শিরোনাম
প্রকাশ : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪৬
প্রিন্ট করুন printer

শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা: সাজা আরও বাড়ানোর অবেদন করা হবে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা: সাজা আরও বাড়ানোর অবেদন করা হবে
টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন

সাতক্ষীরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর হামলার ঘটনার রায় নিয়ে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর বলেছেন, ‌‘দীর্ঘদিন হাইকোর্টে মামলটি স্থগিত ছিল। হাইকোর্ট থেকে মামলাটির স্থাগিতাদেশ প্রত্যাহার করে বিচার কাজ শুরু করা হয়েছিল। মামলায় আসামিরা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়েছে। ২০জন সাক্ষীর সাফাই সাক্ষ্যতে প্রমাণিত হয়েছে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারা প্রমাণের ব্যতয় ঘটাতে পারেনি। যে রায় হয়েছে এতে বিচার কাজ সুষ্ঠ হয়েছে। ন্যায়বিচার হয়েছে।’

আজ শুক্রবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি, এ রায় হাইকোর্টে বহাল থাকবে। রায়ের কপি তুলে পরীক্ষা করে দেখা হবে, আপিল করার সুযোগ আছে কি না। আপিল করার সুযোগ থাকলে সাজা আরও বৃদ্ধির জন্য অবেদন করা হবে। হামলার সময় বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। তারা প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। এখানে প্রহসনের কোনো বিচার হয়নি।

এর আগে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সামাধি সৌধ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে, গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।  

উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখতে আসেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ফেরার পথে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেখ হাসিনার গাড়িবহরে বোমা হামলা চালায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। হামলায় সাবেক সংসদ সদস্য তৎকালিন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি  ইঞ্জিনিয়র শেখ মুজিবুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। এ ঘটনায় কলারোয়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৫০ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেয় কলারোয়া থানা পুলিশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার প্রধান আসামি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. হুমায়ুন কবীর আসামিদের মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার প্রধান আসামি সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক। রায়ে হাবিবুল ইসলাম হাবিব, বিএনপি নেতা রিপন ও আরিফকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৭ আসামিকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:০৮
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়া পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মান্নান আকন্দকে গ্রেফতারের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

বগুড়া পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মান্নান আকন্দকে গ্রেফতারের নির্দেশ
আব্দুল মান্নান আকন্দ

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বগুড়া পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) ৩১ কোটি টাকা দুর্নীতির মামলায় এই নির্দেশ দেন বগুড়ার স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এমরান হোসেন চৌধুরী।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, আদালতে উপস্থিত না থকায় চার্জ গঠনের দিনে আব্দুল মান্নান আকন্দের নামে গ্রেফতারের নির্দেশ প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত। ২০১১ সালে দুর্নীতির অভিযোগে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের হয়।

অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান আকন্দ জানান, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মামলায় যে পরিমাণ টাকা নিয়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে সে টাকা তিনি পরিশোধ করেছেন। 

বগুড়া পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এই নির্বাচনে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। প্রার্থী হওয়ার পর দলীয় নির্দেশনা পালন না করায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বগুড়া পৌর আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মতে ৪ নং ওয়ার্ড কমিটি থেকে আব্দুল মান্নানকে বহিস্কার করা হয়।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের নামে অর্থ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শরণখোলা প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার স্বজনপ্রীতি ও অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কারণে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন তারা।

লিখিত অভিযোগ ও মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধারা জানান, তালিকা থেকে বাদ পড়া অনলাইনে আবেদনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই করতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ১০২ নম্বর স্মারকে শরণখোলায় পত্র প্রেরণ করে। উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আফজাল হোসাইন, সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন ও সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক খান গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা বাছাই করেন।

বাছাই কমিটি ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা ও উপস্থিত সম্মুখযোদ্ধাদের সাক্ষী এবং সকলে ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি খসড়া তালিকা প্রস্তুত করেন। কিন্তু ওই খসড়া তালিকা বাদ রেখে বাছাই কমিটি গোপনে ৩৪ জন অমুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত করে ৫৩ জনের নামের তালিকা জামুকায় প্রেরণ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত উদ্দিন বাদশা, হারুন অর রশিদ খান, আ. মালেক জোমাদ্দার, আবু জাফর জব্বার, ইউসুফ আলী হাওলাদার জানান, যাচাই-বাছাই কমিটির দুজন সদস্য অনলাইনে আবেদনকারী দেড় শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে তালিকায় অন্তর্ভুক্তির নামে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করেছেন।

এসময় উপস্থিত অনলাইনে আবেদনকারী সুনিল শিকারী জানান, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির কথা বলে এক লাখ টাকা নিয়েও তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মালেক মীর, আব্দুল হালিম হাওলাদার, আব্দুল খালেক হাওলাদার, রুহুল আমিন হাওরাদার ও ইউসুফ মুন্সি জানান, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে যে ৫৩ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তার ৩৪ জনই অমুক্তিযোদ্ধা এবং এর মধ্যে কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীও রয়েছে। এমনকি এক নম্বর গেজেটের যাচাই-বাছাই করতেও ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

জানতে চাইলে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, কমিটিতে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপস্থিত সাক্ষীদের মতামতের ভিত্তিতে তালিকা করে জামুকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাছাই কমিটির সভাপতি এম আফজাল হোসাইন ও সদস্য এম এ খালেক খান অর্থ বাণিজ্যের কথা অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগকারীদের নিয়ে ৫৩ জনের তালিকা করা হয়েছে। তাদের স্বার্থহানী ঘটায় এখন আমাদের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫২
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:০১
প্রিন্ট করুন printer

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরুর দাফন সম্পন্ন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরুর দাফন সম্পন্ন
বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু

অসংখ্য মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় চিরনিন্দ্রায় শায়িত হলেন সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট নাগরিক, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু।

বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা তাঁকে। 

জেলার মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক আন্দোলনে আজীবন সংগ্রামী এই বীর যুদ্ধার আকস্মিক প্রয়াণে জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাকে শেষ বিদায় জানাতে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ছুটে আসেন তার অসংখ্য গুনগ্রাহী, স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব। 

সকাল সাড়ে ১০ টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর মরদেহ রাখা হয় তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে। সেখানে তাকে আবেগঘন পরিবেশে শেষ বিদায় জানান আদালত অঙ্গনে তার সুহৃদ ও সহকর্মীরা। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিয়ে  যাওয়া হয় তার মরদেহ। দুপুরে পৌরসভা চত্বরে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষ তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে ভরে ওঠে পৌরসভা আঙিনা। 

সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলের হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহর পক্ষ থেকে বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। তাকে শেষ বিদায় জানান সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, জেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। 

বেলা দুইটায় হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার কফিনে জাতীয় পতাকায় ঢেকে দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা। বেলা আড়াইটায় ষোলঘর জামে মসজিদের দ্বিতীয় নামাজের জানাজা শেষে  বেলা ৩ টায় ষোলঘর কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে। 

উল্লেখ্য, বুধবার বেলা ৩ টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার লেখা ‘রক্তাক্ত ৭১ সুনামগঞ্জ’ বইকে জেলায় মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন অনেকে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

প্রেমিকার বাড়ির সামনে গাছে মিলল প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ

মাদারীপুর প্রতিনিধি

প্রেমিকার বাড়ির সামনে গাছে মিলল প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ
নিতাই বারুরী

মাদারীপুরের রাজৈরে প্রেমিকার বাড়ির সামনের একটি গাছ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে নিতাই বারুরী (২৮) নামে এক প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে রাজৈর থানা পুলিশ। নিহত নিতাই উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়নের হিজলবাড়ি গ্রামের সুশীল বারুরীর ছেলে এবং কদমবাড়ী বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিতাই বারুরীর সাথে ইকরাবাড়ি গ্রামের বাবুল গাইনের মেয়ে সঙ্গীতা গাইনের (২৫) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে একে অপরকে বিয়েও করেছে। কিন্তু বাধ সাধে সঙ্গীতার পরিবার। নিতাই বারুরীর সাথে তারা (সঙ্গীতার পরিবার) সঙ্গীতাকে পারিবারিকভাবে বিয়ে দিতে রাজী ছিল না। এই কারণে নিতাই এবং সঙ্গীতা মোবাইলে কথা বলত এবং পালিয়ে দেখা করত। বুধবার সকালে নিতাই মাদারীপুর যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। বৃহস্পতিবার সকালে সঙ্গীতাদের বাড়ির সামনের একটি জামগাছে নিতাইয়ের লাশ ঝুলতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে রাজৈর থানা পুলিশ গিয়ে গাছ থেকে নিতাইয়ের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

নিতাইয়ের প্রেমিকা সঙ্গীতা গাইন বলেন, তার সাথে আমার ৩ বছরের সম্পর্ক। তার সাথে আমার বিয়েও হয়েছে। বুধবার সারারাত আমরা মোবাইলে কথা বলেছি। এমনকি ভোর ৫টা পর্যন্ত আমাদের কথা হয়েছে। তারপর কি হল, বুঝতে পারলাম না।
নিতাইয়ের বাবা সুশীল বারুরী বলেন, আমার ছেলেকে ওরা ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ সাদি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রেম ঘটিত কারণে ছেলেটি আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্টের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

নাটোরে ২২ মাদকসেবী গ্রেফতার

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরে ২২ মাদকসেবী গ্রেফতার
নাটোরে ২২ মাদকসেবী গ্রেফতার।

নাটোরে মাদক সেবনের সময় ২২ মাদকসেবীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এসময় তাদের কাছে থেকে ৫ গ্রাম গাঁজা ও ২৫০ গ্রাম চোলাই দেশী মদসহ মাদক সেবনের উপকরণ জব্দ করা হয়। বুধবার রাতে সদর উপজেলার একডালা গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-মো. মিঠু (৪৮), রওশান আলী (৬২), মো. মোতালেব (৫৫), শরিফুল ইসলাম (৪৫), মো. রিয়াজ (৩৫), মো. হৃদয় (২২), মো. বিপ্লব (২৫), মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮), আবু সাইদ (৬২), সামছের জোয়ার্দ্দার (৪৬), মামুন বিশ্বাস (২৭), মো. বাবু প্রমানিক (৩২), মো. ইউসুফ (৫০), চান্দের মণ্ডল (৪০), রাব্বানী মোল্লা (২৪), শরিফুল ইসলাম (৩৮), মো. আজিজুল (২২), মো. ইমতাজ (৪৮), বিপ্লব কুমার দাস (৩৮), মো. শামীম (২০), নাহিদ (২৩) ও তোফাজ্জেল হোসেন (৫৬)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিপিসি-২ র‌্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মো. মাসুদ রানা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যার পর তার নেতৃত্বে সদর উপজেলার একডালা গ্রামে অভিযান চালায় র‌্যাব সদস্যরা।

এসময় একত্রে মাদকসেবনের সময় ওই ২২ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে একত্রে বসে মাদক সেবন করছিল। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর