কবিতা ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম আধুনিক কবি তারুণ্যের প্রতীক হেলাল হাফিজের প্রথম প্রয়াণ দিবসে নেত্রকোনায় কবিতা স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে স্মরণ করলো ভক্তরা। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) হিমু পাঠক আড্ডা আয়জন করে স্মরণকথন। এতে কবিবন্ধু, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দরা অংশ নেন।
কবির নিজ বিদ্যাপীঠ জেলা শহরের মোক্তারপাড়া দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের গাছ তলায় হেলাল হাফিজ চত্বরে হিমু পাঠক আড্ডা আয়োজিত শনিবার বেলা ১২ টায় স্মরণ কথনে কবিতা পাঠ ও কবির স্মৃতিচারণ করে শিশু থেকে বৃদ্ধ এবং কবি বন্ধুরা আলোচনায় অংশ নেন। আবৃত্তি শিল্পী ও শিশুরা কবির আলোচিত বিভিন্ন কবিতা পাঠ করেন। পরে কবি ও কবির ছোট ভাই প্রয়াত কবি নেহাল হাফিজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে কবির আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পড়েন মাওলানা গাজী আব্দুর রহিম রুহী।
স্মৃতিচারণ করে কবিকে নিয়ে আলেচনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার মো. আতিকুর রহমান, কবিবন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, সংস্কৃতিকর্মী সৈয়দা নাজনীন সুলতানা সুইটি, আবৃত্তিকার শিল্পী ভট্টাচার্যসহ অন্যরা।
তারা বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে কবি হেলাল হাফিজের যুদ্ধে যাওয়ার কবিতাও ততদিন থাকবে। হেলাল হাফিজরা হারিয়ে যেতে পারে না। তাদের প্রস্থান হয়। তিনি বেঁচে থাকবেন তাঁর কবিতায়, তাঁর ভাষায়। নিজ জেলার নতুন প্রজন্ম এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাঝে কবির কবিতা থাকবে দুধে ভাতে।
সাহিত্যে রাজনীতিতে সমাজে কবির অবদান তুলে ধরার মাধ্যমে নিজ এলাকায় কবির কবিতাকে নতুনের মাঝে পরিচয় করানোই মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, তিনি ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
বিডি প্রতিদিন/হিমেল