কুড়িগ্রামে শিক্ষার মনোন্নয়নে রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর আকস্মিক পরিদর্শন শুরু করেছে। অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মো. আমির আলীর নির্দেশে সহকারী পরিচালক (কলেজ) সাদাকাত হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে চিলমারী মহিলা ডিগ্রি কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সহকারী পরিচালক জানান, শিক্ষার মান উন্নয়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্ব অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না।
তিনি চিলমারী মহিলা ডিগ্রি কলেজে আকস্মিক প্রবেশ করে শিক্ষক–কর্মচারীদের হাজিরা বই, শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রমসহ বিভিন্ন নথি ঘুরে দেখেন। এ সময় কয়েকজন শিক্ষকের হাজিরায় ত্রুটি এবং কিছু কর্মচারীর অনিয়মিত উপস্থিতির প্রমাণ পান তিনি।
এসব অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতিকে নির্দেশনা দেন।
চিলমারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু জানান, গভর্নিং বডির মিটিং চলাকালীন সহকারী পরিচালক সারপ্রাইজ ভিজিটে আসেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন কাগজপত্র পরীক্ষা করেন এবং অনিয়ম দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক কারণে যত্রতত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। আইসিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক না থাকা এবং এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে অনার্স–মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষক না থাকায় পাশের হার কমে যাচ্ছে।
কুড়িগ্রাম জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক লিয়াকত আলী বলেন,
কুড়িগ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক–কর্মচারীদের বেতন বাবদ সরকার বছরে প্রায় ৪৮০ কোটি টাকা ব্যয় করে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের কারণে প্রত্যাশিত শিক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।
বিডিপ্রতিদিন/কবিরুল