শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০৯, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ১১:১০, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬

সংকটেও বড় ঘাটতি বাজেটের পথে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
সংকটেও বড় ঘাটতি বাজেটের পথে সরকার

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া জনবান্ধব অঙ্গীকার পূরণের কাজ শুরু করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রয়োজন বিপুল অর্থ। কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা, রাজস্ব আয়ের শ্লথগতি, আইএমএফের কঠোর শর্ত পূরণের চাপ বাজেট প্রণয়নে সরকারকে এক কঠিন বাস্তবতার মুখে দাঁড় করিয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার টানাপোড়েনে শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঙ্কের ঘাটতি বাজেট পেশের মাধ্যমে সমাধানের পথে হাঁটতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এবারের বাজেট গতানুগতিক হবে না; এটি হবে জনগণের অংশগ্রহণমূলক, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকারী এবং পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতিমুক্ত। তবে আইএমএফের শর্ত অনুসারে ভ্যাট বাড়ানো, সাবসিডি কমানো এবং করব্যবস্থায় সংস্কারের চাপ থাকবে, যা জনগণের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার আট লাখ ৪৮ হাজার থেকে সাড়ে আট লাখ কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার হতে পারে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা। 

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। পরে তা দুই হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয় সাত লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। গত ২৪ ডিসেম্বর সাবেক উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। দেশের ইতিহাসে এটিই প্রথমবার, যখন পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় বাজেটের আকার কমানো হয়।

চলতি অর্থবছরে ঘাটতি ধরা হয়েছে দুই লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল পাঁচ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ২৪ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। কিন্তু নতুন অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির অঙ্ক দুই লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। রাজস্ব আয়ে গতি না থাকায় ঘাটতি জিডিপির ৪-৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অর্থনীতি বিশ্লেষক ও ফিন্যানশিয়াল এক্সিলেন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মামুন রশীদ বলেন, রাজস্ব ঘাটতি ও ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপে আগামী বাজেটের অর্থায়ন হবে অত্যন্ত দুরূহ। একদিকে সরকারি বেতন বৃদ্ধির চাপ ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি ও আমদানীকৃত পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অর্থনীতিকে আরো সংকটে ফেলবে। বিশাল রাজস্ব ঘাটতি এবং বৈদেশিক অনুদান কমে আসা বাজেট ব্যবস্থাপনাকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে রাজস্ব আয়

বাজেটের আকার বাড়লেও তার পেছনের মূল ভিত রাজস্ব আহরণ দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রাজস্ব ঘাটতি ছাড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা।

এনবিআরের তথ্য-উপাত্ত বলছে, অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল দুই লাখ ৮৩ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা। অথচ এ সময় রাজস্ব আয়ের তিনটি খাতে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে ৬০ হাজার ১১৩ কোটি টাকা।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন

সরকার আগামী ১০ মার্চ থেকেই দেশে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে যেসব ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে, তার বিপরীতে কার্ডধারী দুই হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, এখন আপাতত অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে থোক বরাদ্দ নেওয়া হবে। তবে আগামী বাজেট থেকে এই খাতে নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ থাকবে।

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল কার্যকরের লক্ষ্যে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ছয় হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা করা হয়েছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘এত বিপুল প্রত্যাশা পূরণ করতে গেলে সরকারকে ব্যয় কমিয়ে আনার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু রাজস্ব আয় বাড়ছে না। ফলে ঘাটতি মেটাতে বিদেশি ঋণ বা মুদ্রা ছাপানোর পথে হাঁটতে হবে, যা মূল্যস্ফীতি আরো উসকে দিতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে থাকায় সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় চাপে রয়েছে। অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব দিয়ে দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়ায় ঋণ পরিশোধে নতুন ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সুদ হার সমন্বয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়তা, টাকার বিনিময় হার বাজারমুখী করা, সরকারি ব্যয়ে মিতব্যয়ী হওয়া, রপ্তানি ও প্রবাস আয়ে নগদ প্রণোদনা যৌক্তিকীকরণ দরকার।

ভর্তুকি কমানোর চাপ আইএমএফের

জনগণের প্রত্যাশা পূরণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত। ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে বেশ কিছু কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো, ভর্তুকি কমিয়ে আনা, ব্যাংক খাতের সংস্কার ও বিদ্যুৎ খাতে মূল্য সমন্বয়।

বিশেষ করে ভর্তুকি কমানোর শর্তের কারণে নতুন পে স্কেল বা কৃষক কার্ডের মতো বিপুল ভর্তুকির উদ্যোগ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আইএমএফের শর্ত পূরণ না করলে ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত হয়ে যেতে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ ফেলবে।

বেসরকারি খাতে স্থবিরতা ও উদ্বেগ

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উচ্চ সুদহারের কারণে জানুয়ারিতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি এযাবৎকালের সর্বনিম্ন ৬.০৩ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরের ৬.১ শতাংশ থেকে জানুয়ারিতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আরো কমেছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যেখানে এই হার ছিল ১০.১৩ শতাংশ, সেখান থেকে ক্রমেই তার উল্লেখযোগ্যভাবে পতন হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিনিয়োগ তলানিতে নেমেছে। সরকারি প্রকল্পও স্থবির। ফলে শিল্প ও প্রকল্পের কাঁচামাল আমদানি অনেকাংশে কমেছে।

প্রাক-বাজেট আলোচনা শুরু করেছে এনবিআর

এমন ক্রান্তিকালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন অংশীজন ও ব্যবসায়ী সংগঠনের কাছ থেকে প্রস্তাব আহবান শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এনবিআর জানিয়েছে, একটি অংশগ্রহণমূলক, গণমুখী ও ন্যায়সংগত বাজেট প্রণয়নে বরাবরই সব পর্যায়ের করদাতা, বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতি, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, পেশাজীবী সংগঠন, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ও দেশের বুদ্ধিজীবীমহলের কাছ থেকে এনবিআর বাজেট প্রস্তাব আহবান করে আসছে। বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের নিজ নিজ বাজেট প্রস্তাব লিখিতভাবে আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের কাছে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি এক বৈঠকে বলেন, আমরা গতানুগতিক বাজেট করতে চাই না। বাংলাদেশের বাজেট এমন হতে হবে, যেখানে দেশের জনগণ অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। বাজেটের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনীতির উন্নয়ন ও সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে-এটাই টার্গেট।

তিনি অর্থনীতিকে ‘কঠিন ও স্থবির’ অবস্থা বলে উল্লেখ করে বলেন, দারিদ্র্য বাড়ছে, বিনিয়োগ কমছে, কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে। সুতরাং কাঠামোগত সংস্কার, অংশগ্রহণমূলক বাজেট এবং বিশ্বাসভিত্তিক পুঁজিবাজার গড়ে তোলা অগ্রাধিকার পাবে।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে কঠোর ব্যয়-নিয়মানুবর্তিতা এবং বাজেট বাস্তবায়নে সুশাসন নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতি বিশ্লেষক মামুন রশীদ। তিনি সতর্ক করেন যে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও আমদানিতে চাপ থাকায় শুধু গতানুগতিক বাজেট দিয়ে এই সংকট মোকাবেলা সম্ভব নয়। দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে জোরালো আলোচনা এবং পরিকল্পিত অর্থায়নই হতে পারে এই কঠিন সময় উত্তরণের পথ।

সৌজন্যে - কালের কণ্ঠ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩৭.৯ শতাংশ বৃদ্ধি
৭ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩৭.৯ শতাংশ বৃদ্ধি
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.১০ বিলিয়ন ডলার
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.১০ বিলিয়ন ডলার
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরুর সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতির সাক্ষাৎ
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরুর সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতির সাক্ষাৎ
শেয়ারবাজারে পতন, সূচক কমেছে ২৩১ পয়েন্ট
শেয়ারবাজারে পতন, সূচক কমেছে ২৩১ পয়েন্ট
ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.১৩ শতাংশ
ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.১৩ শতাংশ
মার্চের প্রথম সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো এক বিলিয়ন ডলারের বেশি
মার্চের প্রথম সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো এক বিলিয়ন ডলারের বেশি
ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সূচকের বড় পতনে ডিএসইতে চলছে লেনদেন
সূচকের বড় পতনে ডিএসইতে চলছে লেনদেন
স্বর্ণের ভরি কত আজ?
স্বর্ণের ভরি কত আজ?
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
সর্বশেষ খবর
প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনায় বগুড়ায় দোয়া ও ইফতার
প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনায় বগুড়ায় দোয়া ও ইফতার

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীর ক্ষমতায়নে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় : মিফতাহ্ সিদ্দিকী
নারীর ক্ষমতায়নে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় : মিফতাহ্ সিদ্দিকী

১৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

খালে মাছের চাষ, খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে : ত্রাণমন্ত্রী
খালে মাছের চাষ, খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে : ত্রাণমন্ত্রী

২৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ভোটের ফল নিয়ে আইনি লড়াই, চার বছর পর শপথ নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান
ভোটের ফল নিয়ে আইনি লড়াই, চার বছর পর শপথ নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ক্ষমতায় থাকা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ক্ষমতায় থাকা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: শামা ওবায়েদ
নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: শামা ওবায়েদ

৪১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত ২
সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত ২

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল
খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল

৪৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

৫৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে
দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া
১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে
হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ
উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি
বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন
গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ
চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান
কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি
ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’
তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?
সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান
সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

সংশোধন
সংশোধন

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে