গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নিবন্ধিত ৬০ জন মৎস্যজীবীর মাঝে ৬০টি বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে গোপালগঞ্জ শহরের সোনাকুড় মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে.এম বাবর মৎস্যজীবীদের হাতে বকনা বাছুরগুলো হস্তান্তর করেন।
এ উপলক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবলা চক্রবর্ত্তীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর প্রকল্প পরিচালক মো. খালিদুজ্জামান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম এবং সদর উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. প্রিয়াংকা রানী মোদকসহ অন্যান্যরা।
অনুষ্ঠানে মৎস্যজীবী শেখ আলী আজম বলেন, খাল-বিলে মাছ ও শামুক সংরক্ষণের সময় তারা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকেন, ফলে ওই সময় বেকার থাকতে হয়। এখন বাছুর পালন করে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলেদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মাছ ও শামুক সংরক্ষণের সময় তাদের বিকল্প আয় নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক মো. খালিদুজ্জামান বলেন, এ ধরনের প্রকল্প সারাদেশে সম্প্রসারণ করা গেলে মৎস্যসম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে এবং জেলেরা উপকৃত হবেন।
প্রধান অতিথি ডা. কে.এম বাবর বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এ ধরনের প্রকল্প আরও সম্প্রসারণে তিনি সংসদে কথা বলবেন বলেও জানান।
বিডি প্রতিদিন/এনআরএইচ