সুন্দরবনে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে ‘অপারেশন রেস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং বন অপরাধ নির্মূলে ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শীল্ড’ অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা) জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম।
এছাড়া সুন্দরবন ও সাগর উপকূলীয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত ১৮ মাসে ৮১টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ‘করিম-শরীফ’, ‘নানা ভাই’, ‘ছোট সুমন’, ‘আলিফ ও আসাবু’র ছাড়াও বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর ৬১ জন দস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় অপহৃত ৭৮ জন জেলে ও তিনজন পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান।
এছাড়া ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদসহ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ৯৪৪ কেজি হরিণের মাংস, ৯০০টি হরিণ শিকারের ফাঁদসহ বিপুল অবৈধ সামগ্রী জব্দ এবং ২৯ জন শিকারিকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দস্যুতা ও বন অপরাধ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই দুইটি অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ অভিযানে প্রশাসনের সকল বাহিনীর কর্মকর্তারা সম্পৃক্ত রয়েছে। আর শুধু কোস্ট গার্ডেরই ১৭ স্টেশন থেকে একযোগে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।
বিডি-প্রতিদিন/জামশেদ