শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:২১, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:৪৫, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ

বাজেট ঘাটতি সীমিত রাখা, কাঠামোগত সংস্কার, ব্যাংকিং খাতের দুর্দশা কাটানো, বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভর্তুকি কমানো, আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং অর্থনীতিকে সহনশীল করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
জিন্নাতুন নূর
অনলাইন ভার্সন
সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ

নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। বিএনপির দেওয়া ইশতেহার জনমানুষের মধ্যে আকাশচুম্বী প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কিন্তু এগুলো স্বল্প সময়ে পূরণ সম্ভব নয়। নতুন ক্ষমতাসীন দল ইশতেহারে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার কথা বললেও নির্বাচনি ইশতেহার পূরণ করতে যে অর্থের প্রয়োজন হবে, তা জোগাড় করা বেশ কঠিন হবে।

এজন্য বাজেট ঘাটতিকে সীমিত রাখতে হবে। কাঠামোগত সংস্কারগুলোতে হাত দিতে হবে। ব্যাংকিং খাতের দুর্দশা কাটিয়ে উঠতে হবে। বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভর্তুকি কাটাতে হবে। অর্থনীতিকে সাধারণ মানুষের জন্য সহনশীল করতে হবে। অর্থাৎ বিএনপির প্রতি জনমানুষের যে প্রত্যাশা, তার ব্যবস্থাপনাই হচ্ছে মূল চ্যালেঞ্জ। এজন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সরকারকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নতুন সরকারের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ আছে সেগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে গতকাল এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এগুলো একটা আকাশচুম্বী প্রত্যাশা তৈরি করেছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা সম্ভব নয়। প্রতিশ্রুতি মূল্যায়ন করার যে কাজটা সবার সামনে আসবে সেটা হলো অর্থবছর ২০২৭-এর বাজেট। আর মাত্র দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে বাজেট চূড়ান্ত করতে হবে। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে অনেকগুলো সরাসরি বাজেটে প্রভাব ফেলে। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলা হয়েছে। কৃষি ঋণ মওকুফের কথা বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। এগুলো সব পূরণ করতে হলে যে অর্থের প্রয়োজন হবে তা জোগাড় করা বেশ কঠিন। কারণ বিএনপির ইশতেহারে এটিও বলা হয়েছে তারা ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। এর অর্থ বাজেট ঘাটতিকে সীমিত রাখতে হবে। এজন্য ব্যয়বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে যদি রাজস্ব আয় বৃদ্ধি সম্ভব হয়। না হলে বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাবে। এখানে অঙ্ক মেলানো চ্যালেঞ্জের। আয়, ব্যয় এবং ঘাটতির সঙ্গে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সমন্বয় করার অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। এজন্য প্রত্যাশার ব্যবস্থাপনাই হচ্ছে এখনকার চ্যালেঞ্জ। তিনি আরও বলেন, সরকার পাঁচ বছর মেয়াদের ইশতেহার দিয়েছে। এজন্য আগে থেকে এটি পরিষ্কার করতে হবে যে, এই প্রত্যাশা এক বছরেই পূরণ করা সম্ভব নয়। সরকারকে চেষ্টা করতে হবে মানুষের প্রত্যাশাকে একেবারে মেরে না ফেলা। একই সময়ে আকাশচুম্বী প্রত্যাশাকে মাটিতে নামিয়ে আনার একটি পথ সরকারকে বের করতে হবে। বাজেটের সঙ্গে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি না হলে পরের বছরও সরকার তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারবে না। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির টেকসই উপায় হলো অর্থনীতির আকার বাড়ানো। কর্মকান্ডে চাঞ্চল্য আনা। এতে ট্যাক্স আদায়ের পরিমাণ বাড়বে। এটি করতে হলে কাঠামোগত সংস্কারগুলোতে হাত দিতে হবে। বিশেষ করে যেখানে বিষফোড়াগুলো বেশি পীড়া দিচ্ছে। এর মধ্যে ব্যাংকিং খাতে, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে, বিজনেস রেগুলেশনের ক্ষেত্রে ট্রেড লজিস্টিকসহ আরও বেশ কিছু খাত আছে। ব্যাংকিংয়ের দুর্দশা কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এখন ৫০ হাজার কোটি টাকার ওপর লোকসান, যা অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এটি কমাতে হলে বিদ্যুতের দামও বৃদ্ধি করতে হবে। দাম বাড়লে জনজীবনে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। এমনিতেই মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে আছে, মানুষ একে ভালোভাবে গ্রহণ করবে না। দাম কমানোর ক্ষেত্রে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যে চুক্তি আছে সেগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা যেতে পারে। কাঠামোগত সংস্কারের ক্ষেত্রে কী এবং কেন করতে হবে এগুলো গত দেড় বছরে বেশ ভালোভাবেই চিহ্নিত হয়েছে। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অনেক প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। বিদ্যুৎ, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন খাতের জন্য বিশেষায়িত এসব প্রতিবেদন সে সময় প্রকাশ পেয়েছে। এজন্য নতুন করে কিছু করার নেই। বিএনপি ইশতেহারে বলেছে, তারা একটা ইকোনমিক রিফর্ম কমিশন করবে কাঠামোগত সংস্কারের জন্য। এখন এই রিফর্ম কমিশনকে যদি আবার একটি অর্থনীতির কোথায় ও কী সমস্যা আছে তা জানতে ডায়াগনসিস করতে বলা হয় তাহলে সময় অপচয় হবে। রিফর্ম কমিশন যদি সরকার করে তাহলে তাদের ম্যান্ডেট দেওয়া উচিত যে কাজগুলো হয়েছে সেখানে কী এবং কেন করতে হবে তা আগের প্রতিবেদন দেখে অগ্রাধিকারের তালিকা করতে পারে। সেখান থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোন কাজ আগে করতে হবে তার স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি খাতওয়ারি পরিকল্পনা করতে হবে। এরপর কোন সিদ্ধান্তগুলো আগামী বাজেটের আগে ও পরে নিতে হবে তা ঠিক করতে হবে। যে সিদ্ধান্তগুলো সরকার নিচ্ছে তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নজরদারি করতে হবে। এখানে একটি স্বাধীন বা তৃতীয় চোখ থাকা দরকার। এটি রিফর্ম কমিশনের মাধ্যমে করা যেতে পারে। এতে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে তা কোথায় এবং কেন আটকে আছে সে বিষয়ে স্বাধীন মতামত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জানিয়ে দিতে পারবে। একে একটি টাস্কফোর্স হিসেবে গঠন করতে হবে।

পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, নতুন সরকারে যারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন এদের অধিকাংশই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। আমাদের দীর্ঘদিনের জমে থাকা প্রত্যাশাগুলোর বাস্তবায়ন তারা করবেন বলে আশাবাদী। অর্থ, বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয় এই তিন মন্ত্রণালয় ঘিরেই ব্যবসায়ীদের আগ্রহ। সরকারের এই তিন মন্ত্রণালয়ে যারা দায়িত্বে আছেন আমাদের বিশ্বাস তারা সফলভাবে তা পরিচালনা করবেন। আমরা যারা মূল স্টেকহোল্ডার তাদের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার আলোচনার প্রয়োজন মনে করেনি। বিএনপি সরকার এমন করবে না বলে আশা করছি। আমাদের সঙ্গে সময়ে সময়ে আলোচনা করে এ ব্যাপারে যখন যা প্রয়োজন সেই পদক্ষেপ নেবেন বলে প্রত্যাশা করছি। অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি বলেই বর্তমানে দেশের অর্থনীতি স্থবির অবস্থায় আছে। এখানে বিনিয়োগও নেই। একটার পর একটা গার্মেন্ট বন্ধ হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভুলনীতির কারণে ব্যবসায়ীরা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। অতীতে বিএনপি সরকারের সময় পোশাক খাত খুব দ্রুত উন্নতি করেছিল, আশা করছি বর্তমান বিএনপি সরকারের সময়ও সে ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, নতুন সরকারকে প্রথমেই দেশে আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। দ্বিতীয়ত অর্থনীতিকে সাধারণ মানুষের জন্য সহনশীল করতে হবে। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। এ সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম যারা ২০২৪ সালে রাস্তায় নেমেছিল তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হিসেবে নেমেছিল। তারা নিজের চাকরি ও জীবনজীবিকা নিয়েই নেমেছিল। দেশে প্রতি বছর ২০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মসংস্থানের বাজারে নামছে। ফলে কর্মসংস্থান তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ তরুণদের মধ্যে এখনো এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। এজন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত ও ন্যায্যতা বজায় রাখতে হবে। ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা তৈরির করা জুলাই আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল। এসব ব্যাপারে সরকারকে নীতিগতভাবে মনোযোগ দিতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা আসতে হবে। বিএনপি যদি দীর্ঘমেয়াদি রাজনীতি করতে চায় তাহলে নতুন ধরনের গঠনমূলক রাজনীতি প্রক্রিয়ায় তাদের যেতে হবে। এজন্য সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি কমন ন্যাশনাল এজেন্ডা ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নে যেতে হবে। প্রতিপক্ষকে ঠেকানোর রাজনৈতিক সংস্কৃৃতি থেকে বের হতে হবে। এ ছাড়া ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে। তিন বছরে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাব আমরা। তখন পুরো পৃথিবীর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যস্ত হবে। এজন্য তখন দেশে অভ্যন্তরীণভাবে সংস্কার করতে হবে। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় সহযোগিতা লাগবে।

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
কমল স্বর্ণের দাম
কমল স্বর্ণের দাম
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দেড় লাখ টন ডিজেল
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দেড় লাখ টন ডিজেল
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম নিয়ে মোংলা বন্দরে জাহাজ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম নিয়ে মোংলা বন্দরে জাহাজ
ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহনে অফিসে আসার নির্দেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের
ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহনে অফিসে আসার নির্দেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের
তিন কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
তিন কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
এক কোটি ৮০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কিনবে সরকার
এক কোটি ৮০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কিনবে সরকার
ঈদে ৭ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে
ঈদে ৭ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে
১০ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫১.৭ শতাংশ বৃদ্ধি
১০ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫১.৭ শতাংশ বৃদ্ধি
শেয়ারবাজারে সামান্য উত্থান
শেয়ারবাজারে সামান্য উত্থান
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
সর্বশেষ খবর
সংসদের প্রথম অধিবেশনের জন্য সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন
সংসদের প্রথম অধিবেশনের জন্য সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন

এই মাত্র | জাতীয়

খামেনির মৃত্যুতে সংসদে শোক
খামেনির মৃত্যুতে সংসদে শোক

৫৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ইফতার
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ইফতার

৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সবার আগে বাংলাদেশ, এই হোক মূলমন্ত্র: সংসদে স্পিকার
সবার আগে বাংলাদেশ, এই হোক মূলমন্ত্র: সংসদে স্পিকার

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

স্কুল ব্যাগে মিলল ১০ হাজার পিস ইয়াবা, কারবারি গ্রেফতার
স্কুল ব্যাগে মিলল ১০ হাজার পিস ইয়াবা, কারবারি গ্রেফতার

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

উই ওয়ান্ট জাস্টিস, স্পিকারকে বিরোধীদলীয় নেতা
উই ওয়ান্ট জাস্টিস, স্পিকারকে বিরোধীদলীয় নেতা

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব
বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ
নারায়ণগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ

৩৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভেড়ামারায় ছাত্রদল নেতাসহ গুলিবিদ্ধ তিন
ভেড়ামারায় ছাত্রদল নেতাসহ গুলিবিদ্ধ তিন

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভরাট ও দখল–দূষণে মৃতপ্রায় হাওরের খাল, সেচ সংকটে কৃষকেরা
ভরাট ও দখল–দূষণে মৃতপ্রায় হাওরের খাল, সেচ সংকটে কৃষকেরা

৪৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

কুয়েতে হামলা চালিয়ে শতাধিক মার্কিন সেনাকে আহত করার দাবি ইরানের
কুয়েতে হামলা চালিয়ে শতাধিক মার্কিন সেনাকে আহত করার দাবি ইরানের

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এইচএসসি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশ
এইচএসসি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশ

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সাংবাদিক রউফ জালালের ইন্তেকাল
বগুড়ায় সাংবাদিক রউফ জালালের ইন্তেকাল

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ড্রোন হামলা
ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ড্রোন হামলা

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি: ট্রাম্প প্রশাসন
ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি: ট্রাম্প প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ
কানাডায় প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান
মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল
হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রূপগঞ্জে শীর্ষ মাদক করবারি হানিফসহ আটক দুই
রূপগঞ্জে শীর্ষ মাদক করবারি হানিফসহ আটক দুই

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: প্রাথমিক তদন্ত
ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: প্রাথমিক তদন্ত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন তেল শোধনাগার চালুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
নতুন তেল শোধনাগার চালুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম
নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যশোরে অপহরণের ৯ দিন পর ওষুধ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার
যশোরে অপহরণের ৯ দিন পর ওষুধ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালে মির্জা আব্বাস
হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ
ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন
সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান
মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?
ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা
যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসপাতালে মির্জা আব্বাস
হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি
ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত
বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত

নগর জীবন

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট

নগর জীবন

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা
বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা

পেছনের পৃষ্ঠা

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন