শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:৪২, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০৩:০৭, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ঋণের ফাঁদের দিকে দেশ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ঋণের ফাঁদের দিকে দেশ

অবকাঠামো উন্নয়নের নামে নেওয়া বড় বড় প্রকল্পে অতিমূল্যায়ন, দুর্নীতি ও দুর্বল শাসনের কারণে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ঋণঝুঁকির ফাঁদের দিকে এগোচ্ছে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন গবেষকরা। তাঁদের মতে, ঋণ নিলে সমস্যা নয়; সমস্যা হচ্ছে ব্যয় নিয়ন্ত্রণহীনতা, অস্বচ্ছ চুক্তি এবং জবাবদিহির অভাব, যা দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করে।

গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সরকারি ঋণ ও সুশাসন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ গবেষণা উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন একটি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সহযোগিতায় একটি আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা এবং দেশের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ।

ঋণের উল্লম্ফন : গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ২৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১২ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ ১৬ বছরে বৃদ্ধি প্রায় ৩৭৭ শতাংশ। একই সময় সুদ পরিশোধের চাপ দ্রুত বেড়েছে। বর্তমানে সরকারি আয়ের এক-পঞ্চমাংশ শুধু সুদ পরিশোধেই ব্যয় হচ্ছে। ফলে উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য সরকারের হাতে কম অর্থ থাকছে।

২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিবহন, বিদ্যুৎ,  বন্দর, বিমান চলাচল, শিল্পাঞ্চলসহ ৪২টি বড় প্রকল্প বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এর মধ্যে ২৯টি প্রকল্পে গড়ে ৭০.৩ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ২৩ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ দুর্নীতি, অদক্ষতা ও যোগসাজশের মাধ্যমে হারিয়ে গেছে।

আলোচনায় অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুশতাক এইচ খান বলেন, চুক্তির দামে সামান্য বাড়তি নির্ধারণও দীর্ঘ মেয়াদে বিশাল আর্থিক বোঝা তৈরি করে। কয়েক সেন্ট বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনলেও ২০ থেকে ২৫ বছরে তা বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত দায়ে রূপ নেয়। তাঁর মতে, সমস্যা শুধু ঋণের পরিমাণ নয়, বরং প্রতিযোগিতাহীন চুক্তি, রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্বল জবাবদিহিতাই বড় ঝুঁকি।

গবেষণায় অবকাঠামো প্রকল্পে দুই ধরনের ব্যর্থতার কথা বলা হয়েছে। প্রথমত, প্রকল্প সঠিকভাবে নির্মিত হলেও দাম অতিরিক্ত বেশি ধরা হয়। এতে আয় দিয়ে ব্যয় ওঠানো কঠিন হয়ে পড়ে। দ্বিতীয়ত, দুর্বল পরিকল্পনা ও ত্রুটিপূর্ণ নকশার কারণে অনেক প্রকল্প প্রত্যাশিত সুফল দিতে পারে না। ফলে আয় কম হয়, কিন্তু ঋণের কিস্তি নিয়মিত দিতে হয়।

বিদ্যুৎ খাতে চাপ : গবেষণার তথ্যে বিদ্যুৎ খাতকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে। ২০২৫ সালে স্থির সক্ষমতা চার্জ ৩৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। অর্থাৎ বিদ্যুৎ ব্যবহার হোক বা না হোক, সরকারকে নির্দিষ্ট অঙ্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। উচ্চমূল্যের চুক্তির কারণে বছরে প্রায় ৪.৯ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, যাতে খুচরা বিদ্যুতের দাম সহনীয় রাখা যায়। ভর্তুকি বন্ধ হলে বিদ্যুতের দাম ৮৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে। ২০১১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদকদের পরিশোধ ১১ গুণ এবং সক্ষমতা চার্জ ২০ গুণ বেড়েছে, অথচ উৎপাদন বেড়েছে মাত্র চার গুণ। অনেক কেন্দ্র জ্বালানি সংকটে অলস থাকলেও চুক্তির কারণে অর্থ পরিশোধ অব্যাহত রয়েছে।

শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা : গবেষণায় ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার আর্থিক সংকটের উদাহরণ তুলে ধরা হয়। দেশটির প্রায় ৬৫ শতাংশ বৈদেশিক ঋণ অবকাঠামো খাতে ব্যয় হয়েছিল। কিন্তু অনেক প্রকল্প প্রত্যাশিত আয় দিতে পারেনি। সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ্রা রাজাপক্ষের সময় নেওয়া একাধিক প্রকল্প পরে অকার্যকর হয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত আয় না থাকায় ঋণ পরিশোধে চাপ বাড়তে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত দেশটি গভীর সংকটে পড়ে।

গবেষকদের মতে, বাংলাদেশেও একই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। প্রকৃত ঋণ-জিডিপি অনুপাত সংশোধিত হিসাবে ৪২ শতাংশ, যেখানে আগে ৩৩ শতাংশকে নিরাপদ বলা হতো। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে এই অনুপাত ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেন, কেবল স্বচ্ছতা নয়, কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। দরপত্র প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত তথ্য প্রকাশ, প্রকল্প শুরুর আগে জমি ও নকশা প্রস্তুতি যাচাই, কর্মসম্পাদনের সঙ্গে অর্থ পরিশোধ যুক্ত করা এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ—এসব ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

আলোচনায় চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের জাকির হোসেন খান বলেন, ‘আমাদের বৈদেশিক ঋণ ১০০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করার পরও যদি দুর্নীতিতে নিমজ্জিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বার্ষিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়, তবে বাংলাদেশ দ্রুতই আর্থিক দেউলিয়াত্বের দিকে এগিয়ে যাবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ডদের দ্বারা হাইজ্যাক হয়েছে।

ইউএনডিপির কান্ট্রি ইকোনমিক অ্যাডভাইজার ওয়াইস পারে বলেন, ‘ক্রমবর্ধমান ঋণ অবকাঠামো এবং সামাজিক সুরক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে প্রতিফলিত করে। ঝুঁকি হলো অর্থায়ন থেকে নীতিকে বিচ্ছিন্ন করা; ঋণ গ্রহণ যেন প্রকৃত, টেকসই উন্নয়নে রূপান্তরিত হয় তা নিশ্চিত করতে আমাদের অবশ্যই সমন্বিত পরিকল্পনা এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মাধ্যমে এই ব্যবধান ঘুচিয়ে দিতে হবে।’

এফসিডিওর গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার এমা উইন্ড বলেন, ‘বাংলাদেশ যেহেতু এলডিসি উত্তরণের কাছাকাছি পৌঁছেছে, বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার একটি আর্থিক আবশ্যকতা। প্রকিউরমেন্ট (সংগ্রহ) প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে আইএমএফ সুশাসন ডায়াগনস্টিকস এবং দাতাদের দক্ষতা ব্যবহার করে আমরা একটি আর্থিকভাবে স্থিতিশীল, জ্বালানি-সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি, যা জাতি এবং এর বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন অংশীদার উভয়কেই উপকৃত করবে।’

বিপিডিবির পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা বলেন, ‘বিশেষ আইন বাতিল করা এবং প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রবর্তন করার ফলে সৌরবিদ্যুতের শুল্ক ১০ সেন্ট থেকে কমিয়ে ৫-৮ সেন্টে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। জমির লভ্যতা এবং জ্বালানি বহুমুখীকরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা কাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলোকে একটি টেকসই, সাশ্রয়ী জ্বালানি ভবিষ্যতে রূপান্তর করছি।’

নবায়নযোগ্য জালানি সংগঠন বিএসআরইএ প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, ‘যেখানে সৌরবিদ্যুতের দাম পাঁচ সেন্টের নিচে, সেখানে আমাদের আমদানির পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নষ্ট করা বন্ধ করতে হবে। গ্রিডসংলগ্ন জমির মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ করা এখন আর কোনো বিকল্প নয়, এটি বাংলাদেশের বেঁচে থাকার জন্য একটি অপরিহার্য কৌশল।’

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সূচকের বড় পতনে ডিএসইতে চলছে লেনদেন
সূচকের বড় পতনে ডিএসইতে চলছে লেনদেন
স্বর্ণের ভরি কত আজ?
স্বর্ণের ভরি কত আজ?
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
বাংলাদেশের উদ্দেশে এলএনজির প্রথম চালান জাহাজে তুলেছে কাতার
বাংলাদেশের উদ্দেশে এলএনজির প্রথম চালান জাহাজে তুলেছে কাতার
শেখ হাসিনার সাবেক দুই মুখ্য সচিবের ব্যাংক হিসাব তলব
শেখ হাসিনার সাবেক দুই মুখ্য সচিবের ব্যাংক হিসাব তলব
ঈদ উপলক্ষে জমজমাট বাবুরহাট, বেচা-কেনায় ধুম
ঈদ উপলক্ষে জমজমাট বাবুরহাট, বেচা-কেনায় ধুম
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
পাঁচ সার কারখানা বন্ধ হলো গ্যাস সংকটে
পাঁচ সার কারখানা বন্ধ হলো গ্যাস সংকটে
সর্বশেষ খবর
জাপানে খাদ্য রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: খাদ্যমন্ত্রী
জাপানে খাদ্য রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: খাদ্যমন্ত্রী

৪১ সেকেন্ড আগে | মন্ত্রীকথন

চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপসহ কোন দল কত টাকা পাবে
চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপসহ কোন দল কত টাকা পাবে

৫৬ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

জ্বালানির মজুত নিয়ে যে সুখবর দিলেন মন্ত্রী
জ্বালানির মজুত নিয়ে যে সুখবর দিলেন মন্ত্রী

১ মিনিট আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহত
গোপালগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহত

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঘোড়াঘাটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
ঘোড়াঘাটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক

১৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির
ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্ম গুরুদের সম্মানী নির্ধারণ
ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্ম গুরুদের সম্মানী নির্ধারণ

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না : জ্বালানিমন্ত্রী
আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না : জ্বালানিমন্ত্রী

১৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

২২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ড্রেন নির্মাণের সময় দেওয়াল ধসে শ্রমিক নিহত
ড্রেন নির্মাণের সময় দেওয়াল ধসে শ্রমিক নিহত

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনে, নিহত ১২
রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনে, নিহত ১২

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্টার কাবাবে গ্রাহকদের ওপর কর্মীদের হামলা
স্টার কাবাবে গ্রাহকদের ওপর কর্মীদের হামলা

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

৫ বলে ৫ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড ব্রেট র‌্যান্ডেলের
৫ বলে ৫ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড ব্রেট র‌্যান্ডেলের

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ
টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় সেমাই কারখানায় অভিযান, দুই লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় সেমাই কারখানায় অভিযান, দুই লাখ টাকা জরিমানা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তান হত্যা, স্বামী গ্রেফতার
গাইবান্ধায় স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তান হত্যা, স্বামী গ্রেফতার

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় নারী শক্তির আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে মনিরা শারমিন-মাহমুদা মিতু
জাতীয় নারী শক্তির আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে মনিরা শারমিন-মাহমুদা মিতু

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় আইসিসির সভা স্থগিত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় আইসিসির সভা স্থগিত

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাদারীপুরে হাসপাতাল ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরে এমপির হঠাৎ উপস্থিতি
মাদারীপুরে হাসপাতাল ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরে এমপির হঠাৎ উপস্থিতি

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নীলফামারীতে নারী দিবস পালিত, পুরস্কার পেলো চার কিশোরী
নীলফামারীতে নারী দিবস পালিত, পুরস্কার পেলো চার কিশোরী

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকায় পৌঁছেছে পাকিস্তান দল
ঢাকায় পৌঁছেছে পাকিস্তান দল

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় দেড় হাজার পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ
বগুড়ায় দেড় হাজার পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির
উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

টঙ্গীতে নিরাপত্তাকর্মীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি, ককটেল নিক্ষেপ
টঙ্গীতে নিরাপত্তাকর্মীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি, ককটেল নিক্ষেপ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, কারখানায় অভিযান চালিয়ে জরিমানা
বগুড়ায় নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, কারখানায় অভিযান চালিয়ে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে ডিবির অভিযানে তিনটি তক্ষক উদ্ধার
লালমনিরহাটে ডিবির অভিযানে তিনটি তক্ষক উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের প্রকল্প নিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রণয় ভার্মার
ভারতের প্রকল্প নিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রণয় ভার্মার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেত্রকোনায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
নেত্রকোনায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান
সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলা করে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তায় মিত্ররা
ইরানে হামলা করে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তায় মিত্ররা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

দশম দিনে স্বস্তির আমেজ
দশম দিনে স্বস্তির আমেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী দিবসে কোনালের নারী যায় বাড়ি
নারী দিবসে কোনালের নারী যায় বাড়ি

শোবিজ