শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:১১, বুধবার, ২০ মে, ২০২৬ আপডেট: ১১:২২, বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

ব্যবসায়ী নেতৃত্ব ছাড়াই চলছে এফবিসিসিআই, ২০ মাসের অচলাবস্থায় বাড়ছে সংকট

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ব্যবসায়ী নেতৃত্ব ছাড়াই চলছে এফবিসিসিআই, ২০ মাসের অচলাবস্থায় বাড়ছে সংকট

গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে (এফবিসিসিআই) ব্যবসায়ী নেতৃত্বের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রায় ২০ মাস ধরে ব্যবসায়ী নেতৃত্বের এই সংকটকে সাথে নিয়েই এখন সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়োগপ্রাপ্ত একজন প্রশাসকের মাধ্যমে। এতে নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ চললেও, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বাড়তি সুদহার, কর ও ভ্যাটের চাপ, এবং বৈশ্বিক অস্থিরতায় সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের মতো জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও দাবিদাওয়া তুলে ধরার মতো কার্যকর কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই।

বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা সংশোধন না হওয়ায় এফবিসিসিআই-এর নির্বাচন দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে। বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার নতুন বাণিজ্য বিধিমালা প্রণয়নের পর ব্যবসায়ী নেতাদের চাপে তা পুনঃসংশোধনের উদ্যোগ নেয়। তবে সংশোধনের কাজ শেষ না করেই দায়িত্ব ছাড়ে তারা। গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠন করলেও বিধিমালা সংশোধনে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। ফলে এফবিসিসিআই নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। এই অচলাবস্থার প্রভাব পড়েছে সংগঠনটির কার্যক্রমেও—ফেডারেশনে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি ও যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা। তাদের মতে, গত কয়েক বছর ধরেই অর্থনীতি নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে ৯ শতাংশের আশপাশে স্থির থাকায় বাজারে চাপ কমছে না। একই সঙ্গে ব্যাংকঋণের সুদহার বেড়ে ১৪–১৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনাকে কঠিন করে তুলছে।

এর পাশাপাশি গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান কাঁচামাল আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে। উৎপাদন খরচ কমার কোনো লক্ষণ না থাকলেও কর ও ভ্যাটের চাপ বছর বছর বেড়েই চলেছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এমন এক সময়ে ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো নীতিনির্ধারকদের সামনে কার্যকরভাবে তুলে ধরার মতো শক্তিশালী নেতৃত্ব না থাকায় সার্বিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৪’এর গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জেরে দেশের এফবিসিসিআইতে অস্থিরতা তৈরি হয়। পরিচালনা পর্ষদের পদত্যাগের দাবিতে সদস্যদের একাংশ সক্রিয় হয়ে উঠলে শেষ পর্যন্ত সভাপতি মাহবুবুল আলম পদত্যাগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১১ সেপ্টেম্বর এফবিসিসিআইয়ের পর্ষদ বাতিল করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন-এর সদস্য মো. হাফিজুর রহমান-কে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি প্রায় এক বছর দায়িত্ব পালন করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে পারেননি। পরবর্তীতে দেড় মাস প্রশাসক পদ শূন্য থাকার পর গত নভেম্বরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান-কে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। তাকে ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হলেও ইতোমধ্যে ছয় মাস পেরিয়ে গেছে, কিন্তু নির্বাচন এখনও অনিশ্চিতই রয়ে গেছে।

জানা যায়, দেশের ৪০১টি পণ্যভিত্তিক বাণিজ্য সংগঠন এবং ৮৩টি জেলা ও বিশেষায়িত চেম্বার ফেডারেশনের সদস্য। এফবিসিসিআইয়ের নেতৃত্ব নির্বাচনে এসব চেম্বার ও বাণিজ্য সংগঠনের নেতারা ভোট দিয়ে থাকেন। ফেডারেশনে ভোট না হওয়ার কারণে অনেক বাণিজ্য সংগঠনেও ভোট আটকে রয়েছে।

চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমকে কথা বলেছেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘ফেডারেশন হচ্ছে ক্ষুদ্র ও বড় ব্যবসায়ীদের সংগঠন। তাঁদের স্বার্থ সংরক্ষণে দর–কষাকষি করে থাকে ফেডারেশন। দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না থাকায় ব্যবসায়ীরা কথা বলার জন্য কোনো ফোরাম পাচ্ছেন না। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনে ২০ মাস ধরে পর্ষদ না থাকাটা দুঃখজনক। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা সংশোধন করে নির্বাচন দেওয়া জরুরি।’

এফবিসিসিআইয়ের সংস্কার
দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর নেতৃত্ব কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তখন তারা তাদের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীকে সভাপতির জন্য মনোনীত করে। 

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি এফবিসিসিআই থেকেও নির্বাচন উধাও হয়ে গিয়েছিল। ২০১৯ ও ২০২১ সালে কোনো ভোট ছাড়াই সভাপতি হন যথাক্রমে শেখ ফজলে ফাহিম ও মো. জসিম উদ্দিন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে পণ্যভিত্তিক সংগঠন বা অ্যাসোসিয়েশন অংশে ভোট হয়েছিল। তবে সেবারও ভোট ছাড়াই সভাপতি হয়েছিলেন মাহবুবুল আলম।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এফবিসিসিআইয়ের সাধারণ পরিষদের সদস্য—এই ব্যানারে যাঁরা পর্ষদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন, পরে তাঁরাই এফবিসিসিআইয়ের বৈষম্যবিরোধী সংস্কার পরিষদ গঠন করেন। তাঁরা মনোনীত পরিচালক প্রথা বাতিল, পর্ষদের সদস্যসংখ্যা কমানোসহ কয়েকটি সংস্কার প্রস্তাব দেন। সেসব প্রস্তাব রেখে গত বছরের মে মাসে বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়।

নতুন বিধিমালায় এফবিসিসিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদের আকার ছোট ও মনোনীত পরিচালকের সংখ্যা কমানো হয়। ফেডারেশনের সর্বশেষ পর্ষদ ছিল ৮০ জনের। এর মধ্যে মনোনীত পরিচালক ছিলেন ৩৪ জন। বিধিমালা সংশোধন করে পর্ষদের আকার কমিয়ে ৪৬ জনে নামিয়ে আনা হয়। তার মধ্যে চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ৫ জন করে ১০ জন মনোনীত পরিচালক থাকবেন। এর বাইরে নারী চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ১ জন করে ২ জন মনোনীত পরিচালক পর্ষদে যুক্ত হবেন।

বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর ফেডারেশনের প্রথম নির্বাচনে অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে সভাপতি এবং চেম্বার গ্রুপ থেকে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন। অন্যদিকে পর্ষদে ১২ জন মনোনীত পরিচালকদের ফেডারেশনের সাধারণ পরিষদের সদস্য হতে হবে। দুই বছরের মেয়াদের জন্য গঠিত সাধারণ পরিষদের প্রত্যেক সদস্যকে এককালীন ২০ হাজার টাকা নিবন্ধন ফি দিতে হবে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এফবিসিসিআইয়ের কাজ হচ্ছে সরকারের সঙ্গে দেনদরবার করা, ব্যবসায়ীদের সুবিধা–অসুবিধা দেখা। দীর্ঘদিন ধরে পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় ব্যবসায়ী নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা চাই, সংস্কার শেষে দ্রুত ভোটের মাধ্যমে প্রকৃত ব্যবসায়ী প্রতিনিধি নির্বাচিত হোক।’

যে কারণে আটকে আছে এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচন
নতুন বিধিমালা জারির দুই সপ্তাহের মধ্যেই এফবিসিসিআই-এর নির্বাচনী বোর্ড গঠন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত ১৮ জুন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, দুইজন সহসভাপতি এবং ৩০ জন পরিচালক নির্বাচনের কথা ছিল। তবে বাণিজ্য সংগঠনগুলোর দাবির মুখে পরবর্তীতে নির্বাচনের সময়সূচি ৪৫ দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়, ফলে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়।

নতুন বিধিমালায় বলা হয়, ফেডারেশনের পরিচালনা পর্ষদে টানা সর্বোচ্চ দুবার থাকা যাবে। তারপর একবার বিরতি দিয়ে আবার নির্বাচন করা যাবে। এই নিয়ম ভবিষ্যতের পাশাপাশি বিগত সময়ের জন্যও প্রযোজ্য করা হয়। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালায় থাকা এই বিধান নির্বাচনের তফসিলেও রাখা হয়েছিল। তাতে সর্বশেষ গত দুই পর্ষদে যাঁরা ছিলেন, তাঁরা নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েন। তাতে ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়। ক্ষুব্ধ একাধিক ব্যবসায়ী এ নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট মামলা করেন। তারপর নির্বাচনপ্রক্রিয়া থমকে যায়।

বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এফবিসিসিআইয়ের সহায়ক কমিটির সাবেক সদস্য আবুল কাশেম হায়দার গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘ভালোর জন্য আমরা ফেডারেশন থেকে স্বৈরাচার দূর করলাম; কিন্তু এখন ফেডারেশন হয়ে পড়েছে নেতৃত্বহীন। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা সংশোধনের কাজটি এক দিনেই করা সম্ভব। অর্থমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীও বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত। তারপরও বিধিমালা সংশোধনের কাজটি কেন ধীর গতিতে চলছে, সেটি আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।’

নির্বাচন নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (চলতি দায়িত্ব) ও এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক আবদুর রহিম খান। তিনি বলেন, ‘সংশোধিত বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা চলতি সপ্তাহে ওয়েবসাইটে দিয়ে দেওয়া হবে মতামতের জন্য। এরপর অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক করে বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে। বিধিমালা সংশোধন হয়ে গেলে নির্বাচনে আরও কোনো বাধা থাকবে না।’

বিডি-প্রতিদিন/শআ

এই বিভাগের আরও খবর
বাজেটের আগে রিজার্ভ কমলো
বাজেটের আগে রিজার্ভ কমলো
ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি
অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কিনবে সরকার
বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কিনবে সরকার
‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী জার্মানি’
‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী জার্মানি’
১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার
১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ওষুধের বিজ্ঞাপনের ছয় হাজার কোটি টাকা ডাক্তারের পকেটে
ওষুধের বিজ্ঞাপনের ছয় হাজার কোটি টাকা ডাক্তারের পকেটে
ভ্যাটের জালে সব ব্যবসা
ভ্যাটের জালে সব ব্যবসা
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে হালাল পণ্যের বড় সম্ভাবনা দেখছেন লিসতিওয়াতি
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে হালাল পণ্যের বড় সম্ভাবনা দেখছেন লিসতিওয়াতি
সর্বশেষ খবর
ফুটবল বিশ্বকাপ : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কে এগিয়ে?
ফুটবল বিশ্বকাপ : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কে এগিয়ে?

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংক হিসাব খুলতে লাগবে টিআইএন, তবে ছাড় পাবেন শিক্ষার্থীরা
ব্যাংক হিসাব খুলতে লাগবে টিআইএন, তবে ছাড় পাবেন শিক্ষার্থীরা

১ মিনিট আগে | জাতীয়

অক্টোপাস থেকে বিড়াল, বিশ্বকাপে ভবিষ্যদ্বাণী করা প্রাণীরা
অক্টোপাস থেকে বিড়াল, বিশ্বকাপে ভবিষ্যদ্বাণী করা প্রাণীরা

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানকে ঘিরে ২২ দেশের যৌথ সতর্কবার্তা
ইরানকে ঘিরে ২২ দেশের যৌথ সতর্কবার্তা

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথার স্মারক ‘স্মৃতি অম্লান’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথার স্মারক ‘স্মৃতি অম্লান’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ওমান উপকূলে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত, কড়া প্রতিবাদ দিল্লির
ওমান উপকূলে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত, কড়া প্রতিবাদ দিল্লির

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শরীফ হোসেন আটক
সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শরীফ হোসেন আটক

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাজধানীর বিজয় সরণিতে গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত
রাজধানীর বিজয় সরণিতে গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেসি, ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ
মেসি, ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে ভর্তুকি কমছে, বাড়ছে প্রণোদনা
বাজেটে ভর্তুকি কমছে, বাড়ছে প্রণোদনা

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বসুন্ধরা কিংসকে ফিফা সভাপতির অভিনন্দন
বসুন্ধরা কিংসকে ফিফা সভাপতির অভিনন্দন

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোচদের নিয়ে ভিন্নধর্মী মূল্যায়ন
বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোচদের নিয়ে ভিন্নধর্মী মূল্যায়ন

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর
বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গরমে আম খেলে মিলবে অনেক উপকার
গরমে আম খেলে মিলবে অনেক উপকার

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব
বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমানবন্দর এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত
বিমানবন্দর এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি
দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব
৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গরমে শরীর ঠিক রাখতে দরকার যেসব অভ্যাস
গরমে শরীর ঠিক রাখতে দরকার যেসব অভ্যাস

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

২৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার নেই ৪ উইকেট, মুস্তাফিজের আগুনে স্পেল
২৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার নেই ৪ উইকেট, মুস্তাফিজের আগুনে স্পেল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামেকে পৌঁছেছে ২৮ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ, বিনামূল্যে পাবেন রোগীরা
রামেকে পৌঁছেছে ২৮ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ, বিনামূল্যে পাবেন রোগীরা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

করমুক্ত থাকছে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়, থাকছে না ভ্যাটও
করমুক্ত থাকছে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়, থাকছে না ভ্যাটও

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আমরা পৃথিবীর রাজা নই’, ভিসা বিতর্কে ফিফা সভাপতি
‘আমরা পৃথিবীর রাজা নই’, ভিসা বিতর্কে ফিফা সভাপতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই থেকেই কেন শুরু হয় অর্থবছর?
জুলাই থেকেই কেন শুরু হয় অর্থবছর?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শূন্য রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জার শুরু
শূন্য রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জার শুরু

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট
যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত
কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ধানি জমিতে রঙিন আম চাষে বাজিমাত
ধানি জমিতে রঙিন আম চাষে বাজিমাত

২২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাসির-তামিমার খালাস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন বাদী রাকিব
নাসির-তামিমার খালাস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন বাদী রাকিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ঝুঁকির পথ বেছে নিচ্ছেন ইরানের নতুন নেতৃত্ব: সিএনএনের বিশ্লেষণ
কেন ঝুঁকির পথ বেছে নিচ্ছেন ইরানের নতুন নেতৃত্ব: সিএনএনের বিশ্লেষণ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আমরা আবারও ইরানে কঠোর হামলা করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প
আমরা আবারও ইরানে কঠোর হামলা করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়তি ৭৫০ ডলারে দ্রুত মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ
বাড়তি ৭৫০ ডলারে দ্রুত মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ
৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা
অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পানি অবকাঠামোয় মার্কিন হামলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
ইরানের পানি অবকাঠামোয় মার্কিন হামলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে বিতর্কের মামলায় জিতে তামিমা লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’
বিয়ে বিতর্কের মামলায় জিতে তামিমা লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ওপর হামলা ‘সম্পন্ন’, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর হামলা ‘সম্পন্ন’, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু, হরমুজ বন্ধ ঘোষণা
ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু, হরমুজ বন্ধ ঘোষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি, স্কালোনির পরিকল্পনায় নতুন সমীকরণ
বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি, স্কালোনির পরিকল্পনায় নতুন সমীকরণ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৪৮ দলের বিশ্বকাপ: কোন গ্রুপে সবচেয়ে কঠিন লড়াই?
৪৮ দলের বিশ্বকাপ: কোন গ্রুপে সবচেয়ে কঠিন লড়াই?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হারসহ এক ম্যাচে ৮ লাল কার্ড হজম করল ব্রাজিল
হারসহ এক ম্যাচে ৮ লাল কার্ড হজম করল ব্রাজিল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন, থাকছে যেসব চমক
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন, থাকছে যেসব চমক

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গভীর রাতে আকস্মিক অভিযানে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, মহাখালী-কাকলীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন
গভীর রাতে আকস্মিক অভিযানে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, মহাখালী-কাকলীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান
অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নীতিতে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ, তবুও দেশে নায়ক সোমালি রেফারি
ট্রাম্পের নীতিতে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ, তবুও দেশে নায়ক সোমালি রেফারি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাহিদ রানাকে শাস্তি দিল আইসিসি
নাহিদ রানাকে শাস্তি দিল আইসিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ
হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন যে সমীকরণ গড়ছে ইরান
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন যে সমীকরণ গড়ছে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির স্থাপনা
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির স্থাপনা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘অস্তিত্ব রক্ষায়’ কি কংগ্রেসে ফিরছেন মমতা?
‘অস্তিত্ব রক্ষায়’ কি কংগ্রেসে ফিরছেন মমতা?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমান উপকূলে তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, দুই নাবিক নিখোঁজ
ওমান উপকূলে তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, দুই নাবিক নিখোঁজ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বার কাউন্সিলের প্রথম রিভিউ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ : হাইকোর্ট
বার কাউন্সিলের প্রথম রিভিউ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ : হাইকোর্ট

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ
সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজটেকায় শুরু বিশ্বকাপ মহোৎসব
আজটেকায় শুরু বিশ্বকাপ মহোৎসব

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শঙ্কায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা
শঙ্কায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেছনের পৃষ্ঠা

জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা বানালেন আমজাদ
জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা বানালেন আমজাদ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা
ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতিহাসের অপেক্ষায় মিরাজ বাহিনী
ইতিহাসের অপেক্ষায় মিরাজ বাহিনী

মাঠে ময়দানে

অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম
অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ হবে আরও আকর্ষণীয়
বিশ্বকাপ হবে আরও আকর্ষণীয়

মাঠে ময়দানে

লোকসংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বাড়ছে না
লোকসংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বাড়ছে না

সম্পাদকীয়

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব

প্রথম পৃষ্ঠা

এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে ব্যাখ্যা
এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে ব্যাখ্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান
বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার অনুমতি
সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার অনুমতি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে বিশ্বকাপের সূচনা
মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে বিশ্বকাপের সূচনা

মাঠে ময়দানে

৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত
৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রেফারিকে বের করে দিল যুক্তরাষ্ট্র
রেফারিকে বের করে দিল যুক্তরাষ্ট্র

মাঠে ময়দানে

দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর ভোগান্তি
দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর ভোগান্তি

নগর জীবন

গ্রামীণফোন ও বিকাশের চুক্তি
গ্রামীণফোন ও বিকাশের চুক্তি

নগর জীবন

জামায়াতের ছায়া সরকার ও বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা
জামায়াতের ছায়া সরকার ও বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই যুগেও সংস্কার নেই, দুর্ভোগে মানুষ
দুই যুগেও সংস্কার নেই, দুর্ভোগে মানুষ

নগর জীবন

বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু
বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু

রকমারি নগর পরিক্রমা

দীর্ঘদিন ঝিলমিল প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি
দীর্ঘদিন ঝিলমিল প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি

নগর জীবন

প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়ার যুবক লালমনিরহাটে
প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়ার যুবক লালমনিরহাটে

নগর জীবন

বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বিনামূল্যে আরও ১৯ রোগীর চোখের অপারেশন
বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বিনামূল্যে আরও ১৯ রোগীর চোখের অপারেশন

নগর জীবন

চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

নগর জীবন

বাজেটের আগে কমল সোনার দাম
বাজেটের আগে কমল সোনার দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

মহাসড়কে বেড়েছে প্রাণহানি
মহাসড়কে বেড়েছে প্রাণহানি

নগর জীবন

টয়লেটের গর্ত নিয়ে বিরোধ, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ
টয়লেটের গর্ত নিয়ে বিরোধ, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ

দেশগ্রাম