টাঙ্গাইলে যত্রতত্র ময়লার ভাগাড়ে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান গেটের পাশে ময়লার ভাগাড়ে মেডিকেল বর্জ্যে পরিবেশদূষণ বাড়ছে; সেই সঙ্গে সংক্রমণের ঝুঁঁকিও তৈরি হচ্ছে। বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগী, স্বজন ও পথচারী সাধারণ মানুষকে। শুক্রবার বিকালে টাঙ্গাইলের নবাগত পৌর প্রশাসক (ডিডিএলজি) মাহফুজুল আলম মাসুম ও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আনিসুর রহমান শহরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এ সময় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আবদুল কুদ্দুছকে সঙ্গে নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেখতে হাসপাতালের ভিতরে ও বাইরে পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ‘যেসব জায়গায় ময়লা আছে, পৌরসভার পক্ষ থেকে আমরা সেগুলো পরিষ্কারের ব্যবস্থা করব।’
সরেজমিন দেখা যায়, হাসপাতালে পশ্চিম পাশে মেইন গেটের কাছে ময়লার ভাগাড়ে মশামাছি ও নানা পোকামাকড় ভনভন করছে। রোগীর স্বজনরা নাকে কাপড় দিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করছে। ১৫ তলা ভবনের প্রতিটি সিঁড়ির মুখে পানের পিক ও রোগীদের ব্যবহৃত বাথরুম ময়লা-আর্বজনায় ভর্তি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অবহেলায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা ও মেডিকেল বর্জ্য সেখানে জমা হচ্ছে। রোগী ও স্বজনরা জানান, হাসপাতালের প্রবেশমুখে এমন নোংরা পরিবেশ স্বাস্থ্যঝুঁঁঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালের বাইরে চায়ের দোকানি রফিকুল ইসলাম, দুর্গন্ধে তাদের দোকানে চা-বিস্কুট খেতে আসে না লোকজন। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. আবদুল কুদ্দুছ বলেন, ‘আপনারা যেমন চান আমিও চাই, এই হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মুক্ত হোক। যাতে রোগীরা সুন্দরভাবে চিকিৎসা নিতে পারেন। আমি মনে করি, এটা আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে একটা প্ল্যান করে কীভাবে ধীরে ধীরে এ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা যায়, সেই চেষ্টা করব।’