দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোরের বেনাপোল দিয়ে সাত দিনে ১৬টি চালানে ৬৬টি ট্রাকে ২ হাজার ৩৮০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল (নন বাসমতি) আমদানি করা হয়েছে।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে ভারতীয় চালের একটি চালানে ৮টি ট্রাকে ২৮০ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। এ নিয়ে গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সাত কার্যদিবসে এ পথ দিয়ে ২ হাজার ৩৮০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। এ চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স ও মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ। দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।
বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এ তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা প্রতি কেজি চালের সব খরচসহ দাম পড়ছে ৫০ টাকা।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সাত দিনে ৬৬টি ট্রাকে ২ হাজার ৩৮০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।