শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩২, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শিল্পের ক্ষত সারাতে ‘দাওয়াই’ চান উদ্যোক্তারা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
শিল্পের ক্ষত সারাতে ‘দাওয়াই’ চান উদ্যোক্তারা

বহুমাত্রিক চাপে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি বেসরকারি খাত। টানা উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ঋণের উচ্চ সুদহার এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো চরম স্থবিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উদ্যোক্তাদের হিসাবে, গত দেড় বছরে বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত ৫০০ ছোট-বড় কারখানা, বেকার হয়েছেন লাখো কর্মী, শিল্পোৎপাদন সূচক কমেছে ১২ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে শুধু আশ্বাসে আস্থা ফিরবে না।

শিল্পের রক্তক্ষরণ থামাতে সুস্পষ্ট নীতিগত দিকনির্দেশনা, বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার পরিকল্পনা চান উদ্যোক্তারা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিনিয়োগে স্থবিরতা কাটাতে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্বাচিত ও স্থিতিশীল সরকারের প্রত্যাশা করছিলেন। উৎসবমুখর নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপির জয়ের পর ব্যবসায়ীরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নির্বাচিত সরকার পেতে যাচ্ছেন। মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং কর্মসংস্থানের বেশির ভাগই বেসরকারি খাতনির্ভর।

ফলে নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষাই হবে এই খাতে আস্থা ও গতি ফিরিয়ে আনা। দ্রুত নীতি-সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার না হলে সামগ্রিক অর্থনীতির চাকা সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ক্ষত যখন গভীরে : দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাত থেকে শুরু করে আবাসন, ইস্পাত, সিমেন্ট ও চামড়া শিল্পের উদ্যোক্তারা স্বীকার করছেন, শিল্পের অভ্যন্তরীণ ক্ষত এখন অত্যন্ত গভীর। বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত কয়েক প্রান্তিকে নতুন বিনিয়োগের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। অনেক কারখানা সক্ষমতার অর্ধেকও ব্যবহার করতে পারছে না।

এমন পরিস্থিতিতে গত ৪ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে শিল্প খাতের উদ্যোক্তারা দুরবস্থার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছিলেন। তাঁরা জানান, উৎপাদন খরচ জ্যামিতিক হারে বাড়লেও সেই তুলনায় নীতি সহায়তা মিলছে না। উল্টো ঋণের চড়া সুদ আর জ্বালানির অনিশ্চয়তা শিল্পকে রুগ্ণ করে তুলছে।

বৈঠক শেষে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, ‘আমাদের জ্বালানি সমস্যা, আইন-শৃঙ্খলা সমস্যা, শিক্ষাব্যবস্থার অসুবিধা, ব্যবসার খরচ কমানো, ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা কমানোসহ আমরা বিরাজমান সমস্যাগুলো জানিয়েছি।


গত এক বছর দেশে অনেক বেশি নিরাপত্তা সংকট দেখেছি। শিল্প-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের জন্যও নিরাপত্তা দিতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য এগিয়ে নেওয়ার জন্য যেসব অবকাঠামো প্রয়োজন, সেগুলো করতে হবে। অবকাঠামো ছাড়া কোনো শিল্প গড়ে উঠতে পারে না, কর্মসংস্থানও হবে না। আমরা চেয়েছি যে আমলাতান্ত্রিক হয়রানি বা বিভিন্ন নীতিগত বাধা যাতে না হয়। তিনি ক্ষমতায় গেলে এগুলো সমাধানের চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।’

বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের সম্মানটা অত্যন্ত জরুরি। সব সময় ঢালাওভাবে বলা হয় যে ব্যবসায়ীরা সব চোর-বাটপার। কিন্তু অর্থনীতিকে বড় করতে হলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করা উচিত।’

উদ্যোক্তারা বলছেন, জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং অসহনীয় সুদহার কমানোর মাধ্যমে শিল্পঋণের প্রবাহ বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি শ্রম আইনের আধুনিকায়ন ও শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারের বিকল্প নেই। তাঁরা মনে করছেন, শুধু নীতি নির্ধারণ করলেই হবে না, প্রশাসনিক পর্যায়ে হয়রানি বন্ধ করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে।


আস্থার সংকট ও প্রত্যাশার রোডম্যাপ : কয়েক বছর ধরে শিল্পোদ্যোক্তারা একের পর এক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আসছেন। জ্বালানির সংকটে উৎপাদন ব্যাহত, ব্যাংকঋণের সুদহার অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ—সব মিলিয়ে শিল্পোৎপাদন সীমিত হয়ে এসেছিল।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনগুলোর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে উঠে এসেছে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় এখন আস্থার সংকট। শুধু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি বা জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়, বরং প্রয়োজন সামগ্রিক অর্থনৈতিক কৌশলের স্থিতিশীলতা। নতুন সরকারের প্রতি তাদের প্রত্যাশা হলো স্পষ্ট অর্থনৈতিক রোডম্যাপ। করনীতি, বিনিময় হার, সুদহার, আমদানিনীতিতে ধারাবাহিকতা থাকলে বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব নয়। বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরাতে নতুন সরকারের প্রথম কাজ হওয়া উচিত দ্রুত কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং ব্যাবসায়িক আস্থা পুনরুদ্ধার করা। এর পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণ ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, সাপ্লাই চেইন উন্নয়ন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং ব্যাংকিং খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো।’

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘রপ্তানি খাত স্থিতিশীলতা ছাড়া টিকে থাকতে পারে না। বিদেশি ক্রেতারা জানতে চান সরবরাহ চেইন কতটা নির্ভরযোগ্য। নতুন সরকার যদি দ্রুত অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করে এবং পাশাপাশি যদি কাঠামোগত সংস্কার যেমন—বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ব্যাংকিং ইত্যাদি খাতে দ্রুত কাজ করে তাহলে আস্থা বাড়বে।’

মূল্যস্ফীতির চাপ ও চাহিদা সংকোচন : খাদ্য মূল্যস্ফীতি অনেক সময় দুই অঙ্কে উঠেছে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাস্তব আয় কমেছে। ভোগ ব্যয় সংকুচিত হওয়ায় বাজারে চাহিদা কমেছে, যা ব্যবসার ওপর প্রভাব ফেলছে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরির মতে, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কম বিনিয়োগ একসঙ্গে থাকলে অর্থনীতি ধীর হয়ে যায়। রাজনৈতিক ম্যান্ডেটকে কাজে লাগিয়ে নতুন সরকার যদি দ্রুত নীতিগত সংস্কার শুরু করে, তাহলে বাজারে ইতিবাচক বার্তা যাবে।’

অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ ও উদ্যোক্তাদের তিন দফা ‘দাওয়াই’ : পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সর্বশেষ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি প্রধান চ্যালেঞ্জ রয়েছে : বিনিয়োগে স্থবিরতা, রাজস্ব সংগ্রহে বড় ঘাটতি, আমদানি-রপ্তানিতে অস্থিরতা, টাকার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস ও সরকারি ঋণনির্ভরতা। উদ্যোক্তারা বলছেন, শিল্পের স্বাস্থ্য ফেরাতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে তাঁরা তিনটি প্রধান ক্ষেত্রে স্পষ্ট রোডম্যাপ চান : প্রথমত, শিল্পের প্রধান জ্বালানি গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। উদ্যোক্তাদের মতে, দাম বাড়ানো হলেও মানসম্মত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়নি। একটি দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নীতিমালা দিতে হবে, যাতে আগামী পাঁচ বছর জ্বালানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত থাকে।

দ্বিতীয়ত, ব্যাংকঋণের সুদহার ১৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। ছোট ও মাঝারি শিল্পের (এসএমই) জন্য এই সুদহার বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, খেলাপি ঋণের জন্য ভালো ব্যবসায়ীদের শাস্তি দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

তৃতীয়ত, প্রশাসনিক হয়রানি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বন্ধ করে ব্যবসা সহজীকরণ সূচকে উন্নতি করতে হবে। নতুন সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের দাবি, ওয়ানস্টপ সার্ভিসকে শুধু কাগজে-কলমে না রেখে বাস্তবে রূপান্তর করতে হবে।

সামনে করণীয় : অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এখন যে রোডম্যাপের কথা বলা হচ্ছে, তা হতে হবে অংশগ্রহণমূলক। সরকার একা বসে কোনো নীতিমালা চাপিয়ে দিলে হবে না, বরং স্টেকহোল্ডারদের মতামত নিতে হবে। বিনিয়োগকারীদের মনে এই বিশ্বাস জন্মাতে হবে যে তাঁদের বিনিয়োগ নিরাপদ।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদি না হলে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক থাকবেন। বিনিয়োগ না বাড়লে প্রবৃদ্ধি ধীর থাকবে, কর্মসংস্থান কমবে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত থাকতে পারে। ব্যবসায়ী নেতাদের ভাষায়, আস্থা ফিরিয়ে আনা শুধু অর্থনৈতিক নয়, প্রশাসনিক ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপরও নির্ভর করছে।

ভোটের রায়ে রাজনৈতিক অধ্যায় নতুন পথে মোড় নিয়েছে। এখন নজর অর্থনীতিতে। বেসরকারি খাতে আস্থা ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে গতি আনা—নতুন সরকারের সামনে সেটিই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের অগ্রাধিকার : বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতা ও বেসরকারি খাতকে নীতি নির্ধারণে সম্পৃক্ত না করার ফলে প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিগুলো থমকে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলা ও সহিংসতার ঘটনা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্বলতা সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনাগুলো বিনিয়োগ পরিবেশে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিনিয়োগ পরিবেশে এটি এখন একটি বড় বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

এই বিভাগের আরও খবর
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম
টোকিওতে ইন্দো-প্যাসিফিক জ্বালানি নিরাপত্তা ফোরামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
টোকিওতে ইন্দো-প্যাসিফিক জ্বালানি নিরাপত্তা ফোরামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
যুদ্ধে অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি
যুদ্ধে অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিমিয় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিমিয় হার
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম
চলতি অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৯ শতাংশ
চলতি অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৯ শতাংশ
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন ইমতিয়াজ আহমদ
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন ইমতিয়াজ আহমদ
এনবিআরের আরও ২ কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার
এনবিআরের আরও ২ কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার
মার্চের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স এলো ১৯২ কোটি ডলার
মার্চের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স এলো ১৯২ কোটি ডলার
চলতি অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৯ শতাংশ
চলতি অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৯ শতাংশ
সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে শেষ হলো লেনদেন
সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে শেষ হলো লেনদেন
সর্বশেষ খবর
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত

৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক
বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে
ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক
ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০
ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার
অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা
আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়
নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন-সৌদি আরবে ফর্মুলা ওয়ান বাতিল
ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন-সৌদি আরবে ফর্মুলা ওয়ান বাতিল

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী
নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

৫৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

যুদ্ধ নিয়ে ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ালে লাইসেন্স বাতিল: মার্কিন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা
যুদ্ধ নিয়ে ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ালে লাইসেন্স বাতিল: মার্কিন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কেন চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যকে পাশে চান ট্রাম্প?
হরমুজ প্রণালিতে কেন চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যকে পাশে চান ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাংবিধানিকভাবে অধিবেশনে অংশগ্রহণ, সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব তো নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাংবিধানিকভাবে অধিবেশনে অংশগ্রহণ, সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব তো নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি ঠেকাতে থাকছে মোবাইল কোর্ট’
‘ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি ঠেকাতে থাকছে মোবাইল কোর্ট’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনির আখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
শনির আখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, কোথায় আঘাত হানতে পারে
৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, কোথায় আঘাত হানতে পারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাগেরহাটে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
বাগেরহাটে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু পহেলা বৈশাখে, এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক
কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু পহেলা বৈশাখে, এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরাকের তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা, দায় স্বীকার করছে না কেউ
ইরাকের তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা, দায় স্বীকার করছে না কেউ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাহে রমজানের সামাজিক বার্তা
মাহে রমজানের সামাজিক বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার
একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা