মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দিঘিরপাড় ইউনিয়নে দিন দিন বেড়েই চলেছে গরু, মোবাইল ও হাঁস-মুরগি চুরি। ইউনিয়নের বেহেরপাড়া গ্রামেই কয়েক মাসে অন্তত ১০টি চুরির ঘটনা ঘটে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক ও খামারিরা।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, দিঘিরপাড়ের চরাঞ্চল ঘিরে একটি সক্রিয় গরু চোর চক্র কাজ করছে। চক্রটি একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে চুরি করে। প্রতি সপ্তাহেই কোনো না কোনো চুরির ঘটনা ঘটছে। চোর চক্রের ভয় ও পুলিশি ঝামেলার কারণে কেউ থানায় অভিযোগ করার সাহস পায় না। বাধ্য হয়ে অনেকেই চুরি ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা দেন, কেউ কেউ গোয়ালঘরেই রাত কাটান।
মো. নবীর হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, গরু চুরি করতে এসে চোর আমার মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে। মোটরসাইকেলটিই ছিল আমার একমাত্র আয়ের উৎস। আমার দুটি গরু আছে, সেগুলোর নিরাপত্তার ভয়ে মোটরসাইকেল চুরির বিষয়টি পুলিশকে জানাইনি।
স্থানীয়রা বলছেন, দিঘিরপাড় ইউনিয়নে পুলিশ ফাঁড়ি থাকা সত্ত্বেও চোরচক্র নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। লাগাতার চুরির ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে। একাধিক ভুক্তভোগী জানান, বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানকে একা রাখতেও ভয়ে আছেন তারা। দ্রুত এ চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। টঙ্গীবাড়ি থানার ওসি মনিরুল হক ডাবলু জানান, ওই এলাকাটি চরাঞ্চল হওয়ায় নৌপথে পুলিশের যাতায়াত সীমিত থাকায় নিয়মিত টহল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।