নাঙ্গলকোটের বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ আলিয়ার গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের গুলি ও হাত পায়ের রগ কেটে দুজনকে হত্যার ঘটনায় গতকাল বিকাল পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ব্রুনাই প্রবাসী আনোয়ার হোসেন নয়নের (৪০) লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সাবেক ইউপি সদস্য ছালেহ আহম্মদের (৬৭) লাশ ফেনী সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আমিনুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় সেনাবাহিনী, নাঙ্গলকোট থানা পুলিশসহ অতিরিক্ত পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আলিয়ার গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সাবেক ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন ও ছালেহ আহাম্মদ গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
এর জের ধরে গত বছরের ৩ আগস্ট ছালেহ আহম্মদ মেম্বার গোষ্ঠীর হামলায় আলাউদ্দিন মেম্বার খুন হন। এর জের ধরে শুক্রবার ফের ছালেহ আহম্মদ গোষ্ঠীর সঙ্গে আলাউদ্দিন মেম্বার গোষ্ঠীর বিরোধ দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উভয় গোষ্ঠী একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এ সময় কমপক্ষে ৮টি বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে ও ছালেহ আহম্মদ মেম্বারের হাত ও পায়ের রগ কেটে গুলি করে এবং আনোয়ার হোসেন নয়নকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এরপর তাদেরকে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফেনী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় আলাউদ্দিন মেম্বার গোষ্ঠীর আমিনুল ইসলামকে (৬০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে ১৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলাহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ সাপেক্ষে মামলা নেওয়া হবে।