চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সংঘর্ষের ১০ দিন পর মারা গেছেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান (৪০)। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জীবননগরের হাসাদহ এলাকায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হন তিনি। একই ঘটনায় গত ১ মার্চ মফিজুর রহমানের ভাই হাফিজুর রহমান (৫০) মারা যান।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে জীবননগরের হাসাদহ বাজার এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের
নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে গুরুতর আহত হন বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান (৪০) ও তার ভাই হাফিজুর রহমান (৫০)। ঘটনার পর ১ মার্চ ভোররাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হাফিজুর রহমান। আহত মফিজুর রহমান ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে খবর আসে তিনিও কিছুক্ষণ আগে মারা গেছেন।
প্রসঙ্গত, জামায়াত নেতার ভাই হাফিজুর রহমান মারা যাওয়ার পর হাফিজুরের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলেন- জীবননগরের বাঁকা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, তার বাবা বিএনপি কর্মী জসিম উদ্দিন ও হাসাদহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সালাম।
বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি