ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বশির মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় নারী ও শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামে লম্বা হাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বশির মিয়া ওই গ্রামের হিলাল উদ্দীনের ছেলে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা বলেন, খাগালিয়া গ্রামের লম্বা হাটি এলাকায় সরকারি খাস জায়গা দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি আলমগীর মিয়া নামে এক ব্যক্তি সরকার থেকে জমি ক্রয় করেছেন দাবি করে, সেখানে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু করেন। এ নিয়ে প্রতিপক্ষ কুতুবের বাড়ির নারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ সময় উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে বশির মিয়া গুরুত্ব আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে স্বজনরা নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় আহত হন অন্তত ১০ জন।
নিহতের ভাতিজি খায়রুন্নেসা অভিযোগ করেন, দুপুরে আমরা জমিতে কাজ করতে যাই। কিছু বুঝে উঠার আগেই আলমগীর মিয়া তার লোকদের নিয়ে সরকারি জায়গা দখল করতে আসে। আমরা বাধা দিলে আমাদের ওপর নির্যাতন করে। পরে আমার চাচা বাঁচাতে এলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিনুর ইসলাম বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জের ও সরকারি খাস জমি নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিডি-প্রতিদিন/এমই