শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:১৮, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:২৬, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে ফের অস্বস্তি নেমে এসেছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ইউরোপীয় বাজারে চাহিদা হ্রাস, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানিসংকটের কারণে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় কমেছে ২.৮২ শতাংশ। দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এই খাত এখন বহুমুখী সংকটে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত বছর জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে মোট আয় হয়েছে তিন হাজার ১৭২ কোটি ডলার। এর মধ্যে নিটওয়্যার খাতে রপ্তানি কমেছে ৩.৬৮ শতাংশ এবং ওভেন খাতে কমেছে ১.৮৩ শতাংশ। বিশেষ করে প্রধান বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) রপ্তানি ৪.৩৮ শতাংশ কমে যাওয়ায় পুরো খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় অর্ধেক ইইউভুক্ত দেশগুলোতে যায়। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এই অঞ্চলে রপ্তানি হয়েছে এক হাজার ৫৫৪ কোটি ডলারের পোশাকপণ্য। কিন্তু ইউরোপে দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক ধীরগতি, মূল্যস্ফীতি এবং ভোক্তাদের ব্যয় সংকোচনের কারণে পোশাকের চাহিদা কমে গেছে। ফলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতারা নতুন অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের অনেক দেশে এখনো জীবনযাত্রার ব্যয় উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। খাদ্য, জ্বালানি ও বাসাভাড়ার বাড়তি চাপের কারণে সাধারণ মানুষ পোশাকসহ অপ্রয়োজনীয় পণ্যে ব্যয় কমিয়ে দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের মতো রপ্তানিনির্ভর দেশের ওপর।

এদিকে শুধু ইউরোপ নয়, অপ্রচলিত বা নন-ট্র্যাডিশনাল বাজারেও রপ্তানি কমেছে। গত ১০ মাসে এসব বাজারে রপ্তানি আয় ৫.৮৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৬ কোটি ডলারে। যদিও অপ্রচলিত বাজারগুলো বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৬ শতাংশের ভোক্তা, তবু সেখানে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি আসেনি। তবে কিছুটা ইতিবাচক দিকও রয়েছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের বাজারে সামান্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়ে ৬২৯ কোটি ডলার, কানাডায় ১০৯ কোটি ডলার এবং যুক্তরাজ্যে ৩৬৪ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু এই প্রবৃদ্ধি ইউরোপীয় বাজারের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ সংকটও পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। বর্তমানে পোশাকশিল্পের সবচেয়ে বড় সমস্যা উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি।

গত কয়েক বছরে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং ব্যাংকঋণের সুদহার বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডলার সংকটের কারণে আমদানিনির্ভর কাঁচামাল কিনতেও অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে। সুতা, কাপড়, রাসায়নিক ও অন্যান্য উপকরণের দাম বাড়ায় অনেক কারখানার উৎপাদন ব্যয় আগের তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে।

কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতারা আগের তুলনায় বেশি দাম দিতে রাজি নন। বরং তাঁরা কম মূল্যে পণ্য কিনতে চাচ্ছেন। ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও রপ্তানিকারকরা পণ্যের দাম বাড়াতে পারছেন না। এতে অনেক প্রতিষ্ঠান লাভের পরিবর্তে টিকে থাকার লড়াইয়ে নেমেছে। ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোর ওপর এর চাপ সবচেয়ে বেশি পড়ছে।

একই সঙ্গে জ্বালানির সংকট পরিস্থিতিকে আরো কঠিন করে তুলেছে। শিল্পাঞ্চলগুলোয় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎবিভ্রাটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক কারখানা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারছে না। ফলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

শিল্প মালিকরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ছাড়া আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। অনেক প্রতিষ্ঠানকে বিকল্প হিসেবে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা উৎপাদন ব্যয় আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ ছাড়া জ্বালানিসংকটের কারণে উৎপাদন পরিকল্পনা বারবার পরিবর্তন করতে হওয়ায় দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতাও কমে যাচ্ছে।

পোশাকশিল্প উদ্যোক্তাদের মতে, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা দ্রুত বিকল্প উৎসর দিকে ঝুঁকে পড়ে। বর্তমানে ভিয়েতনাম, ভারত, চীন, তুরস্ক ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত প্রতিযোগী হিসেবে উঠে এসেছে। এসব দেশের অনেক কারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থা থাকায় তারা কম খরচে দ্রুত উৎপাদন করতে সক্ষম হচ্ছে।

নিট পোশাক খাতের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি ফজলে ইহসান শামীম বলেন, ‘ইউরোপে অর্থনৈতিক ধীরগতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ভোক্তাদের ব্যয় সংকোচনের কারণে পোশাকের চাহিদা কমে গেছে। এর পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র মূল্য প্রতিযোগিতাও বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরো বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনায় সহজীকরণ নিশ্চিত করা এবং ভ্যাট ও কাস্টমস খাতে দুর্নীতি কমিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।’

সব মিলিয়ে বলা চলে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। ইউরোপীয় বাজারে চাহিদা হ্রাস, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির সংকট এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা খাতটিকে বড় চাপে ফেলেছে। তবে সময়োপযোগী নীতি সহায়তা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং বাজার বৈচিত্র্যের মাধ্যমে এই খাত আবারও ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/আশিক

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী
আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী
সূচকের উত্থানে বেড়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
সূচকের উত্থানে বেড়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে : প্রশাসক জহির হোসেন
ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে : প্রশাসক জহির হোসেন
ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করলো এবিবি
ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করলো এবিবি
প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সহসাই কমবে না : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সহসাই কমবে না : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
জুনের ১৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৩৬ কোটি ডলার
জুনের ১৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৩৬ কোটি ডলার
চলতি বছরই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর আশাবাদ
চলতি বছরই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর আশাবাদ
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি
ডিএসইতে সূচকের বড় উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
ডিএসইতে সূচকের বড় উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
সর্বশেষ খবর
আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ
আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

১৬ ম্যাচের ৮টিই ড্র! ২০২৬ বিশ্বকাপে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
১৬ ম্যাচের ৮টিই ড্র! ২০২৬ বিশ্বকাপে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়ে বাড়ল অনিশ্চয়তা, পরিবারে আসছে নতুন অতিথি
নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়ে বাড়ল অনিশ্চয়তা, পরিবারে আসছে নতুন অতিথি

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া ২০ কর্মদিবসের মধ্যে জমার নির্দেশ
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া ২০ কর্মদিবসের মধ্যে জমার নির্দেশ

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি, ৫২ জনের মৃত্যু
দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি, ৫২ জনের মৃত্যু

৩০ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ
মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে এক দিনে চারটি ড্র, গড়ল বিরল ইতিহাস
৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে এক দিনে চারটি ড্র, গড়ল বিরল ইতিহাস

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মিনাব হামলায় নিহত ১৬৮ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্মরণ ইরানের
মিনাব হামলায় নিহত ১৬৮ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্মরণ ইরানের

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার
টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন
সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!
ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী
আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত ৩০
চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল
নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশুরা কবে, জানা যাবে আজ
আশুরা কবে, জানা যাবে আজ

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান
বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৩৯ বিদেশি আটক
মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৩৯ বিদেশি আটক

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ জুন ২০২৬

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচে সমতায় ফিরেছে ইরান
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচে সমতায় ফিরেছে ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে নারীকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান
রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে নারীকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে
বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট

২২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান
হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০ মিনিটেই মিলিয়নিয়ার কেপ ভার্দের গোলরক্ষক!
৯০ মিনিটেই মিলিয়নিয়ার কেপ ভার্দের গোলরক্ষক!

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও এক ড্র, শেষ মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে
আরও এক ড্র, শেষ মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’:  জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য
‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা
দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত
মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব
দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এএসআই পদে জেলাভিত্তিক শূন্য পদ প্রকাশ
এএসআই পদে জেলাভিত্তিক শূন্য পদ প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর
প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতিহাসের সামনে আর্জেন্টিনা
ইতিহাসের সামনে আর্জেন্টিনা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি প্রবেশে বাধায় তোলপাড়
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি প্রবেশে বাধায় তোলপাড়

প্রথম পৃষ্ঠা

ছাগলের পেটে তালগাছ
ছাগলের পেটে তালগাছ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নজর থাকবে জিদানপুত্রের দিকে
নজর থাকবে জিদানপুত্রের দিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আগেভাগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম
আগেভাগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম

পেছনের পৃষ্ঠা

সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ গৃহীত হয়নি
সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ গৃহীত হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ
লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ

প্রথম পৃষ্ঠা

জালিয়াতি দুর্নীতির নথি যাচ্ছে দুবাইয়ে
জালিয়াতি দুর্নীতির নথি যাচ্ছে দুবাইয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেই সেনেগাল
ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেই সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ
পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সরকারের তোষামোদ নয় সত্য তুলে ধরুন
সরকারের তোষামোদ নয় সত্য তুলে ধরুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব
ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব

পেছনের পৃষ্ঠা

সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী
সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী

সম্পাদকীয়

নরসুন্দা নদী এখন ময়লার ভাগাড়
নরসুন্দা নদী এখন ময়লার ভাগাড়

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মুখোমুখি
আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মুখোমুখি

নগর জীবন

মাদারগঞ্জের দুই যুবক রাশিয়ায় নিখোঁজ
মাদারগঞ্জের দুই যুবক রাশিয়ায় নিখোঁজ

প্রথম পৃষ্ঠা

রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের শর্ত প্রত্যাহার প্রস্তাবে উদ্বেগ
রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের শর্ত প্রত্যাহার প্রস্তাবে উদ্বেগ

শিল্প বাণিজ্য

অতিরিক্ত কর ফেরত ৬০ দিনে
অতিরিক্ত কর ফেরত ৬০ দিনে

শিল্প বাণিজ্য

বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনা থেকে বিশ্বকাপে  ইরানকুন্ডা
বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনা থেকে বিশ্বকাপে  ইরানকুন্ডা

মাঠে ময়দানে

মনে হওয়ার খেসারত
মনে হওয়ার খেসারত

সম্পাদকীয়

তালগাছ লাগানোর নামে লুটপাট
তালগাছ লাগানোর নামে লুটপাট

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের
হানি ট্র্যাপে ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাতার টাকা কোথায় খরচ যাচাই হবে
ভাতার টাকা কোথায় খরচ যাচাই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

দুই দিন বন্ধ যান চলাচল
দুই দিন বন্ধ যান চলাচল

দেশগ্রাম

প্রথম নির্মাণেই বাজিমাত
প্রথম নির্মাণেই বাজিমাত

শোবিজ

টাকা তোলা হলো মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে
টাকা তোলা হলো মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন বগি বিচ্ছিন্ন
ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন বগি বিচ্ছিন্ন

দেশগ্রাম