শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ জুলাই, ২০১৬ ০১:৪৯

ইউএনওর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ এমপির

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ইউএনওর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ এমপির

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ে দুজন অফিস সহায়ক নিয়োগ নিয়ে ঝিনাইদহ-৩ আসনের এমপি ও কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে। এমপি নবী নেওয়াজ তার সুপারিশকৃত লোক নিয়োগ না দিতে পারায় নির্বাহী কর্মকর্তা দেবপ্রসাদ পাল ও তার অফিস সহকারী গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগপত্র পাঠিয়েছে।

গত ৫ মে সংসদ সদস্যের প্যাডে পাঠানো ৩/২০১৬/৩৬৫ নং স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে সংবিধান ও উপজেলা পরিষদের আইন মোতাবেক স্থানীয় সংসদ সদস্য হচ্ছেন পরিষদের উপদেষ্টা। সরকারের কোনো উন্নয়ন বা যোগাযোগের ক্ষেত্রে উপদেষ্টার পরামর্শ গ্রহণের বিধান থাকার পরও কোটচাঁদপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবপ্রসাদ পাল কোনো সহায়তা না করে নিজের ইচ্ছা মতো করে পরিষদ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে পরিষদের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কোটচাঁদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ে দুজন অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের জন্য আওয়ামী লীগের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতার ছেলেদের পক্ষে সুপারিশ করে একটি ডিও লেটার দেওয়া হয়। কিন্তু আমার ডিও লেটারকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে ইউএনও দেবপ্রসাদ কালীগঞ্জ উপজেলার মনোহরপুরের অন্য দুজনকে নিয়োগ দিয়েছেন। যা থেকে তারা মোটা অংকের টাকা নিয়েছেন। আর এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয় বর্তমানে বরখাস্ত উপজেলা চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম পলাতক থাকার সময়। অফিস সহকারী গোলাম মোস্তফার পরামর্শে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে কোটচাঁদপুরের স্থায়ী বাসিন্দাকে চাকরি না দিয়ে কালীগঞ্জের নাগরিককে অবৈধ উপায়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে। অন্যজন জামায়াত-বিএনপি জোটের সমর্থক বলেও তিনি অভিযোগ করেন। গোলাম মোস্তফা বলেছেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়। সম্পদ যা আছে সবই তার স্ত্রীর নামে। তার স্ত্রী একজন সফল ব্যবসায়ী বলেও তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে এমপি নবী নেওয়াজ জনপ্রশাসন মন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ প্রদানের কথা স্বীকার করে জানান, কোটচাঁদপুরের ইউএনও দেবপ্রসাদ পাল তার কোনো পরামর্শ নেন না।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর