কুড়িগ্রামে গত দুদিন ধরে আবারো শীতের ঠাণ্ডার তীব্রতা বাড়ছে। কনকনে ঠাণ্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে এখানকার খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষদের জীবনযাত্রা। শুক্রবার সকাল ৬টায় রাজারহাট স্থানীয় কৃষি আবহাওয়া অফিস জানায়, তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৪ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে জেলায় নতুন করে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিয়েছে। এতে করে জনজীবনে নেমে এসেছে মারাত্মক স্থবিরতা। তাদের কাজকর্মে দেখা দিয়েছে ঠান্ডার প্রভাব।
দিনের তাপমাত্রা সূর্যের কারণে সামান্য বৃদ্ধি পেলেও ঠান্ডার মাত্রা বিকেল থেকে শুরু হয়ে পরদিন সূর্য না ওঠা পর্যন্ত থাকে। সন্ধ্যার পর থেকে পুনরায় রাতভর ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়ে গোটা জনপদ। গরিব ও দুস্থ শ্রেণির মানুষজন রাতে কষ্টে ঠান্ডায় পার করেন। বিশেষ করে হিমেল হাওয়ায় তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হয় বেশি নদনদী পাড়ে। সে কারণে নদী পাড়ের বাসিন্দাদের অনেকেই রয়েছেন ঠান্ডায় কষ্টে।
এদিকে, ঠাণ্ডায় প্রতিদিন হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৩০ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের অধিকাংশই শিশু ও বয়স্ক। এছাড়াও হাসপাতালে রয়েছে নিউমোনিয়া, কাশি ও সর্দি রোগী। অন্যদিকে, ঘন কুয়াশা দীর্ঘ সময়ে হওয়ায় অনেক কৃষকের বোরো বীজতলা হলুদ বর্ণ ধারণ করায় কৃষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় বোরো বীজতলা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
বিডি প্রতিদিন/এএম