শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৪৬, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

রডের দাম হঠাৎ বাড়ল কার স্বার্থে

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
রডের দাম হঠাৎ বাড়ল কার স্বার্থে

দেশের বাজারে হঠাৎ করে বেড়েছে রডের দাম। নির্মাণশিল্পের অন্যতম প্রধান কাঁচামালটির মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসন, অবকাঠামো খাতের ব্যবসায়ীরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। এর ফলে শুধু ব্যবসা নয়, সরকারের অবকাঠামোগত উন্নয়নও ব্যাহত হতে পারে।

আবাসন ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইরান যুদ্ধ ইস্যু করে এ খাতের ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রডের দাম বাড়াতে শুরু করেছেন। গতকাল সোমবার এক দিনেই সেটা টনপ্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকা বেড়ে গেছে। অন্যদিকে রি-রোলিং মিল মালিকরা বলছেন, বর্তমান বাজারে সিন্ডিকেটের সুযোগ নেই। যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনে জাহাজ কোম্পানিগুলো বীমা দাবি না থাকায়, ইস্পাত ও সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামালের মূল্য ১৩০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি করেছে। ফলে স্থানীয় বাজারে প্রভাব পড়ছে এবং দাম বাড়ছে।

তবে সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি সংকটে আছে জ্বালানি খাত। সেখানে কিন্তু জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি সরকার। অথচ কম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও রডের দাম হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া ভালো ইঙ্গিত বহন করে না। তাছাড়া বাজারে যে রড আছে, সেটাতে তো মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব পড়ার কথা নয়।

গত রাতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, তিনি অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন। সরকার সবসময় জনস্বার্থের পক্ষে থাকবে এবং জনস্বার্থ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেই পদক্ষেপ নেবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিছুদিন আগেও যে রডের দাম ছিল প্রতি টন ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা, সেই রড গতকাল বিক্রি হয়েছে টনপ্রতি ৯০ থেকে ৯১ হাজার টাকায়। বাজারে প্রতি টন সিএসআরএম রডের দাম গতকাল ছিল ৮৪ হাজার, আনোয়ার ইস্পাতের ৯০ হাজার, কেএসআরএম, আকিজের মতো কোম্পানির রডের দাম ৯১ হাজার এবং রহিম স্টিলের রড ৮৭ হাজার টাকা বা তারও বেশি।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্ক্র্যাপের দামও ঊর্ধ্বমুখী, যা স্থানীয় ইস্পাত শিল্পের উৎপাদন খরচ বাড়াচ্ছে। কয়লা, পেটকোক ও ক্লিংকারের দাম বাড়ার কারণে সিমেন্টের উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে। পাশাপাশি কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বৃদ্ধি আমদানিনির্ভর শিল্পগুলোর জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। এসব মিলিয়ে নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামালের ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, উৎপাদন খরচ বাড়ছে এবং সামগ্রিকভাবে শিল্পে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাজারসংশ্লিষ্ট ও বিশ্লেষকরা বলছেন, সামগ্রিকভাবে রডের মূল্যবৃদ্ধির জন্য স্থানীয় মিল-মালিকদের দায়ী করা হলেও আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব এ ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। বর্তমানে বাজারে যেকোনো পণ্যে ত্রিমুখী চাপ লক্ষ করা যাচ্ছে। বিশেষ করে নির্মাণসামগ্রীর ক্ষেত্রে জ্বালানি, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডিং (আন্তর্জাতিকভাবে পণ্য পরিবহন), কাঁচামাল প্রাপ্তি এবং স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে উৎপাদন খরচের চাম বেড়েছে। এতে আগামী দিনে বাংলাদেশের নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে ধীরগতি বা মন্দা দেখা দিতে পারে।

জানা গেছে, করোনাকালে বিশ্বব্যাপী স্ক্র্যাপের সংকটের সময় বাংলাদেশে প্রিমিয়াম গ্রেডের রডের দাম টনপ্রতি সর্বোচ্চ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। পরে বিশ্ব জুড়ে মন্দা ও স্থানীয় বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় গত বছর রডের দাম ৭০-৮০ হাজার টাকায় নেমে আসে।

আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আবাসন ব্যবসা। এখন হঠাৎ করে রডের দাম বেড়েছে। এর কোনো যুক্তিসংগত কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। ইরান যুদ্ধের প্রভাব তো রড উৎপাদনে আরও পরে পড়ার কথা। এই মুহূর্তে অকারণে রডের দাম বাড়ার কোনো সিন্ডিকেটের কারসাজি কি না, সেটাও বোঝা যাচ্ছে না। গতকাল সোমবার রাতে তিনি এসব কথা বলেন। লিয়াকত আলী ভূঁইয়া ব্রিক ওয়ার্কস লিমিটেডের চেয়ারম্যানও।

আলাপকালে তিনি আরও বলেন, এ অবস্থা থেকে উত্তরণে নতুন সরকারকে বাজার মনিটরিং করতে অনুরোধ করব। সেখানে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। সরকার চাইলে রিহ্যাব, এফবিসিসিআই ও রড ব্যবসায়ী সমিতিকে সঙ্গে নিয়ে মনিটরিং করতে পারে। মনিটরিং ছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনো বিকল্প নেই। আর এ বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আবাসন ব্যবসায় আবার দুর্দিন নেমে আসতে পারে।

লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, দেশের অর্থনীতিতে আবাসন খাত বড় ভূমিকা পালন করে। অর্থনীতি গতিশীল রাখতে সরকার আশা করি এ খাতে গুরুত্ব দেবে। এ খাতে ৪০ লাখ শ্রমিক সরাসরি কাজ করে। লিংকেজ প্রতিষ্ঠানসহ সব মিলিয়ে এক কোটির বেশি শ্রমিক এ খাতে জড়িত। হঠাৎ রডের দাম বাড়লে শ্রমিক-মালিক সবাই ক্ষতির মুখে পড়বে।

তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে এ খাত বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এখানে ব্যবসা খারাপ হলে অর্থনীতিতে বড় প্রভাব পড়বে। ইরান যুদ্ধসহ সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে ব্যবসায়ীদের অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। যে কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণের আবেদন করা হবে। মঙ্গলবার (আজ) আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা আবেদনটি জমা দেব। সরকার অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এ খাতের দিকে নজর দেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

রডের দাম বাড়ার বিষয়ে রহিমা ইস্পাত লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. সাইফুর রহমান খোকন বলেন, দেশের ইস্পাত শিল্প দীর্ঘদিন থেকে মন্দার কবলে রয়েছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যবসায়ীরা আশায় ছিলেন বাজার ভালো হবে। সে হিসেবে ডিসেম্বরের শেষদিকে রডের দাম কিছুটা বাড়তে শুরু করে। তবে, সম্প্রতি ইরান যুদ্ধের কারণে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য পরিবহনে ব্যাপক অস্থিরতা বিরাজ করছে। বীমা কোম্পানিগুলো কোনো বীমা করতে রাজি হচ্ছে না। ফলে জাহাজ কোম্পানি অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য পরিবহন করছে। এখন কোনো একটি পক্ষ যদি ব্যবসায়ীদের দায়ী করে সেটি সঠিক বলে আমি মনে করি না। বিষয়টি সরকারের নজরদারিতে থাকা দরকার। কারণ, বিশ্ববাজারের সঠিক চিত্র সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা না হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি চলতে থাকবে।

সৌজন্যে : দেশ রূপান্তর

এই বিভাগের আরও খবর
১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি
১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল
এপ্রিলের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স এলো প্রায় ১২২ কোটি ডলার
এপ্রিলের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স এলো প্রায় ১২২ কোটি ডলার
এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো দুইটি জাহাজ
এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো দুইটি জাহাজ
ব্যাংক রেজোল্যুশন বিল পাস, পুরোনো শেয়ারধারীদের ফেরার সুযোগ
ব্যাংক রেজোল্যুশন বিল পাস, পুরোনো শেয়ারধারীদের ফেরার সুযোগ
ডিএসইতে লেনদেন বেড়ে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়াল
ডিএসইতে লেনদেন বেড়ে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়াল
অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা
অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা
ভারত থেকে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
ভারত থেকে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
সোনালি মুরগির দাম হু হু করে বাড়ছে কেন?
সোনালি মুরগির দাম হু হু করে বাড়ছে কেন?
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সর্বশেষ খবর
শহীদ হারুনের পরিবারকে বাড়ি উপহার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
শহীদ হারুনের পরিবারকে বাড়ি উপহার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা
মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

১১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে খুন, গ্রেফতার ২
কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে খুন, গ্রেফতার ২

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ১১২
ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ১১২

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউরোপের শীর্ষে লিগে পুরুষ দলে প্রথম নারী প্রধান কোচ
ইউরোপের শীর্ষে লিগে পুরুষ দলে প্রথম নারী প্রধান কোচ

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১
মাদারীপুরে চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে নির্মিত হচ্ছে ৩৮ ফুটওভার ব্রিজ
চট্টগ্রামে নির্মিত হচ্ছে ৩৮ ফুটওভার ব্রিজ

১৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে কোস্টগার্ডের দুটি বিশেষ অভিযান শুরু
সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে কোস্টগার্ডের দুটি বিশেষ অভিযান শুরু

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালি ঘিরে বড় ঘোষণা ট্রাম্পের, জাহাজ চলাচলে অবরোধের হুঁশিয়ারি
হরমুজ প্রণালি ঘিরে বড় ঘোষণা ট্রাম্পের, জাহাজ চলাচলে অবরোধের হুঁশিয়ারি

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিংড়ায় আন্তঃস্কুল বিতর্ক ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
সিংড়ায় আন্তঃস্কুল বিতর্ক ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলাপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা গুরুতর আহত
কলাপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা গুরুতর আহত

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন দলের গোলরক্ষক রাফিজকে সংবর্ধনা
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন দলের গোলরক্ষক রাফিজকে সংবর্ধনা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কী পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছেন আশা ভোঁসলে, কে উত্তরাধিকারী
কী পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছেন আশা ভোঁসলে, কে উত্তরাধিকারী

৪২ মিনিট আগে | শোবিজ

ক্ষমা চাইলেও ম্যান সিটির বিপক্ষে নেই ফার্নান্দেজ
ক্ষমা চাইলেও ম্যান সিটির বিপক্ষে নেই ফার্নান্দেজ

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সিলেটে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
সিলেটে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

৪৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গুরুদাসপুরে কলেজের ঠিকানায় কাফনের কাপড়, আতঙ্কে দুই অধ্যাপক
গুরুদাসপুরে কলেজের ঠিকানায় কাফনের কাপড়, আতঙ্কে দুই অধ্যাপক

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়াসহ সকল শ্রমবাজার সচলে সরকার কাজ করছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
মালয়েশিয়াসহ সকল শ্রমবাজার সচলে সরকার কাজ করছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

৫৫ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মুরগি বিতরণ
গাইবান্ধায় দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মুরগি বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন
সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইমনের বদলি হিসেবে লাহোর কালান্দার্সে আসালাঙ্কা
ইমনের বদলি হিসেবে লাহোর কালান্দার্সে আসালাঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাঙ্গলকোটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
নাঙ্গলকোটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ২ ঘর
মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ২ ঘর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশার জীবনের অজানা অধ্যায়
ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশার জীবনের অজানা অধ্যায়

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ করতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী
আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ করতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড
'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি
১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ
সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কুলে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের নির্দেশ
স্কুলে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের নির্দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের আগে নেইমারকে দুই মাসের সময় দিলেন আনচেলত্তি
বিশ্বকাপের আগে নেইমারকে দুই মাসের সময় দিলেন আনচেলত্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়