শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:২৩, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

‘অর্থকষ্টে’ সরকার!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
‘অর্থকষ্টে’ সরকার!

কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আয় নেই। ফলে বাড়ছে ঘাটতির অঙ্ক। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল—আইএমফের ঋণের কিস্তিও সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না শর্ত পূরণে ব্যর্থতায়। সরকারের তহবিলে ‘হাতখুলে’ খরচের টাকা নেই। তাই ধারকর্জই এখন ভরসা।

এরই মধ্যে ব্যাংক থেকে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ নেওয়া হয়ে গেছে। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছেও চাওয়া হয়েছে সোয়া তিন বিলিয়ন ডলারের ঋণ। এদিকে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম লাগামহীন বাড়তে থাকায় সরকারের পক্ষে বেশি দামে জ্বালানি কিনে কম দামে বিক্রির সুযোগ কমে আসায় বাধ্য হয়ে দেশের বাজারেও দাম বাড়াতে হয়েছে।

এরই মধ্যে আসছে নতুন অর্থবছরের জন্য উচ্চাভিলাষী বাজেটের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কিন্তু আয় না থাকলেও ঠিকই সরকারকে খরচ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশি-বিদেশি ঋণের সুদও দিতে হচ্ছে কড়ায়গণ্ডায়। তথ্য-উপাত্ত বলছে, সব মিলিয়ে সরকার ‘মধ্যবিত্তের সংসার’ চালানোর মতো এখন অনেকটাই ‘অর্থকষ্টে’ আছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড—এনবিআরের চলতি অর্থবছরের আট মাসের তথ্য বলছে, রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এই সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন লাখ ২৫ হাজার ৮০২ কোটি টাকা, কিন্তু আদায় হয়েছে মাত্র দুই লাখ ৫৪ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা, অর্থাৎ প্রায় ২২ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে রাজস্ব আয়। বাকি চার মাসে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা আদায়ের প্রয়োজন হলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এখন পর্যন্ত কোনো মাসেই ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হয়নি। অথচ লক্ষ্য পূরণে প্রতি মাসে ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আদায় করার কথা।

আয়কর, ভ্যাট ও আমদানি শুল্ক—তিনটি প্রধান খাতেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। বিশেষ করে আয়কর খাতে বড় ঘাটতি দেখা গেছে। করদাতাদের বড় অংশ এখনো কর নেটের বাইরে রয়েছে। প্রায় এক কোটি ২৮ লাখ টিআইএন-ধারীর মধ্যে মাত্র ৪৬ লাখ রিটার্ন জমা দিয়েছেন, যা কর ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে। এর বাইরেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আমদানি শুল্ক না পাওয়া, ব্যবসা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের স্লথগতির জন্য ভ্যাট আদায় কম হওয়ার কারণেও এর প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আয়ে।

কিন্তু মধ্যবিত্ত পরিবারের মতো সরকারের আয় কমে গেলেও খরচ ঠিকই করতে হচ্ছে। রাষ্ট্রের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানান খাতে কৃচ্ছ্রসাধনের পরও মোটা টাকাই খরচ হয়। যেহেতু রাজস্ব আয় ঠিকমতো হচ্ছে না, তাই সরকার বাধ্য হয়েই ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ধার করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ঘাটতি মেটাতে সরকার ক্রমেই ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। অর্থবছরের ৯ মাসেই ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ প্রায় এক লাখ ৯ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। শুধু জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই তিন মাসেই নেওয়া হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বেসরকারি খাত ঋণ পাবে না। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানও হবে না। পরিণামে তা জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার আরো কমিয়ে দেবে।

শুধু সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস্য থেকেই ঋণ নিচ্ছে তা নয়; ইআরডি বলছে, বর্তমানে দেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ ২৩ লাখ কোটি টাকার বেশি। এমন অবস্থায়ও নতুন করে প্রায় ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি বিদেশি ঋণ চাওয়া হয়েছে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে।

অথচ আয় না থাকলেও এসব ঋণ সময়মতোই শোধ করতে হচ্ছে সরকারকে। সূত্র জানায়, আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হবে, যা অতীতের তুলনায় অনেক বেশি।

আইএমএফ থেকে সরকার ৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিলেও এখন সংস্থাটি শর্ত পূরণের ব্যর্থতাকে ইঙ্গিত করে পরবর্তী কিস্তি নিয়ে টালবাহানা করছে। ওয়াশিংটনে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সংস্থাটি নিশ্চয়তা দেয়নি নতুন কিস্তি ছাড়ের। এর ফলে বাজেট বাস্তবায়নে আরো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হলো। যদিও সরকার বারবারই বলছে, আপাতত জ্বালানির দাম বাড়াবে না। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ক্রমাগত বাড়তি দামে জ্বালানি কিনে দাম কম দামে ভোক্তার কাছে বিক্রির কারণে সরকারকে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এটিই কমিয়ে আনতে চাপ দিচ্ছিল আইএমএফ। এখন সরকারের যেহেতু বাজেট বাস্তবায়ন ঝুঁকিতে এবং দেশ চালাতে টাকার প্রয়োজন। তাই সাতপাঁচ না ভেবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে। এটি কিছুটা হলেও সরকারকে আর্থিকভাবে স্বস্তি দেবে। তবে তা সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা, যা পরিণামে সরকারের আরেক মাথাব্যথার কারণ হতে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন।

এ অবস্থায় সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সোয়া ৯ লাখ কোটি টাকার বেশি আকারের বাজেট প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, নতুন বেতন-কাঠামো এবং ভর্তুকি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বাজেটের আকার বড় হচ্ছে। তবে রাজস্ব আয় সেই হারে না বাড়ায় বাজেট ঘাটতি জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক।

ব্যয়ের বড় অংশই এখন ঋণের সুদ ও ভর্তুকিতে চলে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে সুদ পরিশোধে বরাদ্দ ছিল প্রায় এক লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা, যা আগামী বছর আরো বাড়তে পারে। জ্বালানি খাতে ভর্তুকিও বাড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি, যা সামগ্রিক ব্যয়চাপকে আরো তীব্র করছে।

ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সঠিক নীতি গ্রহণ না করলে দেশ ঋণের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে। তারা রাজস্ব আয় বাড়ানো, করব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, কর ফাঁকি রোধ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প বাছাইয়ে সতর্কতা এবং ব্যয়ের অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর জোর দিচ্ছেন।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সরকার যদি এ রকম ব্যাংক থেকে ঋণ বেশি নেয়, সেটা কিন্তু আলটিমেটলি রাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এত যে ঋণ নিচ্ছে, তা পরিশোধ করা নিয়েও দেখা যাবে যে সরকার সংকটে পড়ে গেছে।

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা যাতে একটা ঋণ ফাঁদের মধ্যে না পড়ি, এটা মূল টার্গেট হতে হবে এই সরকারের। বোঝলাম যে এখন তাদের জ্বালানিসহ বিভিন্ন কারণে ঋণ নিতে হচ্ছে। বিভিন্ন কিছু সামাল দিতে হচ্ছে। তাদের ইলেকশনে দেওয়া আশ্বাস যেগুলো আছে, সেগুলো বাস্তবায়নে তাদের একটা বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে সম্পদ আহরণ, রাজস্ব কিভাবে আমরা বৃদ্ধি করতে পারি, সেদিকে।’

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রদান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চাপে স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের চাহিদা বাড়লেও শুধু ঋণ নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য ব্যালান্স অব পেমেন্টসহ সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর কোথায় কী চাপ তৈরি হচ্ছে, তার স্পষ্ট মূল্যায়ন জরুরি। তিনি জানান, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় কমা ও রেমিট্যান্স ঝুঁকির কারণে চাপ বাড়ছে। একই সঙ্গে রাজস্ব ঘাটতি, ভর্তুকি বৃদ্ধি ও সামাজিক ব্যয়ও বাড়বে। এসব মোকাবেলায় সমন্বিত সংকট ব্যবস্থাপনা, সংস্কার অব্যাহত রাখা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত সহায়তা প্রয়োজন।

সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি
সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি
আকুর বিল পরিশোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ
আকুর বিল পরিশোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ
ডিএসইতে সূচকের পতন
ডিএসইতে সূচকের পতন
বিনিয়োগ আকর্ষণে কর্পোরেট কর কমানোর দাবি ব্যবসায়ীদের
বিনিয়োগ আকর্ষণে কর্পোরেট কর কমানোর দাবি ব্যবসায়ীদের
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
চলতি মাসে ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৩ কোটি ডলার
চলতি মাসে ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৩ কোটি ডলার
কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা
কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা
ঋণ পুনঃতফসিলে কমছে খেলাপি ঋণ
ঋণ পুনঃতফসিলে কমছে খেলাপি ঋণ
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম
জানুয়ারি থেকে এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি দ্বিগুণ, রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ৩ শতাংশ
জানুয়ারি থেকে এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি দ্বিগুণ, রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ৩ শতাংশ
সংকটে ব্যবসা, চাপে ভোক্তা
সংকটে ব্যবসা, চাপে ভোক্তা
সর্বশেষ খবর
শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম
শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম

২৮ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সূর্যবংশীকে ভারতের টেস্ট দলে দেখতে চান অশ্বিন
সূর্যবংশীকে ভারতের টেস্ট দলে দেখতে চান অশ্বিন

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সমন্বয়হীন খোঁড়াখুঁড়িতে দুর্ভোগ
সমন্বয়হীন খোঁড়াখুঁড়িতে দুর্ভোগ

৩০ মিনিট আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১১ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১১ মে ২০২৬

৩৬ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ মে)

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সারাদেশে টিসিবির ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু আজ
সারাদেশে টিসিবির ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু আজ

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৬ ঘণ্টা আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
টানা ৬ ঘণ্টা আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের আগে মলিনাকে নিয়ে দুঃসংবাদ
বিশ্বকাপের আগে মলিনাকে নিয়ে দুঃসংবাদ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুটিংয়ে গুরুতর আহত জনপ্রিয় অভিনেতা, ফেটে গেছে হাড়
শুটিংয়ে গুরুতর আহত জনপ্রিয় অভিনেতা, ফেটে গেছে হাড়

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫১
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন
মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা
প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা

৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫
তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার
ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল
সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ
প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো
বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল
গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন
হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা
রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়
শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট
ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে
বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?
ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান
উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে
৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান
যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়
শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩
পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা
উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি
হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’
‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান
টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’
‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান
ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে ১৩ বলের ফিফটিতে উর্ভিলের রেকর্ড
আইপিএলে ১৩ বলের ফিফটিতে উর্ভিলের রেকর্ড

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প
বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট
হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

ভক্তদের মাঝে হামজা
ভক্তদের মাঝে হামজা

মাঠে ময়দানে

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে

অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি
অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা