নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে ৬-৭ কেজি। সেই চাল নিয়ে ইউএনও অফিসের সামনে অবস্থান নেন উপকারভোগীরা। চাল কম দেওয়ার প্রতিবাদ করায় ইউপি সদস্যদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগও উঠেছে। গতকাল দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের অনুকূলে ৩ হাজার ৬২৪ দুস্থ পরিবারের জন্য ১০ কেজি করে ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেয়। অভিযোগ রয়েছে, ইউপি চেয়ারম্যান ১০ কেজির স্থলে ৬ কেজি করে চাল বিতরণ করছেন। কম দেওয়ার প্রতিবাদ করলে ইউপি সদস্য আবদুল কুদ্দুস ও এজারুল হক বগাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন চেয়ারম্যান। উপকারভোগী লালবী বেগম বলেন, ‘চেয়ারম্যান ১০ কেজি চাল না দিয়ে ৬ কেজি দিয়েছেন। ইউপি সদস্য আবদুল কুদ্দুস বলেন, দুস্থদের কম দেওয়া যেন নিয়ম হয়েছে দাঁড়িয়েছে!’ ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবু বলেন, ‘কার্ড ছাড়া যারা এসেছেন তাদের ৫-৬ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। তালিকা ছাড়া যাদের চাল দিয়েছি তারাই ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েছেন।’