শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:৩৩, শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০২:৪৬, শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

যুদ্ধে অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
যুদ্ধে অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন এক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বাড়ার ফলে দেশের মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ কমে যাওয়া, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি কমে যাওয়ার ঝুঁকিও দেখা দিয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সামষ্টিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত ‘ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুক, ফেব্রুয়ারি ২০২৬’ প্রতিবেদনে অর্থনীতির কিছু সূচকে সামান্য স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত মিললেও রাজস্ব আয়, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন ব্যয়ের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংঘাতের প্রভাব যুক্ত হলে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন জিইডির সদস্য (সচিব)

ড. মনজুর হোসেন বলেন, নতুন সংকট হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট। লম্বা সময় ধরে যুদ্ধ চলতে থাকলে সংকটগুলো দেখা দেবে। ফলে মাইক্রো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ভেঙে পড়তে পারে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

মূল্যস্ফীতিতে নতুন চাপের শঙ্কা : বর্তমানে দেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা এখনো স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত চার মাসে টানা বৃদ্ধির পর মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী সাধারণ মানুষকে জীবন ধারণে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হচ্ছে। যার কারণে ঋণ করে চলতে হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়তে পারে। এতে পরিবহন ব্যয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ এবং শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যয় বাড়বে।

এসবের সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরো বাড়বে।

বিনিয়োগে দুর্বলতা : দেশের অর্থনীতিতে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি এরই মধ্যে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কম হওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়লে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আরো সতর্ক হয়ে উঠতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে নতুন কারখানা স্থাপন বা উৎপাদন সম্প্রসারণে উদ্যোক্তারা আগ্রহ হারাতে পারেন। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়।

রাজস্ব ঘাটতিতে বাড়ছে চাপ : চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২.৯ শতাংশ, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৪.৫ শতাংশ। বাকি সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে ৫৯.৪ শতাংশ হারে রাজস্ব আদায় করতে হবে, যা বাস্তবে সম্ভব নয়।

বর্তমানে রাজস্ব ঘাটতি প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। রাজস্ব আদায় কম হওয়ায় সরকারকে ব্যাংক খাতের ওপর বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ৫৯ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। বিপরীতে ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার ফলে আর্থিক খাতে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহও কমে যাচ্ছে। একই সময় মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিলে মূল্যস্ফীতির ওপর আরো চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ বাংলাদেশের জ্বালানির বড় অংশ ওই অঞ্চল থেকে আমদানি করা হয়।

উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি : উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও উদ্বেগজনক ধীরগতি দেখা গেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার মাত্র ২০ থেকে ২১ শতাংশের মধ্যে রয়েছে, যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

প্রকল্প প্রস্তুতিতে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ার জটিলতা এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি এর প্রধান কারণ। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও কাঁচামালের দাম বাড়লে বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর ব্যয় আরো বাড়তে পারে, যা বাস্তবায়নের সময়ও দীর্ঘায়িত করতে পারে।

বৈদেশিক খাতে মিশ্র পরিস্থিতি : বৈদেশিক খাতে মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে। তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে এবং প্রবাস আয়ও স্থিতিশীল রয়েছে। জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার। একই সময় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে রেমিট্যান্স প্রবাহেও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত থাকায় ওই অঞ্চলের শ্রমবাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে প্রবাস আয়ের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

এ বিষয়ে আরএমজি সেন্টারের সভাপতি মেহেদী মাহবুব বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ অঞ্চল বাংলাদেশের রেমিট্যান্স ও শ্রমবাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধ তীব্র হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি দুর্বল হতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের বিনিয়োগ ও রপ্তানিতে। বিশেষ করে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে তেলের দাম বাড়লে আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বাড়বে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, সেখানে অস্থিরতা বাড়লে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে। পাশাপাশি আকাশপথ বন্ধ হলে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যয় বাড়বে এবং বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, যুদ্ধ স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি—যে পরিস্থিতিই হোক না কেন, অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবেলায় সরকার পরিকল্পনা করছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজস্ব ব্যবস্থায় সংস্কার, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো, বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে কর ও শুল্ক কমানোর মতো নীতিগত উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশের অর্থনীতিতে কিছু সূচকে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত থাকলেও ভেতরে ভেতরে একাধিক ঝুঁকি জমা হচ্ছে। রাজস্ব ঘাটতি, বিনিয়োগে দুর্বলতা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের ধীরগতি এরই মধ্যে অর্থনীতিকে চাপে রেখেছে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংঘাতের অভিঘাত যুক্ত হলে মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে দ্রুত ও কার্যকর নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় আন্তর্জাতিক অস্থিরতার ধাক্কায় দেশের অর্থনীতি আবারও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/কেএ

এই বিভাগের আরও খবর
অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা
অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা
ভারত থেকে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
ভারত থেকে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
সোনালি মুরগির দাম হু হু করে বাড়ছে কেন?
সোনালি মুরগির দাম হু হু করে বাড়ছে কেন?
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
৩৪.৬৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
৩৪.৬৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম
কমতে পারে প্রবৃদ্ধি বাণিজ্য ও আয়
কমতে পারে প্রবৃদ্ধি বাণিজ্য ও আয়
১৫ এপ্রিলের মধ্যে এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ
১৫ এপ্রিলের মধ্যে এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ
২০২৬-এর শুরুতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য উন্নতি : জিইডি
২০২৬-এর শুরুতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য উন্নতি : জিইডি
দেশে জ্বালানি মজুত আছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪ টন
দেশে জ্বালানি মজুত আছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪ টন
সর্বশেষ খবর
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ
ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ

৪৯ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন
বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার
কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ
বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি
সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি

১৮ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা
নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক
দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন
গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন
বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

৫১ মিনিট আগে | শোবিজ

২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ
টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত
মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’
নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন
খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল
নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ
রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার
বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা
সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে
এবার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কৃষককে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে’
‘কৃষককে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে’

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা