শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:০০, সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

দীর্ঘ বিরতির পর শেয়ারবাজার খুলছে ইরান, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
দীর্ঘ বিরতির পর শেয়ারবাজার খুলছে ইরান, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে টানা ৮০ দিন বন্ধ থাকার পর চলতি সপ্তাহে পুনরায় চালু হচ্ছে ইরানের শেয়ারবাজার।

পুনরায় শেয়ারবাজার চালুর এই ঘটনাকে যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক সংকটের চাপে থাকা দেশটির অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার মাত্রা যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরানের শেয়ার, ইক্যুইটি ফান্ড এবং ইক্যুইটি-ভিত্তিক ডেরিভেটিভস লেনদেন মঙ্গলবার ও বুধবার থেকে আবার শুরু হবে। যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং যেসব কোম্পানি বন্ধকালীন সময়ে শেয়ারহোল্ডার সভা করেছে সেগুলোর তথ্য বিনিয়োগকারীদের সামনে আনতে পারে, সেজন্য বাজার পরিচালনার সময়ও এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিক সূচক থেকে বিচ্ছিন্ন ইরানের শেয়ারবাজার গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হয়ে যায়। ওই দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এরপর থেকেই বাজারে লেনদেন স্থগিত ছিল।

ইরানের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্গানাইজেশনের (এসইও) উপপ্রধান হামিদ ইয়ারি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, বিনিয়োগকারীদের সম্পদ রক্ষা, আবেগতাড়িত বিক্রি ঠেকানো এবং আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বাজার চালুর পরিবেশ তৈরির জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজার বন্ধ রাখার ফলে শুরুতে আতঙ্কজনিত ব্যাপক শেয়ার বিক্রি ঠেকানো গেলেও দীর্ঘ সময় ধরে লেনদেন বন্ধ থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থার সংকটও তৈরি হয়েছে।

২০২৬ সালের শুরুতে তেহরান স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ‘টেডপিক্স’ প্রায় ৪৫ লাখ পয়েন্টের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছিল। তবে জানুয়ারিতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হাজারো মানুষের প্রাণহানির পর বাজারে বড় ধস নামে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় ২০ দিনের রাষ্ট্রীয় ইন্টারনেট বন্ধের কারণে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়তে থাকলে বিনিয়োগকারীরা দ্রুত অর্থ তুলে নিতে শুরু করেন। বাজার বন্ধ হওয়ার আগে সূচক নেমে আসে প্রায় ৩৭ লাখ পয়েন্টে।

পুনরায় চালুর পর কী হতে পারে
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বাজার খুললেও অধিকাংশ ইরানি নাগরিক এখনও তাদের সঞ্চয় বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ণ, আবাসন, গাড়ি কিংবা ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো বিকল্প সম্পদে ধরে রাখতে চাইবেন। কারণ দেশটির অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার চাপে রয়েছে।

ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজেট ঘাটতি মেটাতে নিয়মিত অর্থ ছাপাচ্ছে, যা মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ অবরোধ সেই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। গত ১৩ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ আরোপ করা হয়, যদিও পাঁচ দিন আগে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল উভয় পক্ষ।

যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল, ইস্পাত, খনিশিল্প ও পরিবহন-সংশ্লিষ্ট বহু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব প্রতিষ্ঠানই দেশটির পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।

তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির কতটা তথ্য কোম্পানিগুলো প্রকাশ করতে পারবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইরানের আর্থিক দৈনিক ‘দোনিয়া-ই-এক্তেসাদ’ জানিয়েছে, উৎপাদন প্রক্রিয়া, নকশা বা কারখানার মানচিত্রের মতো কিছু তথ্য ‘বাণিজ্যিক গোপনীয়তা’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ ধরনের তথ্য সরাসরি জনসমক্ষে প্রকাশ না করে প্রথমে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দেওয়া হতে পারে।

এসইও চেয়ারম্যান হোজ্জাতুল্লাহ সাইয়্যেদি জানিয়েছেন, বাজার পুনরায় চালুর সময় কোম্পানিগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হবে। প্রথমত, যেসব প্রতিষ্ঠান সরাসরি যুদ্ধের ক্ষতির শিকার হয়েছে- যেমন পেট্রোকেমিক্যাল ও ইস্পাত খাত। দ্বিতীয়ত, যেসব কোম্পানি সরবরাহকারী, গ্রাহক বা সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর তৃতীয়ত, সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবেশের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।

ভিয়েনাভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইউরেশিয়ান নেক্সাস পার্টনার্সের ব্যবস্থাপনা অংশীদার বিজান খাজেহপুর আল-জাজিরাকে বলেন, বাজার পুনরায় চালুর পুরো প্রক্রিয়া ‘কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে’ রাখতে হবে। কারণ অনেক বিনিয়োগকারী দ্রুত নগদ অর্থ সংগ্রহের জন্য আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করতে পারেন।

তার মতে, সরকার বর্তমানে তীব্র আর্থিক চাপে থাকলেও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে সহায়ক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

ইরানের শেয়ারবাজারে মূল্য ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে আগে থেকেই দৈনিক তিন শতাংশ সীমা নির্ধারণ করা আছে। ফলে কোনও শেয়ারের দাম একদিনে আগের দিনের তুলনায় তিন শতাংশের বেশি বাড়তে বা কমতে পারে না। এই সীমা হঠাৎ ধস ঠেকাতে সহায়ক হলেও বিক্রির চাপ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি করে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের সময় দুই সপ্তাহের জন্য বাজার বন্ধ থাকার অভিজ্ঞতা এবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। ওই যুদ্ধের পর কয়েক সপ্তাহে তেহরান স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ১৫ শতাংশের বেশি পড়ে গিয়েছিল। যদিও পরে ২০২৬ সালের শুরুতে সূচক আবার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছায়।

তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, সেই উত্থান মূলত উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে সম্পদের পুনর্মূল্যায়নের ফল ছিল। প্রকৃত বিনিয়োগ বৃদ্ধি বা অর্থনৈতিক শক্তির প্রতিফলন তা ছিল না। সূত্র: আল-জাজিরা

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী
আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী
সূচকের উত্থানে বেড়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
সূচকের উত্থানে বেড়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে : প্রশাসক জহির হোসেন
ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে : প্রশাসক জহির হোসেন
ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করলো এবিবি
ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করলো এবিবি
প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সহসাই কমবে না : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সহসাই কমবে না : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
জুনের ১৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৩৬ কোটি ডলার
জুনের ১৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৩৬ কোটি ডলার
চলতি বছরই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর আশাবাদ
চলতি বছরই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর আশাবাদ
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি
ডিএসইতে সূচকের বড় উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
ডিএসইতে সূচকের বড় উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
সর্বশেষ খবর
আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ
আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

১৬ ম্যাচের ৮টিই ড্র! ২০২৬ বিশ্বকাপে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
১৬ ম্যাচের ৮টিই ড্র! ২০২৬ বিশ্বকাপে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়ে বাড়ল অনিশ্চয়তা, পরিবারে আসছে নতুন অতিথি
নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়ে বাড়ল অনিশ্চয়তা, পরিবারে আসছে নতুন অতিথি

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া ২০ কর্মদিবসের মধ্যে জমার নির্দেশ
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া ২০ কর্মদিবসের মধ্যে জমার নির্দেশ

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি, ৫২ জনের মৃত্যু
দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি, ৫২ জনের মৃত্যু

৩০ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ
মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে এক দিনে চারটি ড্র, গড়ল বিরল ইতিহাস
৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে এক দিনে চারটি ড্র, গড়ল বিরল ইতিহাস

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মিনাব হামলায় নিহত ১৬৮ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্মরণ ইরানের
মিনাব হামলায় নিহত ১৬৮ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্মরণ ইরানের

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার
টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন
সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!
ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী
আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত ৩০
চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল
নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশুরা কবে, জানা যাবে আজ
আশুরা কবে, জানা যাবে আজ

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান
বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৩৯ বিদেশি আটক
মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৩৯ বিদেশি আটক

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ জুন ২০২৬

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচে সমতায় ফিরেছে ইরান
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচে সমতায় ফিরেছে ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে নারীকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান
রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে নারীকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে
বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট

২২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান
হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০ মিনিটেই মিলিয়নিয়ার কেপ ভার্দের গোলরক্ষক!
৯০ মিনিটেই মিলিয়নিয়ার কেপ ভার্দের গোলরক্ষক!

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও এক ড্র, শেষ মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে
আরও এক ড্র, শেষ মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’:  জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য
‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা
দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত
মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব
দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এএসআই পদে জেলাভিত্তিক শূন্য পদ প্রকাশ
এএসআই পদে জেলাভিত্তিক শূন্য পদ প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর
প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতিহাসের সামনে আর্জেন্টিনা
ইতিহাসের সামনে আর্জেন্টিনা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি প্রবেশে বাধায় তোলপাড়
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি প্রবেশে বাধায় তোলপাড়

প্রথম পৃষ্ঠা

ছাগলের পেটে তালগাছ
ছাগলের পেটে তালগাছ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নজর থাকবে জিদানপুত্রের দিকে
নজর থাকবে জিদানপুত্রের দিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আগেভাগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম
আগেভাগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম

পেছনের পৃষ্ঠা

সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ গৃহীত হয়নি
সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ গৃহীত হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ
লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ

প্রথম পৃষ্ঠা

জালিয়াতি দুর্নীতির নথি যাচ্ছে দুবাইয়ে
জালিয়াতি দুর্নীতির নথি যাচ্ছে দুবাইয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেই সেনেগাল
ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেই সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ
পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সরকারের তোষামোদ নয় সত্য তুলে ধরুন
সরকারের তোষামোদ নয় সত্য তুলে ধরুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব
ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব

পেছনের পৃষ্ঠা

সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী
সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী

সম্পাদকীয়

নরসুন্দা নদী এখন ময়লার ভাগাড়
নরসুন্দা নদী এখন ময়লার ভাগাড়

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মুখোমুখি
আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মুখোমুখি

নগর জীবন

মাদারগঞ্জের দুই যুবক রাশিয়ায় নিখোঁজ
মাদারগঞ্জের দুই যুবক রাশিয়ায় নিখোঁজ

প্রথম পৃষ্ঠা

রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের শর্ত প্রত্যাহার প্রস্তাবে উদ্বেগ
রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের শর্ত প্রত্যাহার প্রস্তাবে উদ্বেগ

শিল্প বাণিজ্য

অতিরিক্ত কর ফেরত ৬০ দিনে
অতিরিক্ত কর ফেরত ৬০ দিনে

শিল্প বাণিজ্য

মনে হওয়ার খেসারত
মনে হওয়ার খেসারত

সম্পাদকীয়

বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনা থেকে বিশ্বকাপে  ইরানকুন্ডা
বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনা থেকে বিশ্বকাপে  ইরানকুন্ডা

মাঠে ময়দানে

তালগাছ লাগানোর নামে লুটপাট
তালগাছ লাগানোর নামে লুটপাট

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের
হানি ট্র্যাপে ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাতার টাকা কোথায় খরচ যাচাই হবে
ভাতার টাকা কোথায় খরচ যাচাই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই দিন বন্ধ যান চলাচল
দুই দিন বন্ধ যান চলাচল

দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

প্রথম নির্মাণেই বাজিমাত
প্রথম নির্মাণেই বাজিমাত

শোবিজ

টাকা তোলা হলো মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে
টাকা তোলা হলো মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন বগি বিচ্ছিন্ন
ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন বগি বিচ্ছিন্ন

দেশগ্রাম