শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪০

ঘটনা তদন্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তদন্ত দল

গণধর্ষণের পর থানায় বিয়ে

পাবনা প্রতিনিধি

ঘটনা তদন্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তদন্ত দল

পাবনায় গণধর্ষণের পর থানায় বিয়ের ঘটনা তদন্তে নেমেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে গঠিত তদন্ত দল। শনিবার বেলা ১১টায় সদর উপজেলার যশোদল সাহাপুর গ্রামে ভুক্তভোগী গৃহবধূর বাবার বাড়ি থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন তারা। তিন ঘণ্টা ভিকটিম নারী, তার পরিবার ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে তারা সদর থানায় যান। রবিবার জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

তিন সদস্যের তদন্ত দলে রয়েছেন, পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ নেওয়াজ, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আবু জাফর। জাহেদ নেওয়াজ জানান, আমরা দীর্ঘসময় ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য শুনেছি। সদর থানা ও অপরাধস্থল পরিদর্শন করে তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করেছি। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে জানালেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় হওয়া মামলার সব আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্যাতিতা নারীর ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। ইবনে মিজান আরও জানান, থানায় বিয়ের অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় সদর থানার ওসি ওবাইদুল হককে প্রত্যাহার এবং এসআই ইকরামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে।

এদিকে, গণধর্ষণের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠায় দলীয় তদন্ত শেষে অন্যতম অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে দাপুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাসান শাহীন। প্রসঙ্গত, পাবনা সদর উপজেলার সাহাপুর যশোদল গ্রামের এক নারীকে গত ২৯ আগস্ট রাতে একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রাসেল আহমেদ চার সহযোগীকে নিয়ে অপহরণ করে আটকে রেখে গণধর্ষণ করে। গৃহবধূ থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ রাসেলকে আটক করলেও মামলা নথিভুক্ত না করে ধর্ষিতাকে তার সঙ্গে থানা চত্বরে বিয়ে দিয়ে ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা চালায়।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর