যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রাজবাড়ীতে উদযাপিত হচ্ছে মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার স্মরণে রাজবাড়ীতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে জেলা শহরজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
আজ মঙ্গলবার সকালে রাজবাড়ী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের সূচনা করেন জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। পরে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
পরে জেলার শহীদ স্মৃতি চত্বরের স্মৃতিস্তম্ভসহ বেশ কয়েকটি স্মৃতিস্তম্ভে জেলা প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় শহীদ স্মৃতি চত্বরের স্মৃতিস্তম্ভে বিএনপি, সিপিবিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পাশাপাশি রাজবাড়ী প্রেসক্লাব, রিপোটার্স ইউনিটি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শহীদ স্মৃতি চত্বর প্রাঙ্গণে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। এদিন দুপুর ১২টায় অফিসার ক্লাব প্রাঙ্গণে জেলা সদরের মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেবে জেলা প্রশাসন।
বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজবাড়ীর বিভিন্ন সড়ক, সরকারি-বেসরকারি ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান লাল-সবুজ পতাকা ও আলোকসজ্জায় সেজে ওঠে।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জেলার বধ্যভূমিতে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা আমাদের অহংকার। এবারের বিজয় দিবসে আমাদের প্রত্যয় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ একটি নির্বাচন। আমি এই জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছি। নির্বাচনের সবকিছু সুন্দরভাবে এগোচ্ছে। আমরা সবাই মিলে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ করছি।
বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি