পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি রেলস্টেশনে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে দুটি যাত্রীবাহী আন্তঃনগর ট্রেন নীলসাগর এক্সপ্রেস ও চিলাহাটি এক্সপ্রেস।
শুক্রবার দুপুরে স্টেশন অতিক্রমের সময় ট্রেন দুটির অপ্রত্যাশিত ঘেঁষাঘেঁষি পরিস্থিতি তৈরি হলে চালকের সতর্কতায় রক্ষা পান কয়েক হাজার যাত্রী। ঘটনাটি ঘটে দুপুর ১২টার দিকে ঈশ্বরদী-ঢাকা রেলরুটে মুলাডুলি স্টেশনের অদূরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্টেশনের কাছে এসে নীলসাগর এক্সপ্রেসের লুপ লাইনে ঢোকার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের চেয়ে একটু দেরিতে পৌঁছায় ট্রেনটি। ঠিক সেই সময় চিলাহাটি এক্সপ্রেস স্টেশন অতিক্রম করে প্রধান লাইনে এগিয়ে আসায় সাময়িকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি স্টেশনে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে যাত্রীবাহী দুটি আন্তঃনগর ট্রেন। এক লাইনে দুটি ট্রেন সামনাসামনি চলে এলেও গতি কম থাকায়, একটি ট্রেনের চালকের সর্তকতায় বড় কোন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে কয়েক হাজার ট্রেন যাত্রী।
তবে চালকের তাৎক্ষণিক সতর্কতা ও কম গতির কারণে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। পরবর্তীতে নীলসাগর এক্সপ্রেসকে লুপ লাইনে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ট্রেন কন্ট্রোল অফিস সূত্র জানায়, বিষয়টি মুখোমুখি সংঘর্ষের মতো নয়। নিয়ম অনুযায়ী নীলসাগর এক্সপ্রেসের মুলাডুলি স্টেশনে থামার কথা ছিল এবং চিলাহাটি এক্সপ্রেস থ্রু পাস ট্রেন নয়। সময়সূচির অল্প ব্যবধানে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও বড় কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) হাসিনা খাতুন বলেন, ‘দুটি ট্রেনের ক্রসিং হওয়ার কথা ছিল। নীলসাগর এক্সপ্রেস স্টেশনে দেরিতে পৌঁছানোয় সাময়িক সমস্যা হয়েছিল। তবে এটি দুর্ঘটনার মতো কোনো পরিস্থিতি নয়।’
বিডি-প্রতিদিন/আশফাক