বোরো ধান চাষে কৃষকদের অনেক বেশি খরচ হয়। কিন্তু সেই অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে মাগুরার কৃষকরা পিঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল চাষে ঝুঁকছেন। এসব চাষে কম খরচে লাভ বেশি পাচ্ছেন বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। জেলার শ্রীপুর উপজেলায় অনেক আগে থেকেই পিঁয়াজের আবাদ বেশি হতো। সেই তুলনায় অন্য উপজেলাগুলোতে পিঁয়াজের আবাদ ছিল না বললেই চলে। তবে কয়েক বছর থেকে অল্প অল্প করে পিঁয়াজের চাষ হচ্ছে। কিন্তু এবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যেসব মাঠে বোরো ধান আবাদ হতো সেসব মাঠে পিঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করেছেন কৃষকরা। জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় আবাদকৃত পিঁয়াজের জমির পরিমাণ ১২ হাজার ৬৬৬ হেক্টর। এর মধ্যে সদরে ১১৭৫ হেক্টর, শ্রীপুরে ৭৮৮০ হেক্টর, শালিখায় ৯৩৮ হেক্টর এবং মোহাম্মদপুরে আবাদ হয়েছে ২৬৭৩ হেক্টর। জেলায় এবার পিঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩ হাজার ৩৩২ হেক্টর জমির। তবে মাগুরা জেলায় এর আগে এত জমিতে পিঁয়াজ চাষ হয়নি বলে জানা গেছে। মাগুরা সদরের বেলনগর গ্রামের চাষি মনিরুল সিকদার বলেন, মাঠে আগে ধান রোপণ করা হতো। কিন্তু ধান চাষ করে লাভ তো আসেই না উল্টো লোকসান হয়। যে কারণে চাষিরা এখন পিঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন। মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, পিঁয়াজ মসলা জাতীয় অর্থকরী ফসল। এবার পিঁয়াজ আবাদ বেশি হয়েছে। কৃষি অফিস কৃষকদের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছে।