নোয়াখালীতে হাসপাতাল রোডে ভবন নিমার্ণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় মো. আবদুর রহিম ও তার বড় মেয়েসহ ৩ জন চাপাতির কোপে আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাদেরকে প্রথমে নোয়াখালী জেলা হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে হাসপাতাল রোডে রহিমের বাড়িতে ।
জানা যায়, আবদুর রহিম গ্রামীণ হাসপাতালের ভবনের একজন অংশীদার। আগে বিভিন্ন ব্যবসায়ে জড়িত ছিলেন। তার নিকট হতে ছোটো মেয়ে লিজা জায়গা কিনে ভবন তৈরি করতে গেলে আবদুর রহিমের ভাই (মেয়ের চাচা) আবদুর রব লিটন লিজার সাথে ঝামেলা শুরু করে। এ বিষয়ে সমঝোতা করে দুই দফায় কিছু টাকা নেন আবদুর রব লিটন। পরবর্তীতে ভবনের তিনতলার কাজ শুরু করলে আবারও নতুন করে আবদুর রব লিটন লিজার টাকা চান বলে অভিযোগ করেন ভিকটিম পরিবার। পুনরায় টাকা চাইলে আবদুর রহিমের পরিবার টাকা দিতে অস্বীকার করে।
এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়। সোমবার তাদের মধ্যে ভীষণ ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুর রহিমকে নাকে আঘাত এবং তার বড় মেয়ে লিপির মাথায় ও হাতের দুই আঙুলে চাপাতির কোপ দিলে তারা আহত হন। পরে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তাদেরকে দ্রুত ২৫০ শয্যায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কাটা আঙুলের উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুর রহিমের জামাতা সহিদ উল্লাহ বলেন, আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। হামলাকারীরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তিনি অতি দ্রুত সুধারাম মডেল থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।
অপরদিকে প্রতিপক্ষের কাউকে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।। সুধারাম থানা পুলিশ জানায় তদন্ত করে ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ