে রেফার করা জটিল রোগীরা যেমন এখানে সর্বোচ্চ সেবা পাবেন, তেমনি পদ্মা সেতু হয়ে আসা দক্ষিণবঙ্গের কয়েক কোটি মানুষ এবং পার্শ্ববর্তী জেলার রোগীরা ঢাকায় না প্রবেশ করেই সরাসরি বিশ্বমানের সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

শুধু মেশিন বা হাসপাতাল যথেষ্ট নয়, এই মডেল বাস্তবায়নে চাই প্রচুর দক্ষ জনবল। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, সার্জন, প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজিস্টের পাশাপাশি অনকোলজি নার্স এবং রেডিয়েশন ফিজিসিস্টদের দীর্ঘস্থায়ী সংকট দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে দেশে ও বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। দক্ষ জনবল আর ত্রিস্তর বিশিষ্ট এই মডেলের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা ও যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে, চিকিৎসার খরচ ১০ থেকে ১৫ গুণ কমে আসবে। তদুপরি, কর্মক্ষম মানুষের জীবন বাঁচানো গেলে, তা দেশের জিডিপিতে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আর তাই আপাতদৃষ্টিতে এই প্রকল্পকে ব্যয়বহুল মনে হলেও, স্বাস্থ্য অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে এটি আসলে একটি লাভজনক 'বিনিয়োগ'।

পরিশেষে, ইউআইসিসি (UICC)-এর 'ক্লোজ দ্য কেয়ার গ্যাপ' নীতি বাস্তবায়নে পুরান ঢাকার এই মডেলটি কেবল একটি নির্দিষ্ট এলাকার জন্য নয়, বরং কেরানীগঞ্জ হাবের কৌশলগত অবস্থানের কারণে এটি পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহ এবং দক্ষিণবঙ্গের কয়েক কোটি মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করবে। আঞ্চলিক গণ্ডি ছাড়িয়ে এই বৈজ্ঞানিক বিকেন্দ্রীকরণ প্রকল্পটি সারা দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় 'পাইলট প্রজেক্ট' হিসেবে স্বাস্থ্য খাতের বৈষম্য দূর করতে সক্ষম হবে বলে আশা করি।

লেখক পরিচিতি : ডা. মোহাম্মদ মাসুমুল হক একজন চিকিৎসক, ক্যান্সার প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ ও গবেষক। ১৫ বছরের অধিক সময় ধরে ক্লিনিক্যাল অনকোলজি ও ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত এই চিকিৎসক বর্তমানে ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন অফ বাংলাদেশ (CAFB)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। টাটা মেমোরিয়াল ক্যান্সার সেন্টার (মুম্বাই) থেকে ক্যান্সার প্রতিরোধে উচ্চতর ট্রেনিং সম্পন্ন করা এই চিকিৎসকের গবেষণাপত্র 'দ্য ল্যানসেট অনকোলজি'-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বর্তমানে বাংক্যান্সা ক্যান্সার সোসাইটি হাসপাতালে কর্মরত।

 

এই বিভাগের আরও খবর
আমানতের পূর্ণ সুরক্ষা দিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন
আমানতের পূর্ণ সুরক্ষা দিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন
চারু সিরামিকের ‘বিজনেস মিট’ অনুষ্ঠিত
চারু সিরামিকের ‘বিজনেস মিট’ অনুষ্ঠিত
টাইগারদের টানা তিন সিরিজ, সরাসরি দেখা যাবে টফিতে
টাইগারদের টানা তিন সিরিজ, সরাসরি দেখা যাবে টফিতে
বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডসে ফুডির বড় জয়, পেল শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি
বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডসে ফুডির বড় জয়, পেল শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি
প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অল রাউন্ডারে, ২৪ ও ২৫ এপ্রিল কোথায় প্রতিযোগিতা
প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অল রাউন্ডারে, ২৪ ও ২৫ এপ্রিল কোথায় প্রতিযোগিতা
হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল
হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
গবেষণায় অসামান্য অবদান: ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ পেলেন অধ্যাপক ড. এম এ রহিম
গবেষণায় অসামান্য অবদান: ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ পেলেন অধ্যাপক ড. এম এ রহিম
প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অল রাউন্ডারে, ঢাকায় চলছে আঞ্চলিক পর্ব
প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অল রাউন্ডারে, ঢাকায় চলছে আঞ্চলিক পর্ব
মোহাম্মদপুরে ‘মিনিস্টার গ্যালারি’ শো-রুমের উদ্বোধন
মোহাম্মদপুরে ‘মিনিস্টার গ্যালারি’ শো-রুমের উদ্বোধন
নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব
নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব
‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড
‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড
সর্বশেষ খবর
আইনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারে কোর কমিটি পুনর্গঠন
আইনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারে কোর কমিটি পুনর্গঠন

এই মাত্র | জাতীয়

সরে দাঁড়াচ্ছেন টিম কুক, অ্যাপলের সিইও হচ্ছেন টার্নাস
সরে দাঁড়াচ্ছেন টিম কুক, অ্যাপলের সিইও হচ্ছেন টার্নাস

১৬ সেকেন্ড আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পাবে না, সমঝোতার মূল শর্ত ট্রাম্পের
ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পাবে না, সমঝোতার মূল শর্ত ট্রাম্পের

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ভাঙারির দোকান
মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ভাঙারির দোকান

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ১৫২৯৩ জন হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ১৫২৯৩ জন হজযাত্রী

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় আটক ১
নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় আটক ১

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারী প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে : সেলিমা রহমান
নারী প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে : সেলিমা রহমান

৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

আরবেলোয়া পরবর্তী যেমন কোচ খুঁজছে রিয়াল
আরবেলোয়া পরবর্তী যেমন কোচ খুঁজছে রিয়াল

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি হামলায় কতো মার্কিন সেনা আহত, জানাল পেন্টাগন
ইরানি হামলায় কতো মার্কিন সেনা আহত, জানাল পেন্টাগন

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার উল্টে চালক আহত
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার উল্টে চালক আহত

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী
বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

১৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বুমরাহদের বিশ্রামের কথা ভাবছে ভারত
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বুমরাহদের বিশ্রামের কথা ভাবছে ভারত

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয়সহ তিন দাবিতে স্মারকলিপি
রংপুরে গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয়সহ তিন দাবিতে স্মারকলিপি

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান, বাঘের গালিবাফের হুঁশিয়ারি
যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান, বাঘের গালিবাফের হুঁশিয়ারি

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তানের পথে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে ভ্যান্স
শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তানের পথে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে ভ্যান্স

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণার চেষ্টা, সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণার চেষ্টা, সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু, রংপুরে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৭১
নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু, রংপুরে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৭১

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করেই বন্দরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার : ইরান
মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করেই বন্দরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার : ইরান

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ পুলিশ সুপারের বদলি
৫ পুলিশ সুপারের বদলি

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জে ১৭৪৪ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদন্ড
সিরাজগঞ্জে ১৭৪৪ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদন্ড

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু

২৫ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

ইরানের ‘উপকার’ করে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের ‘উপকার’ করে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিরাজগঞ্জে বৃদ্ধকে হত্যা করে অটোভ্যান ছিনতাই
সিরাজগঞ্জে বৃদ্ধকে হত্যা করে অটোভ্যান ছিনতাই

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-আমেরিকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
ইরান-আমেরিকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম’: জাতিসংঘের বিশেষ দূত
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম’: জাতিসংঘের বিশেষ দূত

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৪৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে গবেষণা হচ্ছে : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে গবেষণা হচ্ছে : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সৌদি আরবে আধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম বানাবে পাকিস্তান
সৌদি আরবে আধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম বানাবে পাকিস্তান

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪দিন বন্ধ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর
সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪দিন বন্ধ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি
আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প
অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী
নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা
নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে কয়েক ঘণ্টা চিৎকার-চেচামেচি করেন ট্রাম্প!
ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে কয়েক ঘণ্টা চিৎকার-চেচামেচি করেন ট্রাম্প!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার
যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না
বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন
ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়
‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা
সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু
বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ
পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প
পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম
যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ
ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ
জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়া, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-চীন
আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়া, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান
যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের
হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার
পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প
ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক
গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা
এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা

শিল্প বাণিজ্য

পদ হারাচ্ছেন কিরণ
পদ হারাচ্ছেন কিরণ

মাঠে ময়দানে

তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে
তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত
ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ
ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন
লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন

পেছনের পৃষ্ঠা

ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন
ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন

প্রথম পৃষ্ঠা

পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল
পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ
জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন
বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস
ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস

শিল্প বাণিজ্য

জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার
জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা
গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি
সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি

নগর জীবন

নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল
অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ
‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ
শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ

নগর জীবন

যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান
যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ
অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার
জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার

দেশগ্রাম

মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০
মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০

দেশগ্রাম

বিসিবির নির্বাচন জুনে
বিসিবির নির্বাচন জুনে

মাঠে ময়দানে

রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ
রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ

দেশগ্রাম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি

নগর জীবন

পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা
পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা

দেশগ্রাম