শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৬, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৮, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নতুন সরকারের কঠিন পথ

ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা

মানিক মুনতাসির
অনলাইন ভার্সন
ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা

টানা প্রায় ১৭ বছর পর দেশে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ তৈরি হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। দায়িত্ব গ্রহণের অপেক্ষায় নতুন সরকার। ঠিক এই মুহূর্তে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি চরম ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। ব্যাংক খাতের অচলাবস্থা কাটাতে প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ। চরম মন্দা অবস্থা চলছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ, রাজস্ব ঘাটতি, বাজেট ঘাটতি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের খরা কঠিন বাস্তবতার মুখে দাঁড় করিয়েছে নতুন সরকারকে।

নির্বাচিত নতুন সরকার ও অপেক্ষমাণ তরুণ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের কাছে মানুষের প্রত্যাশাও আকাশসম। নির্বাচনি ইশতেহারে তারেক রহমান আইনের শাসন নিশ্চিত করা, আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তাঁর মতে, দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে না পারলে কোনো নীতিই কার্যকর করা সম্ভব হবে না। কয়েক দিন পরই শুরু হবে পবিত্র রমজান মাস। রোজায় মানুষের জীবনযাপন সহজ করতে পণ্যমূল্য সহনীয়  রাখার বিকল্প নেই বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে অর্থনীতি সংস্কার কার্যক্রমগুলো সম্পন্ন করা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমিয়ে আনাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার- সব ক্ষেত্রেই দ্রুত, বিচক্ষণ ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ অনিবার্য হয়ে উঠবে নতুন সরকারের সামনে। কয়েক মাস পরই দেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা। যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যবসায়ীরা সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন; তা খুব একটা আমলে নেয়নি জাতিসংঘ।

চলতি বছরের নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে শুরু হবে নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতা। বৈশ্বিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বাংলাদেশ। গভীর সংকটে পড়া দেশের অর্থনীতিকে মোটামুটি স্থিতিশীলতায় আনতে সক্ষম হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পতনের ধারা ঠেকিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সহনীয় পর্যায়ে এসেছে। অভ্যন্তরীণ খাতের চাহিদা স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে কাটাতে পারেনি বিনিয়োগ স্থবিরতা। সৃষ্টি হয়নি নতুন কর্মসংস্থান। রপ্তানিমুখী উৎপাদন খাতেও বড় ধাক্কা লাগে জুলাই আন্দোলনে। সেই ধাক্কায় রপ্তানি আয় এখনো নেতিবাচক প্রবণতায় রয়েছে। গতি নেই বাজেট বাস্তবায়নে। রাজস্ব আহরণে তৈরি হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি। বছর শেষে বাজেট ঘাটতি কতটা কমিয়ে আনা যায় সেদিকে নজর রাখতে হবে

নতুন সরকারকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ, যা কমে ডিসেম্বরে ৬ দশমিক ১০ শতাংশে নেমে আসে। এটি গত চার বছরে সর্বনিম্ন। ২০২৫ সালের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রত্যক্ষ নিট বিদেশি বিনিয়োগ ১ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি প্রত্যাশার চেয়ে কম। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষয় করেছে। এটি দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপের মাধ্যমে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে অস্বস্তিকর নিয়ামক হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি। যা মূলত কয়েক বছর ধরেই চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারও মূল্যস্ফীতির চাপ সহনীয় পর্যায়ে আনতে পারেনি।

বিবিএস-এর সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী এই চাপ এখন দুই অঙ্কের কাছাকাছি। কয়েক বছরে মানুষের প্রকৃত আয় বাড়েনি। অনেকের কমেছে। জুলাই আন্দোলনের পর বেকার হয়েছে বিপুলসংখ্যক মানুষ। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, মানুষ খুবই কষ্টে আছে। আর্থিক সচ্ছলতা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই হোক নতুন সরকারের জন্য অগ্রাধিকারের চ্যালেঞ্জ। ব্যাংক খাত গত ১৭ বছরে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। বিতরণ করা ঋণের বেশির ভাগই খেলাপি হয়েছে। পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করা হয়েছে। অর্থনৈতিক খাত সংকটের মধ্যে থাকলেও গণ অভ্যুত্থানের পর কিছুটা সংস্কার আনা হয়েছে। নতুন করে অর্থ পাচার রোধ করতে সক্ষম হয়েছে।

ব্যাংক খাত সুসংহত করতে নতুন সরকারকে পাড়ি দিতে হবে বন্ধুর পথ। দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, চরম দারিদ্র্যের হার বেড়ে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আগে ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। এ অবস্থার উত্তরণে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নাই। কর্মসংস্থান মানেই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এগোতে হবে নতুন সরকারকে।

এই বিভাগের আরও খবর
নারী দিবস পালনে দেশের সব ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা
নারী দিবস পালনে দেশের সব ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা
প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কত?
প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কত?
সংকট ও ঘাটতির ভয়াবহ চাপে অর্থনীতি
সংকট ও ঘাটতির ভয়াবহ চাপে অর্থনীতি
দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৫.৪৮ বিলিয়ন ডলার
দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৫.৪৮ বিলিয়ন ডলার
তীব্র হচ্ছে জ্বালানিসংকট
তীব্র হচ্ছে জ্বালানিসংকট
ব্যাংকের শাখার সর্বোচ্চ ভাড়া নির্ধারণ করে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাংকের শাখার সর্বোচ্চ ভাড়া নির্ধারণ করে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন
পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন
একীভূত পাঁচ ব্যাংক : আমানত ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
একীভূত পাঁচ ব্যাংক : আমানত ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
ASYCUDA System এর তথ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করলো এনবিআর
ASYCUDA System এর তথ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করলো এনবিআর
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম
ফেব্রুয়ারিতে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে যেসব দেশ থেকে
ফেব্রুয়ারিতে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে যেসব দেশ থেকে
সর্বশেষ খবর
তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা লাপোর্তার
তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা লাপোর্তার

১২ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ
শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়
মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা
ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস
কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল
জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক
শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার
১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু
নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি
৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা
অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার
বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট
২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের
শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?
ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প
অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম
আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি
মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা
তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?
মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত
একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?
ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?
সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের
শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন
ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন
হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক