শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:০৪, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০৮:১১, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শেষবেলায় চুক্তি-কেনাকাটার হিড়িক

বিপুল দায়দেনার বোঝা পড়বে নতুন সরকারের ওপর
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
শেষবেলায় চুক্তি-কেনাকাটার হিড়িক

জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র তিন দিন বাকি। সবকিছু ঠিক থাকলে অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে প্রায় বিদায়ের সুর। উপদেষ্টাদের অনেকে চলে যাওয়ার ‘মুডে’ আছেন। ঠিক এই সময়ে বড় বড় কেনাকাটা আর চুক্তির জোর তৎপরতাও থেমে নেই।

তফসিল ঘোষণার পর সাধারণত সরকারের ‘রুটিন কাজ’ করার কথা। উল্টো শেষ সময়ে একের পর এক বড় অঙ্কের চুক্তি ও ব্যয়বহুল প্রকল্প অনুমোদনের হিড়িক পড়েছে, যা নিয়ে এখন দেশজুড়ে চলছে সমালোচনা ও বিতর্ক। যেসব চুক্তি রাজনৈতিক সরকারের করার কথা, সেগুলো তড়িঘড়ি করে অন্তর্বর্তী সরকারই সম্পন্ন করে যাচ্ছে। চীন ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে নৌযান ক্রয়ের চুক্তি, ৩৭ হাজার কোটি টাকায় ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়সহ নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি, নতুন বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদন—একের পর এক করে যাচ্ছে সরকার।

এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এক লাখ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের চাপ, বিপুল বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও খেলাপি ঋণের বোঝা। ভঙ্গুর অর্থনীতির এই বাস্তবতায় এসব দায় কাঁধে নিয়েই দায়িত্ব নিতে হবে নতুন সরকারকে—যা শুরুতেই তাকে এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষার মুখে ঠেলে দিচ্ছে। অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিচ্ছেন, এসব ‘দায় বহন’ করেই দায়িত্ব নিতে হবে নতুন সরকারকে, যা শুরু থেকেই তাকে কঠিনতম এক অগ্নিপরীক্ষার মুখে ঠেলে দেবে।
 

তফসিল-পরবর্তী হিড়িক : প্রকল্প, চুক্তি ও রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ হওয়ার কথা ছিল শুধু রুটিন দৈনন্দিন পরিচালনা ও নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা।


কিন্তু গত ২৫ দিনে (১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি) তড়িঘড়ি করে এক লাখ ছয় হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ের ৬৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকার ৪০টি প্রকল্পই সম্পূর্ণ নতুন। দেড় বছর মেয়াদে এই সরকার মোট ১৩৫টি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে দুই লাখ তিন হাজার কোটি টাকা।
সাধারণত রাজনৈতিক সরকারের আমলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর একনেক সভা বন্ধ থাকত। কিন্তু এই সরকারের আমলে তফসিল ঘোষণার পরও একনেক সভায় এক সপ্তাহে একাধিক মেগাপ্রকল্প অনুমোদন দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে।


বিশ্লেষকদের মতে, শেষ মুহূর্তে অনুমোদন পাওয়া এ রকম কিছু প্রকল্পের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু এলাকার রাস্তাঘাট ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন করে কোনো বিশেষ দল বা প্রার্থীকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে সরকারি পক্ষ এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলছে, এগুলো দেশের উন্নয়নের জন্য জরুরি কাজ।

অর্থনীতিবিদদের সতর্কতা : ‘নির্বাচিত সরকারের হাত-পা বাঁধা হচ্ছে’

অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এমন কাজ ‘সমীচীন’ ছিল না। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘যে চুক্তিগুলো জরুরি নয় এবং দীর্ঘমেয়াদি, সেগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের এড়িয়ে যাওয়া উচিত ছিল। বড় কোনো অর্থনৈতিক ও নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়নি। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারত।’


যেসব বড় চুক্তি নিয়ে বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যচুক্তি আজ সোমবার ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। এর আওতায় বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কছাড়ের পথ তৈরি হতে পারে। তবে আগে স্বাক্ষরিত একটি ‘নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট’-এর কারণে চুক্তির শর্তাবলি এখনো গোপন রাখা হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর মোট ৩৫ শতাংশ শুল্ক বহাল থাকলেও প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় মার্কিন কাঁচামাল বা তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকে বড় ধরনের শুল্কছাড় পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সচিব খাদিজা নাজনীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সরাসরি অংশ নেবেন; তবে আগে স্বাক্ষরিত একটি ‘নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট’-এর কারণে চুক্তির শর্তাবলি এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।

এই চুক্তির ফলে ২০ শতাংশ ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ, গম, সয়াবিন, তুলা ও এলএনজি আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং পাঁচ বছরে ৩৫ লাখ টন গম আমদানির চুক্তিও সম্পন্ন করেছে।
 

৩৭ হাজার কোটি টাকায় ১৪ বিমান কেনা হচ্ছে বোয়িং থেকে

বাণিজ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন এই চুক্তির অংশ হিসেবে বোয়িং থেকে নতুন ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে আপাতত বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে।

বিমান ও সরকারি উচ্চপদস্থ সূত্রগুলো জানায়, উড়োজাহাজবহর আধুনিকীকরণ জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় হলেও ভোটের ঠিক আগে এমন তাড়াহুড়া ও জবাবদিহির অভাব নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ শুরু হবে ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে। অর্থাৎ বর্তমান সরকারের সময়ে এর কোনো সুফল পাওয়া যাবে না। বিপরীতে, সরবরাহের সময়ের মূল্যস্ফীতি ও ডলারের বিনিময়হার অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে বিমান বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

 
চীন ও যুক্তরাজ্য থেকে জাহাজ কিনতে চুক্তি

বাংলাদেশ চীন থেকে চারটি নতুন জাহাজ কেনার ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি সই করেছে। গতকাল রবিবার চীন সরকারের পক্ষে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী যৌথভাবে চুক্তিতে সই করেন।

ঢাকার চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, চারটি জাহাজের মধ্যে দুটি ক্রুড অয়েল মাদার ট্যাংকার এবং দুটি মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার। এর মোট ব্যয় ২৪ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে দুটি ক্রুড অয়েল মাদার ট্যাংকারের জন্য ব্যয় হবে ১৫ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। আর দুটি মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার কেনায় ব্যয় হবে আট কোটি ৯৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

একই দিনে নৌ সদর দপ্তরে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে জিটুজি ভিত্তিতে একটি ‘অফ দ্য শেলফ’ হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে ভেসেল কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এ ছাড়া মেয়াদের শেষ সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনাকাটার আলোচনা এবং কিছু ক্ষেত্রে চুক্তি করছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিষয়টিকে চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।


নবম পে স্কেল : বাড়তি এক লাখ কোটি টাকার বোঝা

অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় আর্থিক দায় রেখে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হতে পারে প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল। এই বেতন স্কেল বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বছরে অতিরিক্ত এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে এই বিশাল ব্যয় মেটাতে গিয়ে নতুন সরকারকে হয় নতুন করে টাকা ছাপাতে হবে, নয়তো বড় অঙ্কের ঋণ নিতে হবে, যা অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।


দুর্ভাগ্যজনক সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত : মুস্তফা কে. মুজেরি

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে. মুজেরি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের আয়ু মাত্র কয়েক দিন, শেষ সময়ে বড় বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া অযৌক্তিক। নির্বাচন-পরবর্তী যে সরকার আসবে, তার অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সংকুচিত করে যাচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমার মনে হয়, অর্থনীতিতে সফলতা নেই বললেই চলে। বর্তমান সরকারের নেওয়া অর্থনৈতিক নীতিগুলোর একটি সাধারণ ধরন রয়েছে। সেটি হচ্ছে, ভুল সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া।’


বিদেশি ঋণের বোঝা ও ভবিষ্যতের চাপ

রাজস্ব ঘাটতি মোকাবেলায় বাজেট সহায়তা এবং বড় প্রকল্পগুলোতে অর্থছাড় বাড়াতে গিয়ে পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই বিদেশি ঋণের পথে হাঁটছে অন্তর্বর্তী সরকার, যার ফলে ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে সরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণের দায় দাঁড়িয়েছে ৭৭ বিলিয়ন ডলারে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হিসাব মতে, মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই ঋণের বোঝা প্রায় ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে আইএমএফ ও সরকারের গ্যারান্টি দেওয়া ঋণ অন্তর্ভুক্ত করলে প্রকৃত দায়ের পরিমাণ আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ সতর্ক করে বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।’

সরকারের যুক্তি : ‘নতুন সরকারকে চাপমুক্ত রাখা’

এসব সমালোচনার জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন দাবি করেন, ‘আগামী দিনে যারা ক্ষমতায় আসবে, সেই নির্বাচিত সরকারকে বাড়তি চাপমুক্ত রাখতেই অন্তর্বর্তী সরকার এই চুক্তি সম্পন্ন করে যাচ্ছে।’

সাবেক একজন অর্থসচিবের মতে, ‘মেয়াদের শেষ সপ্তাহে এসে এক লাখ কোটি টাকার বেশি আর্থিক দায় তৈরি করা প্রশাসনিক শিষ্টাচারবহিভর্ভূত। বিশেষ করে পে স্কেল বা মেগাবিমান ক্রয়ের মতো বিষয়গুলো নির্বাচিত সরকারের ম্যান্ডেট হওয়া উচিত ছিল। এখন পরবর্তী সরকারকে হয়তো শুরুতেই বড় ধরনের বাজেট ঘাটতি ও আইএমএফের কঠিন শর্তের মুখে পড়তে হবে।’

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

এই বিভাগের আরও খবর
কমল স্বর্ণের দাম
কমল স্বর্ণের দাম
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দেড় লাখ টন ডিজেল
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দেড় লাখ টন ডিজেল
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম নিয়ে মোংলা বন্দরে জাহাজ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম নিয়ে মোংলা বন্দরে জাহাজ
ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহনে অফিসে আসার নির্দেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের
ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহনে অফিসে আসার নির্দেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের
তিন কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
তিন কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
এক কোটি ৮০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কিনবে সরকার
এক কোটি ৮০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কিনবে সরকার
ঈদে ৭ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে
ঈদে ৭ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে
১০ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫১.৭ শতাংশ বৃদ্ধি
১০ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫১.৭ শতাংশ বৃদ্ধি
শেয়ারবাজারে সামান্য উত্থান
শেয়ারবাজারে সামান্য উত্থান
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
সর্বশেষ খবর
ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি: ট্রাম্প প্রশাসন
ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি: ট্রাম্প প্রশাসন

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ
কানাডায় প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ

১৫ মিনিট আগে | পরবাস

মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান
মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল
হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রূপগঞ্জে শীর্ষ মাদক করবারি হানিফসহ আটক দুই
রূপগঞ্জে শীর্ষ মাদক করবারি হানিফসহ আটক দুই

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: প্রাথমিক তদন্ত
ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: প্রাথমিক তদন্ত

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন তেল শোধনাগার চালুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
নতুন তেল শোধনাগার চালুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম
নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যশোরে অপহরণের ৯ দিন পর ওষুধ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার
যশোরে অপহরণের ৯ দিন পর ওষুধ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালে মির্জা আব্বাস
হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ
ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন
সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা
ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী
আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট
জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের হামলায় ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উপসাগরীয় দেশগুলো
ইরানের হামলায় ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উপসাগরীয় দেশগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ
ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ
প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ
হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা
যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশন শুরু
সংসদ অধিবেশন শুরু

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ : সালাহউদ্দিন আহমদ
আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ : সালাহউদ্দিন আহমদ

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত
হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?
ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?
ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা
যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি
ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত
বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত

নগর জীবন

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট

নগর জীবন

পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা
বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা

পেছনের পৃষ্ঠা

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন