শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৪৮, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা

মামুন রশীদ
অনলাইন ভার্সন
অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা

আমরা জানি, একটি জাতীয় বাজেট কেবল আর্থিক পরিকল্পনা নয়; এটি রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতিফলনও বটে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট এমন এক সংকটময় সময়ে আসছে, যখন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা, আয় ঘাটতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত দুর্বলতা একসঙ্গে কাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটে আসছে বাজেটটিকে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

সমগ্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, জাতীয় পুঁজি বিকাশের জন্য বাজেটটিতে একটি বিশ্বাসযোগ্য রূপরেখা উপস্থাপন চ্যালেঞ্জ হবে।

এরই মধ্যে রাজস্ব বাড়ানোর কথা জোরালোভাবে বলা হলেও অনেক প্রস্তাবই খাপছাড়া, যেন ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসকে জবাই করা’। এ ধরনের নীতি দেশের অর্থনীতির স্বাভাবিক গতিপথ নিশ্চিত করতে পারবে না।

সম্ভাব্য আট লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকার বাজেটের আকার বর্তমান বাস্তবতায় উচ্চাভিলাষী। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা প্রায় ছয় লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা, যা মূলত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওপর নির্ভরশীল।

কিন্তু গত চার অর্থবছরে প্রশাসনিক দুর্বলতা, অস্বচ্ছ করনীতি এবং করদাতাদের আস্থাহীনতার কারণে এনবিআর ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। কর সংগ্রহে প্রযুক্তির ব্যবহার কিংবা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার এখনো দেখা যায় না। বরং মধ্যবিত্ত ও পেশাজীবীদের ওপর করের চাপ বাড়িয়ে তাদের ক্রয়ক্ষমতা আরো কমিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

ব্যয় খাতে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) দুই লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখার কথা চলছে।

অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাস্তবায়ন দুর্বলতা এর কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। এডিপি বাস্তবায়নের হার দীর্ঘদিন ধরে ৬৫ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং প্রকল্প ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি ফুট ওভারব্রিজের ব্যয় ঢাকার অভিজাত এলাকায় চারতলা ভবনের সমান, যা উন্নয়ন ব্যয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

মুদ্রাস্ফীতি এখন সবচেয়ে বড় সামাজিক চ্যালেঞ্জ। সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশেরও বেশি। নিম্নমধ্যবিত্ত শহুরে পরিবার ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠছে। অথচ বাজেটে এ বিষয়ে কোনো সাহসী ও অভিনব উদ্যোগের আলোচনা নেই। নেই নগর রেশনিং ব্যবস্থা, ভর্তুকিযুক্ত গণপরিবহন কিংবা আবাসন সহায়তাও। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর বরাদ্দ কিছুটা বাড়লেও মাথাপিছু হিসাবে তা এখনো অপর্যাপ্ত এবং এর গুণগত মান ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান—যা অর্থনীতির প্রকৃত চালিকাশক্তি, সেগুলো নিয়ে বাজেটে এ পর্যন্ত আশাবাদী বক্তব্য থাকলেও কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। কর প্রণোদনা ও একক সেবা বা সিঙ্গল উইন্ডো ব্যবস্থার কথা বলা হলেও বিনিয়োগকারীদের বাস্তব সমস্যাগুলো, জমির জটিলতা, আমলাতান্ত্রিক বাধা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক খাতের তারল্য সংকট অনেক দিন ধরে অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ব্যাংক থেকে সরকারের অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণে বেসরকারি খাত, বিশেষ করে এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থপ্রবাহ সংকুচিত করতে পারে। রপ্তানিমুখী খাতে কিছু কর সুবিধা থাকলেও ডলার সংকট ও এলসি জটিলতা বিনিয়োগ নিরুৎসাহ করছে।

ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের অভাবই সম্ভবত সবচেয়ে বড় ঘাটতি। খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ছয় লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে বিতর্ক চলছে। সুশাসন ঘাটতির খবর শিরোনাম হচ্ছে, তবু কোনো কার্যকর সমাধান নেওয়া হয়নি। অথচ শক্তিশালী ব্যাংকিং খাত ছাড়া অর্থনীতিতে তারল্য ও সুদের হার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব নয়।

বহিঃখাতেও ঝুঁকি রয়ে গেছে। রপ্তানি আয় স্থবির, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনো ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে। রেমিট্যান্স কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু কাঠামোগত দুর্বলতা ও অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের কারণে সম্ভাবনার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট প্রবাসী শ্রমবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে একটি মৌলিক প্রশ্ন উঠে আসে—এত বড় ও উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন কিভাবে সম্ভব? বাজেট তখনই সফল হয়, যখন তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। বর্তমানে অর্থনীতি উচ্চমাত্রার সরকারি ঋণ, বেসরকারি খাতে ঋণ সংকোচন, স্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং দুর্বল সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার চাপের মধ্যে রয়েছে।

এই সময়ে বাজেটটি একটি রূপান্তরমূলক দলিল হতে পারত কিংবা এখনো সম্ভাবনা আছে, যেখানে প্রশাসনিক সংস্কার, শৃঙ্খলাবদ্ধ বাস্তবায়ন এবং জন-আস্থা পুনরুদ্ধারের সুস্পষ্ট বার্তা থাকবে। কিন্তু বাস্তবে এটি অনেকটা সংখ্যার সমষ্টি ও প্রতিশ্রুতির তালিকায় পরিণত হয়েছে, যেখানে কাঠামোগত পরিবর্তনের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা হয়তো অনুপস্থিত থেকেই যাবে।

বাংলাদেশের এখন প্রয়োজন একটি সমন্বিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক কৌশল, যা তথ্যনির্ভর ও বাস্তবমুখী; যেখানে অগ্রাধিকার পাবে বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি, কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা, প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতা এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা। দারিদ্র্য মোকাবেলায় বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিকল্প নেই। আর তা নিশ্চিত করতে হলে করহার কমিয়ে করের আওতা বাড়াতে হবে, যার জন্য প্রয়োজন সাহসী নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা।

মামুন রশীদ : অর্থনীতি বিশ্লেষক ও ফাইন্যান্সিয়াল এক্সিলেন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান

এই বিভাগের আরও খবর
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
গ্রামীণ শিল্পের জন্য হাজার কোটি টাকার ‘গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড’ বরাদ্দ
গ্রামীণ শিল্পের জন্য হাজার কোটি টাকার ‘গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড’ বরাদ্দ
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি
সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি
আকুর বিল পরিশোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ
আকুর বিল পরিশোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ
ডিএসইতে সূচকের পতন
ডিএসইতে সূচকের পতন
বিনিয়োগ আকর্ষণে কর্পোরেট কর কমানোর দাবি ব্যবসায়ীদের
বিনিয়োগ আকর্ষণে কর্পোরেট কর কমানোর দাবি ব্যবসায়ীদের
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
চলতি মাসে ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৩ কোটি ডলার
চলতি মাসে ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৩ কোটি ডলার
কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা
কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা
ঋণ পুনঃতফসিলে কমছে খেলাপি ঋণ
ঋণ পুনঃতফসিলে কমছে খেলাপি ঋণ
সর্বশেষ খবর
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার

৫৮ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

৪২ মিনিট আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ
বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি
শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩
শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা
শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মিথ্যা তথ্য শান্তির পথে বড় বাধা’
‘রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মিথ্যা তথ্য শান্তির পথে বড় বাধা’

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী জাহাজ থেকে ডিজেল পাচার, গ্রেফতার ৯
কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী জাহাজ থেকে ডিজেল পাচার, গ্রেফতার ৯

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল
চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন
এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন

নগর জীবন

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির

প্রথম পৃষ্ঠা

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম