পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের মাধপুর এলাকার শোলাবাড়িয়া ব্রিজের কাছে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানাধীন মাধপুরের শোলাবাড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন শাহজাদপুর ট্রাভেলসের চালক ও সদর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের কামাল হোসেন, মাছরাঙা পরিবহনের হেলপার ও পাবনা পৌর এলাকার শিবরামপুর মহল্লার জিহাদ হোসেন, আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের নরজান গ্রামের আলমগীর হোসেন (৩৫), পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর আলেফ উদ্দিন (৩৬)। চালক ও হেলপার বাদে নিহত দুইজন মাছরাঙা পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
তিনি জানান, সকালে যাত্রীবাহী ঢাকাগামী শাহজাদপুর ট্রাভেলস পাবনা থেকে ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে শোলাবাড়িয়া ব্রিজের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা মাছরাঙা পরিবহণের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে একজন মারা যায়। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের মধ্যে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজন মারা যায়। পরে দুপুরে আহতদের মধ্যে থেকে আরও দুইজন মারা গেছেন।
ওসি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, তাৎক্ষনিকভাবে নিহত বা আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে নিহত দুইজনের মধ্যে একজন শাহজাদপুর ট্রাভেলসের চালক এবং অপরজন মাছরাঙা পরিবহণের হেলপার। গুরুতর আহত অবস্থায় আমরা ১০/১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন সময়ে অনেক আহত যাত্রী নিজেরাই হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়েছেন।
পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এখানে প্রায় ৩০ জন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগী ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে ৬ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সম্ভাবত রেফার্ড রোগীদের ভেতর ২ জন মারা গেছেন।
বিডি-প্রতিদিন/আশফাক